১১ ডিসেম্বর ২০২৫, বৃহস্পতিবার, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজ্যে ‘নিখোঁজ’ ৫৫ লক্ষ ভোটার! ফর্ম বিলিতে বিপাকে বিএলওরা

 

রাজ্যে বাড়ি বাড়ি ঘুরেও প্রায় ৫৫ লক্ষ ভোটারের হদিশ মিলছে না,এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে নির্বাচন কমিশনের রিপোর্টে। ইনিউমারেশন প্রক্রিয়ায় জেলাজুড়ে এই সমস্যায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন বুথ লেভেল অফিসাররা (বিএলও), বিশেষত শহরাঞ্চলে।

২০২৫ সালের ভোটার তালিকা অনুযায়ী রাজ্যে মোট ভোটার সংখ্যা ৭ কোটি ৬৬ লক্ষের বেশি। তার মধ্যে ৭ কোটি ৫৫ লক্ষ ভোটারকে ইনিউমারেশন ফর্ম বিলি করা হয়েছে বলে কমিশন জানিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে—যাদের খোঁজই মিলছে না, তাদের ফর্ম দেওয়া হল কীভাবে?
কমিশনের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ভোটারকে ঠিকানায় না পেলে বিএলওদের তিনবার গিয়ে খোঁজ করতে হবে। তারপরও না পেলে বাড়িতে নোটিশ সেঁটে তার ছবি তুলে অ্যাপে আপলোড করলেই ওই ভোটারকে “ফর্ম প্রদান” হয়েছে বলে ধরা হবে।

সবচেয়ে বেশি সমস্যা দেখা দিয়েছে কলকাতা, খড়্গপুর, আসানসোলসহ শহরাঞ্চলে—যেখানে বিপুল সংখ্যক মানুষ স্থানান্তরিত হয়েছেন বা ঠিকানা পরিবর্তন হয়েছে। বস্তি এলাকায় বসবাসের ঘনঘটাও ফর্ম বিতরণে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গ্রামে আবার অনেক মহিলা ভোটার বিয়ের পরও বাপের বাড়ির ঠিকানায় তালিকাভুক্ত থাকায় তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
কমিশন ইতিমধ্যেই সব জেলা প্রশাসনকে জরুরি ভিত্তিতে ফর্ম বিলির কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকেই ফর্ম জমা নেওয়া শুরু হবে। তবে ডেটা এন্ট্রি নিয়ে রাজ্যের বহু জায়গায় বিএলওরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বলেও জানা গেছে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

দেশের সমস্ত স্কুলে বাধ্যতামূলক হোক ‘বন্দে মাতরম’: সংসদে জোর শওয়াল সুধা মূর্তির

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাজ্যে ‘নিখোঁজ’ ৫৫ লক্ষ ভোটার! ফর্ম বিলিতে বিপাকে বিএলওরা

আপডেট : ১৬ নভেম্বর ২০২৫, রবিবার

 

রাজ্যে বাড়ি বাড়ি ঘুরেও প্রায় ৫৫ লক্ষ ভোটারের হদিশ মিলছে না,এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে নির্বাচন কমিশনের রিপোর্টে। ইনিউমারেশন প্রক্রিয়ায় জেলাজুড়ে এই সমস্যায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন বুথ লেভেল অফিসাররা (বিএলও), বিশেষত শহরাঞ্চলে।

২০২৫ সালের ভোটার তালিকা অনুযায়ী রাজ্যে মোট ভোটার সংখ্যা ৭ কোটি ৬৬ লক্ষের বেশি। তার মধ্যে ৭ কোটি ৫৫ লক্ষ ভোটারকে ইনিউমারেশন ফর্ম বিলি করা হয়েছে বলে কমিশন জানিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে—যাদের খোঁজই মিলছে না, তাদের ফর্ম দেওয়া হল কীভাবে?
কমিশনের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ভোটারকে ঠিকানায় না পেলে বিএলওদের তিনবার গিয়ে খোঁজ করতে হবে। তারপরও না পেলে বাড়িতে নোটিশ সেঁটে তার ছবি তুলে অ্যাপে আপলোড করলেই ওই ভোটারকে “ফর্ম প্রদান” হয়েছে বলে ধরা হবে।

সবচেয়ে বেশি সমস্যা দেখা দিয়েছে কলকাতা, খড়্গপুর, আসানসোলসহ শহরাঞ্চলে—যেখানে বিপুল সংখ্যক মানুষ স্থানান্তরিত হয়েছেন বা ঠিকানা পরিবর্তন হয়েছে। বস্তি এলাকায় বসবাসের ঘনঘটাও ফর্ম বিতরণে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গ্রামে আবার অনেক মহিলা ভোটার বিয়ের পরও বাপের বাড়ির ঠিকানায় তালিকাভুক্ত থাকায় তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
কমিশন ইতিমধ্যেই সব জেলা প্রশাসনকে জরুরি ভিত্তিতে ফর্ম বিলির কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকেই ফর্ম জমা নেওয়া শুরু হবে। তবে ডেটা এন্ট্রি নিয়ে রাজ্যের বহু জায়গায় বিএলওরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বলেও জানা গেছে।