০১ মার্চ ২০২৬, রবিবার, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
BREAKING :
ঘুরিয়ে তৃণমূলকে জোটবার্তা কংগ্রেসের? রাতেই গোয়াতে অভিষেক
পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : বুথই ফেরত সমীক্ষা বলছে গোয়ায় বিজেপি কিংবা কংগ্রেস কেউই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। কংগ্রেস বুঝিয়ে দিয়েছে
দু’বছর বাড়ি ভাড়া দেননি সোনিয়া গান্ধি, কারণ জানলে চমকে উঠবেন
পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ মাসিক বাড়ি ভাড়া মাত্র ৪৬১০ টাকা, তাও দু বছর ভাড়া দেননি কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধি।আরটিআই এর জবাবে
সংসদে কংগ্রেসকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ মোদির, কংগ্রেসকে ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ বলে কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রীর
পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ লোকসভাতে একের পর এক চাঁচাছোলা ভাষাতে কংগ্রেসকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ম্যারাথন ভাষণে ছিল শুধুই কংগ্রেসের
হিজাব নিষিদ্ধ ‘অমানবিক’, ‘অসাংবিধানিক’ মুসলিম ছাত্রীদের সমর্থন রাহুলের
পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : ‘বেটি পড়াও, বেটি বাঁচাও’ স্লোগান দিয়েছিলেন মোদিজি ।অথচ বিজেপি শাসিত কর্ণাটক পড়তে দেওয়া হচ্ছে না ‘বেটিদের’ই।তাদের
চন্নি না সিধু, কে হবেন পঞ্জাবে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রীর মুখ? জল্পনা চরমে
পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ চরণজিৎ সিং চন্নি না নভজ্যোৎ সিং সিধু! কে হতে চলেছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মুখ। আপাতত তা নিয়ে জল্পনা
কেন অখিলেশের বিরুদ্ধে প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করল কংগ্রেস? পেছনে কোন রসায়ন
পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ উত্তরপ্রদেশের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবের বিরুদ্ধে প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কংগ্রেস।
গোয়ার রাজনীতিতে নয়া সমীকরণ! তৃণমূলের সঙ্গে জোট নিয়ে বৈঠক কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বের
পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ এবার কি তবে গোয়ার রাজনীতিতে নয়া সমীকরণ? অন্তত এমনটাই ইঙ্গিত মিলেছে। সোমবার রাতে সাংসদ তথা কংগ্রেস
বাংলার মত উত্তর প্রদেশেও বিজেপি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে,দাবি অখিলেশ যাদবের
পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব বলেছেন, তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান এবং বাংলার
বিজেপি-কংগ্রেস-সিপিএম-আইএসএফ ছেড়ে তৃণমূলে
ইনামুল হক, বসিরহাটঃ স্বরূপনগর বিধানসভা ও বাদুড়িয়া ব্লকের রামচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন বুথ থেকে প্রায় দেড় হাজার জন বিরোধী দল থেকে তৃণমূলে যোগদান করল। রবিবার সন্ধ্যায় রামচন্দ্রপুরে প্রকাশ্য জনসভায় তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাধিপতি তথা স্বরূপনগরে বিধায়ক বীনা মন্ডল, বাদুড়িয়ার বিধায়ক কাজী আবদুর রহিম দিলু, স্ববরূপনর ব্লকের তৃণমূল নেতা রমেন সরদার, রামচন্দ্রপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি মহসীন মন্ডল সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।
এবার এক মঞ্চে বাম-কং-তৃণমুল, আওয়াজ উঠতে পারে দিল্লিতেও
পুবের কলম প্রতিবেদক, হাওড়া: এনটিসি বাঁচানোর দাবিতে হাওড়ার দাসনগর আরতি মিলের গেটের সামনে মঙ্গলবার সকালে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ট্রেড ইউনিয়নের তরফ থেকে এদিন ওই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। হাওড়ার সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় ওই সভায় বক্তব্য রাখেন। আইএনটিটিইউসি, আইএনটিইউসি, সিটু সহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরা এই বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভায় অংশ নেন। আরতি কটন মিলের পূর্ণ উৎপাদন চালু, কেন্দ্রীয় কাঠামো অনুযায়ী বেতন, অস্থায়ী শ্রমিকদের স্থায়ীকরণের দাবিতে বিক্ষোভ হয়। দেশব্যাপী ২৩টি এনটিসি মিলে অবিলম্বে পুরোদমে উৎপাদন চালু করার দাবিতে সোচ্চার হন বক্তারা। এদিন সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি দেশের সর্বনাশ করে দিয়েছে। এখানে সিপিএম ছিল, টিএমসি এসেছে। এখানে বিজেপির ছোঁয়া মানেই অনিষ্ট হওয়া। বিজেপি আসার পর থেকেই ভারতবর্ষ সম্পূর্ণ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। যেহেতু বাংলায় ঢুকতে পারছে না সেহেতু এরা চাইছে যেভাবে হোক অসুবিধায় ফেলা। এ ব্যাপারে প্রতিবাদ করতে হবে। মিলের শ্রমিকদের স্থায়ীকরণ না হলে কোনও লাভ নেই। কাল বা পরশু তাদের তাড়িয়ে দিতে পারে কারখানা থেকে। কোভিড পরিস্থিতিতে অর্ধেক বেতন দেওয়া হচ্ছে শ্রমিকদের। এটা ব্যক্তিগত বা দলগত কোনভাবেই মানা যাচ্ছে না। এই ইস্যুতে সব দলই এককাট্টা হয়েছে। সব দল মিলে লড়াই করেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। বিজেপি একটা বাজে পার্টি। এরা ভারতবর্ষকে বেচবে। এবার দেশের আকাশটাকেও বেচে দেবে। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলবে। এদিনের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা জগন্নাথ ভট্টাচার্য্য জানান, প্রথম থেকেই আরতি কটন মিলের অবস্থা খুব খারাপ। কোনো পরিকল্পনা নেই। ২০১১ সালে আধুনিকীকরণের যে পরিকল্পনা করা হল তাও ভালভাবে গ্রহণ করা হল না। বিজেপি সরকার আসার পর এই মিলের শ্রমিকদের স্বার্থ তারা দেখছে না। হাওড়া একটা শিল্পনগরী। এখানে একাধিক কারখানা বন্ধ করে রিয়েল এস্টেট করার চেষ্টা চালাচ্ছে। লকডাউনের পর এই মিলের শ্রমিকদের অবস্থা বিভীষিকাময়। তারা বোনাস পাননি। এ বছর লকডাউনের পর ১৫ থেকে ১৬ দিন কাজ করতে দিচ্ছে। বেতন খুব কম। তাই দাবি উঠেছে কেন্দ্রীয় সরকারি স্কেলে এদের বেতন দেওয়া হোক, স্থায়ীকরণ করা হোক, এই প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু হোক এবং বকেয়া বেতনও অবিলম্বে দিতে হবে।









