উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, জয়নগর : শিক্ষক শিক্ষিকার অভাবে স্কুল বন্ধের মুখে ঘাটেশ্বর এলাকায়। এক বছর আগে আড়াইশো ছাত্র ছাত্রী ছিলো। বর্তমানে শিক্ষিকা এক, খাতা-কলমে ৩৫ হলেও স্কুলে আসে ছাত্র-ছাত্রী ৮ জন, স্কুল বন্ধের আশঙ্কা তাড়া করছে অভিভাবকদের।
রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা যে আস্তে আস্তে তলানিতে ঠেকেছে তার জলজ্যান্ত প্রমাণ দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার, মন্দিরবাজার বিধানসভার ঘাটেশ্বর মুসলমান পাড়া ও কয়াল পাড়া এস এস কে স্কুল।যে স্কুলে গত এক বছর আগে ও প্রায় দুশো জন ছাত্রছাত্রী ও চারজন শিক্ষক শিক্ষিকা নিয়ে স্কুল চলছিল, আর সেই স্কুলে বর্তমানে শিক্ষক-শিক্ষিকার অভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কায় ভুগছে এলাকার অভিভাবকরা।

ঘাটেশ্বর এলাকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে এই শিশু শিক্ষা কেন্দ্রটি খুবই প্রিয়। বর্তমানে সেই প্রিয় স্কুল নিয়ে দুশ্চিন্তায় অভিভাবকরা। এক বছর আগে চারজন শিক্ষক থাকলে ও বর্তমানে একজন শিক্ষিকা, পর্যাপ্ত শিক্ষক শিক্ষিকা না থাকায় স্কুল থেকে ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে অন্য স্কুলে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে এলাকার মানুষজন। স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকার দাবি উঠছে, শিক্ষিক-শিক্ষিকা পর্যাপ্ত থাকলে স্কুলে আবারো ছাত্র ছাত্রী ভর্তি করতে পারে এলাকার মানুষ দাবি অভিভাবকদের।
স্কুলের প্রয়োজনীয় কাজে কিংবা শরীর অসুস্থ বা অন্যান্য কারণবশত একমাত্র শিক্ষিকা স্কুলে না এলেই স্কুল বন্ধ হয়ে যায়। এমনই দাবি করেছেন স্কুল শিক্ষিকা করবি ময়রা। বিরোধীদের দাবি রাজ্য সরকার শিক্ষার মান এমন পর্যায়ে নামিয়ে এনেছে। আগামী দিনে আরো স্কুল বন্ধের আশঙ্কারয়েছে।
অন্যদিকে শাসকদলের পঞ্চায়েত সদস্যা রন্তন মল্লিক বলেন, আশে পাশে অনেক স্কুল রয়েছে তাই সে স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীরা চলে যাচ্ছে। তাছাড়া এই স্কুলে সরকারি সুযোগ-সুবিধা নেই এবং বর্তমানে স্কুলের শিক্ষক না থাকার জন্য স্কুলের ছাত্র ছাত্রী আসছে না, তবেই তিনি এ বিষয়ে বিডিও জানিয়েছেন। তবে এ ব্যাপারে মন্দিরবাজারের বিডিও বিষয়টি দেখার আশ্বাস দেন।






























