০৬ মার্চ ২০২৬, শুক্রবার, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১৮ জুলাই ফের বঙ্গ সফরে আসছেন মোদি, কোথায় জনসভা করবেন তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক:  দরজায় কড়া নাড়ছে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন। ২১ জুলাইকে সামনে রেখে তৃণমূল নির্বাচন প্রস্তুতি শুরু করে দেবে বলে মত রাজনৈতিক মহলের। থেমে নেই গেরুয়া ব্রিগেডও। চব্বিশের লোকসভায় দুটো গুরুত্বপূর্ণ আসন হাতছাড়া হয় গেরুয়া শিবিরের। বর্ধমান-দুর্গাপুর এবং বর্ধমান পূর্ব। সেই ক্ষত এখনও হজম করতে পারেনি পদ্ম শিবির। তাই আগামী বছরের নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এগোতে চাইছে বঙ্গ বিজেপি। দুর্গাপুর সাংগঠনিক জেলাকে চাঙ্গা করতে মরিয়া বিজেপির নেতা-কর্মীরা। তাই আসন্ন বঙ্গে সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভার স্থল হিসাবে দুর্গাপুরকে বেছে নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৮ জুলাই ফের বঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুর্গাপুরের মাঠে সভার করার কথা। ইতিমধ্যে সভাস্থল পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় নেতৃত্ব। রাজ্য বিজেপির তরফে চূড়ান্ত সিলমোহরের অপেক্ষা। শেষ মুহূর্তে বড় কোনও বদল না ঘটলে দুর্গাপুরেই সভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

বারাসত, বনগাঁ, বারাকপুর, কলকাতা উত্তর – এই চার সাংগঠনিক জেলায় প্রধানমন্ত্রী জনসভা করবেন বলে খবর ছিল। সম্ভাব্য সভাস্থল হিসেবে দমদম সেন্ট্রাল জেলের মাঠের কথা আলোচনায় ছিল বলে সূত্রের খবর। এছাড়া বারাসতের কোথাও জনসভা হতে পারে, সেই জল্পনাও শোনা যাচ্ছিল। সেই মতো দলের নেতা, কর্মী, সমর্থকরা জোরকদমে প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছিলেন। তবে সম্প্রতি একেবারেই অন্য জায়গার নাম উঠে এসেছে আলোচনায়। তা হল দুর্গাপুর। এই শিল্পাঞ্চলে পদ্মের ভালো দাপট থাকলেও চব্বিশের নির্বাচনে ঘাসফুলের ধাক্কায় ধরাশায়ী হতে হয়েছিল পদ্মফুলকে। দুর্গাপুর এলাকার দু’টি লোকসভা আসনই যায় তৃণমূলের ঝুলিতে। এমনকী দিলীপ ঘোষের মতো ‘দাবাং’ নেতাকে প্রার্থী করেও গড়রক্ষা হয়নি গেরুয়া শিবিরের।

আরও পড়ুন: মুকুল রায়-এর প্রয়াণে শোকবার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদীর

দক্ষিণবঙ্গে বিজেপির সাংগঠনিক দুর্বলতা সর্বজনবিদিত। দুর্গাপুর নিয়ে বাড়তি আশা ছিল বিজেপির। চব্বিশের নির্বাচনে ধরাশায়ী হওয়ার পর তাই নতুনভাবে দুর্গাপুরে সাংগঠনিক ক্ষমতা বাড়াতে চাইছে গেরুয়া শিবির। সেই কারণেই কি মোদির সভাস্থল হিসাবে দুর্গাপুরকে বেছে নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। ছাব্বিশের বিধানসভায় সংগঠনকে ঘুরে দাঁড়াতে ভোকাল টনিক দিতেই বঙ্গে আসছেন মোদি। এবার দেখার দুর্গাপুরের কোন মাঠে সভা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

আরও পড়ুন: তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনালাপে উচ্ছ্বসিত নরেন্দ্র মোদি, বাংলাদেশের মানুষের আশাপূরণে পাশে থাকার বার্তা

 

আরও পড়ুন: ‘আপনার সঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ’, তারেক রহমান-কে অভিনন্দন বার্তা নরেন্দ্র মোদি-র

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

রাজ্যসভা নির্বাচন: শাহকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা দিলেন নীতীশ কুমার, ‘জনাদেশের অবমাননা’ কটাক্ষ বিরোধীদের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

১৮ জুলাই ফের বঙ্গ সফরে আসছেন মোদি, কোথায় জনসভা করবেন তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে

আপডেট : ৭ জুলাই ২০২৫, সোমবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক:  দরজায় কড়া নাড়ছে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন। ২১ জুলাইকে সামনে রেখে তৃণমূল নির্বাচন প্রস্তুতি শুরু করে দেবে বলে মত রাজনৈতিক মহলের। থেমে নেই গেরুয়া ব্রিগেডও। চব্বিশের লোকসভায় দুটো গুরুত্বপূর্ণ আসন হাতছাড়া হয় গেরুয়া শিবিরের। বর্ধমান-দুর্গাপুর এবং বর্ধমান পূর্ব। সেই ক্ষত এখনও হজম করতে পারেনি পদ্ম শিবির। তাই আগামী বছরের নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এগোতে চাইছে বঙ্গ বিজেপি। দুর্গাপুর সাংগঠনিক জেলাকে চাঙ্গা করতে মরিয়া বিজেপির নেতা-কর্মীরা। তাই আসন্ন বঙ্গে সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভার স্থল হিসাবে দুর্গাপুরকে বেছে নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৮ জুলাই ফের বঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুর্গাপুরের মাঠে সভার করার কথা। ইতিমধ্যে সভাস্থল পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় নেতৃত্ব। রাজ্য বিজেপির তরফে চূড়ান্ত সিলমোহরের অপেক্ষা। শেষ মুহূর্তে বড় কোনও বদল না ঘটলে দুর্গাপুরেই সভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

বারাসত, বনগাঁ, বারাকপুর, কলকাতা উত্তর – এই চার সাংগঠনিক জেলায় প্রধানমন্ত্রী জনসভা করবেন বলে খবর ছিল। সম্ভাব্য সভাস্থল হিসেবে দমদম সেন্ট্রাল জেলের মাঠের কথা আলোচনায় ছিল বলে সূত্রের খবর। এছাড়া বারাসতের কোথাও জনসভা হতে পারে, সেই জল্পনাও শোনা যাচ্ছিল। সেই মতো দলের নেতা, কর্মী, সমর্থকরা জোরকদমে প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছিলেন। তবে সম্প্রতি একেবারেই অন্য জায়গার নাম উঠে এসেছে আলোচনায়। তা হল দুর্গাপুর। এই শিল্পাঞ্চলে পদ্মের ভালো দাপট থাকলেও চব্বিশের নির্বাচনে ঘাসফুলের ধাক্কায় ধরাশায়ী হতে হয়েছিল পদ্মফুলকে। দুর্গাপুর এলাকার দু’টি লোকসভা আসনই যায় তৃণমূলের ঝুলিতে। এমনকী দিলীপ ঘোষের মতো ‘দাবাং’ নেতাকে প্রার্থী করেও গড়রক্ষা হয়নি গেরুয়া শিবিরের।

আরও পড়ুন: মুকুল রায়-এর প্রয়াণে শোকবার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদীর

দক্ষিণবঙ্গে বিজেপির সাংগঠনিক দুর্বলতা সর্বজনবিদিত। দুর্গাপুর নিয়ে বাড়তি আশা ছিল বিজেপির। চব্বিশের নির্বাচনে ধরাশায়ী হওয়ার পর তাই নতুনভাবে দুর্গাপুরে সাংগঠনিক ক্ষমতা বাড়াতে চাইছে গেরুয়া শিবির। সেই কারণেই কি মোদির সভাস্থল হিসাবে দুর্গাপুরকে বেছে নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। ছাব্বিশের বিধানসভায় সংগঠনকে ঘুরে দাঁড়াতে ভোকাল টনিক দিতেই বঙ্গে আসছেন মোদি। এবার দেখার দুর্গাপুরের কোন মাঠে সভা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

আরও পড়ুন: তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনালাপে উচ্ছ্বসিত নরেন্দ্র মোদি, বাংলাদেশের মানুষের আশাপূরণে পাশে থাকার বার্তা

 

আরও পড়ুন: ‘আপনার সঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ’, তারেক রহমান-কে অভিনন্দন বার্তা নরেন্দ্র মোদি-র