০৭ মার্চ ২০২৬, শনিবার, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজীব সিনহার নিয়োগ বৈধ,  জানালো হাইকোর্ট

পারিজাত মোল্লা:  সপ্তাহ শুরুতেই কলকাতা হাইকোর্টে বড়সড় আইন স্বস্তি পেল রাজ্য সরকার। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজীব সিনহার নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। রাজীবের নিয়োগ পদ্ধতির বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছিলেন নব্যেন্দুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার ছিল এই জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ।

কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের পর্যবেক্ষণ, -‘মিডিয়ায় প্রচার পেতেই এই মামলা। এখানে সাধারণ মানুষের স্বার্থ খর্ব হয়নি’।

আরও পড়ুন: রাজ্যের সব বুথে ন্যূনতম পরিকাঠামো আছে কি? নির্বাচন কমিশনের রিপোর্ট তলব হাই কোর্টের

হাইকোর্ট কে রাজ্য জানায়, ‘  আইন অনুযায়ী রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: চন্দ্রকোনা কাণ্ডে শুভেন্দু অধিকারীকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দিল হাইকোর্ট, রিপোর্ট তলব

এই মামলার কোন গ্রহণযোগ্যতা নেই’। এদিকে, মামলকারীর দাবি,  ‘গত ৭ জুন রাজীবের নিয়োগে সিলমোহর দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। কিন্তু, রাজ্য সঠিক পদ্ধতিতে এই নিয়োগ করেনি।”

আরও পড়ুন: আই-প্যাক ইস্যু: হাইকোর্টে শুনানি স্থগিত চাইল ইডি, ‘আমরা প্রস্তুত’ বললেন কল্যাণ

শুনানি শেষে রাজ্যের যুক্তিকই মান্যতা দেয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। মামলাকারীর আইনজীবীর উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম বলেন, ”নিয়োগ নিয়ে রাজ্যের আইন জানেন? আইন কী বলছে? মামলাকারী কে? প্রচারে আসার জন্যই কি মামলা?”

এর পরেই মামলাটি খারিজ করে দেয় প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। রাজ্য্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজীব সিনহার নিয়োগ নিয়ে শুরু থেকেই জটিলতা দেখা যায়।

এই পদে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যসচিব রাজীবের নাম প্রথম প্রস্তাব করেছিল নবান্ন। সেই প্রস্তাবে প্রথমেই সিলমোহর দিতে চায়নি রাজভবন। বরং আরও দু’টি নাম চেয়ে পাঠানো হয়। পরে অবশ্য রাজীবকেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগের সম্মতি জানান রাজ্যপাল বোস।

গত ৭ জুন রাজীবকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার হিসাবে নিয়োগ করেন রাজ্যপাল। যদিও পরে রাজীব সিনহার নিয়োগ নিয়ে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন।

নতুন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সাধারণ মানুষের ভরসাযোগ্য হয়ে উঠতে পারেননি বলেও মন্তব্য করেন সি ভি আনন্দ বোস। এরপর এদিন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজীব সিনহার নিয়োগে বৈধতা জানাল।

 

 
সর্বধিক পাঠিত

৩৮ জন জামিয়া মিল্লিয়া ইসলামিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী ২০২৫ সালের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজীব সিনহার নিয়োগ বৈধ,  জানালো হাইকোর্ট

আপডেট : ৩ জুলাই ২০২৩, সোমবার

পারিজাত মোল্লা:  সপ্তাহ শুরুতেই কলকাতা হাইকোর্টে বড়সড় আইন স্বস্তি পেল রাজ্য সরকার। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজীব সিনহার নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। রাজীবের নিয়োগ পদ্ধতির বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছিলেন নব্যেন্দুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার ছিল এই জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ।

কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের পর্যবেক্ষণ, -‘মিডিয়ায় প্রচার পেতেই এই মামলা। এখানে সাধারণ মানুষের স্বার্থ খর্ব হয়নি’।

আরও পড়ুন: রাজ্যের সব বুথে ন্যূনতম পরিকাঠামো আছে কি? নির্বাচন কমিশনের রিপোর্ট তলব হাই কোর্টের

হাইকোর্ট কে রাজ্য জানায়, ‘  আইন অনুযায়ী রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: চন্দ্রকোনা কাণ্ডে শুভেন্দু অধিকারীকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দিল হাইকোর্ট, রিপোর্ট তলব

এই মামলার কোন গ্রহণযোগ্যতা নেই’। এদিকে, মামলকারীর দাবি,  ‘গত ৭ জুন রাজীবের নিয়োগে সিলমোহর দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। কিন্তু, রাজ্য সঠিক পদ্ধতিতে এই নিয়োগ করেনি।”

আরও পড়ুন: আই-প্যাক ইস্যু: হাইকোর্টে শুনানি স্থগিত চাইল ইডি, ‘আমরা প্রস্তুত’ বললেন কল্যাণ

শুনানি শেষে রাজ্যের যুক্তিকই মান্যতা দেয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। মামলাকারীর আইনজীবীর উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম বলেন, ”নিয়োগ নিয়ে রাজ্যের আইন জানেন? আইন কী বলছে? মামলাকারী কে? প্রচারে আসার জন্যই কি মামলা?”

এর পরেই মামলাটি খারিজ করে দেয় প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। রাজ্য্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজীব সিনহার নিয়োগ নিয়ে শুরু থেকেই জটিলতা দেখা যায়।

এই পদে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যসচিব রাজীবের নাম প্রথম প্রস্তাব করেছিল নবান্ন। সেই প্রস্তাবে প্রথমেই সিলমোহর দিতে চায়নি রাজভবন। বরং আরও দু’টি নাম চেয়ে পাঠানো হয়। পরে অবশ্য রাজীবকেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগের সম্মতি জানান রাজ্যপাল বোস।

গত ৭ জুন রাজীবকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার হিসাবে নিয়োগ করেন রাজ্যপাল। যদিও পরে রাজীব সিনহার নিয়োগ নিয়ে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন।

নতুন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সাধারণ মানুষের ভরসাযোগ্য হয়ে উঠতে পারেননি বলেও মন্তব্য করেন সি ভি আনন্দ বোস। এরপর এদিন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজীব সিনহার নিয়োগে বৈধতা জানাল।