পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা জারি। অসামরিক নাগরিকরা অবরুদ্ধ শহরগুলো থেকে পালানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। রাজধানী কিয়েভের উপকণ্ঠে তীব্র লড়াইয়ের খবর পাওয়া গেছে। দক্ষিণের বন্দর শহর মারিউপোল, রাশিয়ার সীমান্তের কাছে সুমি শহর এবং কিয়েভের ঠিক বাইরের শহর ও গ্রামগুলোতে মানবিক করিডোরের প্রস্তাব উঠেছে। ব্রিটিশ গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, রুশ বাহিনীর বেশিরভাগ অংশ এখন রাজধানীর কেন্দ্রের ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা আশঙ্কা করছেন, মস্কো কিয়েভের ওপর একটি বড় আকারের আক্রমণে প্রস্তুতি নিচ্ছে।
রাজধানীর বাইরের একটি শহর খালি করা হচ্ছে।আরও পড়ুন:
দুই সপ্তাহের বোমা হামলার পর খাবার ও পানির সংকট দেখা দিয়েছে বিভিন্ন অঞ্চলে। কিন্তু হামলার মধ্যে মারিউপোল শহর ছেড়ে যেতে পারেনি অসামরিক লোকজন। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মানবিক সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় উদ্ধার বাস শহরে ঢোকেনি। ইউক্রেনের উপপ্রধানমন্ত্রী ইরিনা ভেরেশচুক জানান, শনিবার প্রায় ১৩ হাজার ইউক্রেনীয়কে মানবিক করিডোরের মাধ্যমে সরিয়ে নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন:
ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জরুরি পরিষেবা বিভাগ জানিয়েছে, লুহানস্কের সেভেরোডেনেস্ক এবং রুবিঝনে এলাকায় ব্যাপক গোলাবর্ষণ করেছে রুশ বাহিনী।
এতে অনেক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রুশ ও ইউক্রেনীয় বাহিনীর মধ্যে কিয়েভের আশাপাশে তুমুল লড়াই চলছে। মনে করা হচ্ছে, রাশিয়ার কাছে কিয়েভের পতন আসন্ন।আরও পড়ুন:
রুশ বিমান হামলার জেরে ইউক্রেনের বেশিরভাগ শহরেই সাইরেন বাজছে। ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শহর লিভিভেও সতর্কতা সাইরেন শোনা গেছে। ইউক্রেনের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ শহর খারকিভ, সুমি, চেরনিহিভ, মারিউপোলসহ কিয়েভের আশপাশে লড়াই চলছে।
চরম মানবিক সংকটের মুখে রয়েছে হাজার হাজার বাসিন্দা। যুদ্ধের ফলে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে বহু জায়গায়। কিয়েভে রাশিয়ার সর্বাত্মক হামলার আশঙ্কা করা হচ্ছে। কিয়েভ অঞ্চলের ভাসিলকিভ শহরের কাছে রাশিয়ার রকেট হামলায় ইউক্রেনের একটি বিমানঘাঁটি ধ্বংস হয়ে গেছে। এ ছাড়া ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর গোলাবারুদ মজুত করে রাখার একটি স্থাপনায় রুশ হামলা হয়েছে। রুশ সেনারা কিয়েভের চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছেন। উপগ্রহ থেকে তোলা ছবিতে রাজধানী কিয়েভ থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার উত্তরের শহর মশচুনের বাড়িঘর রাশিয়ান গোলার আগুনে জ্বলতে দেখা গেছে।