১৪ জানুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২১ হাজার নিয়োগ পদে দুর্নীতিতে যুক্ত এসএসসি, হাইকোর্টে রিপোর্ট সিবিআই সিটের

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর এজলাসে ওঠে নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলা। এ দিন সিবিআইয়ের সিট রিপোর্ট পেশ করেছে আদালতের কাছে। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে মোট ২১ হাজার পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতি করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই দুর্নীতি   করতে গিয়ে ৯ হাজার ওএমআর শিট বিকৃত করা হয়েছে। আগেই নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে প্রাথমিক চার্জশিট পেশ করেছিল সিবিআই।

 

আরও পড়ুন: হাই কোর্টে ইডি বনাম দিদি, এজলাসে নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলা; শুনানি পিছল

তাতে বলা হয়েছিল ওএমআর  শিট বিকৃত করে অযোগ্যদের চাকরি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় শান্তিপ্রসাদ সিনহা ও সুবীরেশ ভট্টাচার্য সরাসরিভাবে জড়িত বলে জানানো হয়েছিল চার্জশিটে। তারপর কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এ ব্যাপারে আরও গভীর তদন্তের নির্দেশ দেন। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এজন্য সিবিআইয়ের অধীনে সিট গঠন করতে বলা হয়।

আরও পড়ুন: উন্নাও গণধর্ষণকাণ্ডের মূল অভিযুক্তের জামিন, হাইকোর্টের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে সিবিআই

 

আরও পড়ুন: হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ শিলান্যাস বিতর্কে হস্তক্ষেপ নয়, শান্তির দায়িত্ব রাজ্যের, বললো হাইকোর্ট

জানা গিয়েছে, অশ্বিনী সিঙ্ঘভির নেতৃত্বে সেই সিট সোমবার সেই রিপোর্ট পেশ করেছে। সিট জানিয়েছে, স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে খুব কম করে ২১ হাজার  পদে নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছিল। এর আগে গত সপ্তাহে হাইকোর্টের নির্দেশে স্কুল  সার্ভিস কমিশন ১৮৩ জন অযোগ্য চাকরি প্রাপকের নামের তালিকা প্রকাশ করে। তার পর আরও ৪০ জন অযোগ্যের হদিশ পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রেও ওমআর শিট বিকৃত করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। মূল প্যানেল থেকে ওয়েটিং লিস্ট, নিয়োগের সর্বত্র দুর্নীতি হয়েছে! নিয়োগ এসএসসি দুর্নীতি মামলার শুনানি চলাকালীন কলকাতা হাইকোর্টে এমনটাই দাবি করল সিবিআই।

 

আদালতে সিবিআইয়ের সিট প্রধান জানান, উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদ থেকে উদ্ধার হওয়া এসএসসি-র হার্ড ডিস্কই এই তদন্তের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে’। সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়, প্রথমে ভাবা হয়েছিল মেধাতালিকায় গোলমাল রয়েছে। কিন্তু পরে দেখা যায় দুর্নীতি অনেক বড়! তারপর এ দিন এজলাসে বিচারপতি বলেন, ‘আমি অবাক হচ্ছি। তদন্তে আপনার যা সাহায্য লাগবে আদালতে এসে জানাবেন। আদালত সব রকম সাহায্য করবে। এই দুর্নীতির শেষ দেখা দরকার। যারা এই দুর্নীতিতে যুক্ত তাঁদের কাউকে ছাড়া হবে না।’

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

দিল্লির নির্দেশে ভোটার তালিকা ছাঁটাই: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

২১ হাজার নিয়োগ পদে দুর্নীতিতে যুক্ত এসএসসি, হাইকোর্টে রিপোর্ট সিবিআই সিটের

আপডেট : ৫ ডিসেম্বর ২০২২, সোমবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর এজলাসে ওঠে নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলা। এ দিন সিবিআইয়ের সিট রিপোর্ট পেশ করেছে আদালতের কাছে। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে মোট ২১ হাজার পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতি করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই দুর্নীতি   করতে গিয়ে ৯ হাজার ওএমআর শিট বিকৃত করা হয়েছে। আগেই নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে প্রাথমিক চার্জশিট পেশ করেছিল সিবিআই।

 

আরও পড়ুন: হাই কোর্টে ইডি বনাম দিদি, এজলাসে নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলা; শুনানি পিছল

তাতে বলা হয়েছিল ওএমআর  শিট বিকৃত করে অযোগ্যদের চাকরি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় শান্তিপ্রসাদ সিনহা ও সুবীরেশ ভট্টাচার্য সরাসরিভাবে জড়িত বলে জানানো হয়েছিল চার্জশিটে। তারপর কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এ ব্যাপারে আরও গভীর তদন্তের নির্দেশ দেন। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এজন্য সিবিআইয়ের অধীনে সিট গঠন করতে বলা হয়।

আরও পড়ুন: উন্নাও গণধর্ষণকাণ্ডের মূল অভিযুক্তের জামিন, হাইকোর্টের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে সিবিআই

 

আরও পড়ুন: হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ শিলান্যাস বিতর্কে হস্তক্ষেপ নয়, শান্তির দায়িত্ব রাজ্যের, বললো হাইকোর্ট

জানা গিয়েছে, অশ্বিনী সিঙ্ঘভির নেতৃত্বে সেই সিট সোমবার সেই রিপোর্ট পেশ করেছে। সিট জানিয়েছে, স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে খুব কম করে ২১ হাজার  পদে নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছিল। এর আগে গত সপ্তাহে হাইকোর্টের নির্দেশে স্কুল  সার্ভিস কমিশন ১৮৩ জন অযোগ্য চাকরি প্রাপকের নামের তালিকা প্রকাশ করে। তার পর আরও ৪০ জন অযোগ্যের হদিশ পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রেও ওমআর শিট বিকৃত করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। মূল প্যানেল থেকে ওয়েটিং লিস্ট, নিয়োগের সর্বত্র দুর্নীতি হয়েছে! নিয়োগ এসএসসি দুর্নীতি মামলার শুনানি চলাকালীন কলকাতা হাইকোর্টে এমনটাই দাবি করল সিবিআই।

 

আদালতে সিবিআইয়ের সিট প্রধান জানান, উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদ থেকে উদ্ধার হওয়া এসএসসি-র হার্ড ডিস্কই এই তদন্তের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে’। সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়, প্রথমে ভাবা হয়েছিল মেধাতালিকায় গোলমাল রয়েছে। কিন্তু পরে দেখা যায় দুর্নীতি অনেক বড়! তারপর এ দিন এজলাসে বিচারপতি বলেন, ‘আমি অবাক হচ্ছি। তদন্তে আপনার যা সাহায্য লাগবে আদালতে এসে জানাবেন। আদালত সব রকম সাহায্য করবে। এই দুর্নীতির শেষ দেখা দরকার। যারা এই দুর্নীতিতে যুক্ত তাঁদের কাউকে ছাড়া হবে না।’