পুবের কলম ওয়েবডেস্ক:  হিমাচল প্রদেশের উনা থেকে দিল্লিগামী চতুর্থ বন্দেভারত এক্সপ্রেসের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার  সবুজ পতাকা নেড়ে এই হাইস্পিড ট্রেনের যাত্রা শুরুর সংকেত দেন মোদি।এরপর এই ট্রেনে নয়াদিল্লি আসবেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণো।

https://twitter.com/AshwiniVaishnaw/status/1580418550258286593?

s=20&t=upnKg1UfUTPeywihaXMGBw

ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর, রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা হামিরপুরের সাংসদ বিজেপির অনুরাগ ঠাকুর। এইদিন সকালে হিমাচল পৌঁছান  প্রধানমন্ত্রী। উনা হেলিপ্যাডে তাঁকে স্বাগত জানান হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম রমেশ। বন্দেভারত এক্সপ্রেসের সূচনা ছাড়াও উনা ও চম্বাতে দু’টি জনসভা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ৷ সেখানে তিনি একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন ৷

গত ৩০ সেপ্টেম্বর গান্ধিনগর এবং মুম্বইয়ের মধ্যে তৃতীয় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হয়েছে।

মোদি  গান্ধিনগর  ক্যাপিটাল স্টেশন থেকে আহমেদাবাদের মধ্যে এই ট্রেনে চড়েছিলেন।

বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের তৃতীয় এবং চতুর্থ রেকগুলি চেন্নাইতে অবস্থিত ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে (আইসিএফ) তৈরি করা হয়েছে। প্রথম সংস্করণ থেকে আপগ্রেড করা ট্রেন প্রতি ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে চলতে পারে। উনা পঞ্জাব সীমান্তবর্তী একটি শিল্প শহর।

হরিয়ানা, পঞ্জাব এবং হিমাচল প্রদেশের পাশাপাশি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল চণ্ডীগড়ও এই ট্রেন চালানোর ফলে উপকৃত হবে। পঞ্জাবের কিরাতপুর সাহেব এবং আনন্দপুর সাহেবের মতো শিখ মন্দির এবং মাতা জ্বালা দেবী ও মাতা চিন্তপূর্ণির মতো মন্দিরগুলির সঙ্গেও সংযোগ স্থাপন করবে এই হাইস্পিড ট্রেনটি।

চলতি বছরের শেষেই হিমাচলপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। তাই রাজনৈতিক ওয়াকিভাল মহলের মতে এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছ্বে। গত পাঁচ বছরে এই নিয়ে ন’বার হিমাচলে এলেন  মোদি। নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে এই সংখ্যা ততই বাড়বে বলছেন  রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।