১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তেহরানে জনস্রোত, বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা খামেনিপন্থীদের

 

ইরানের রাজধানী তেহরানে সোমবার বিশাল গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে ঘটে যাওয়া সহিংসতা ও প্রাণহানির জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করে তীব্র প্রতিবাদ জানান খামেনিপন্থী বিক্ষোভকারীরা। বিকেলে আয়োজিত এই সমাবেশে হাজার হাজার মানুষ অংশ নিয়ে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে পশ্চিমা হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন।
সমাবেশ শেষে পাঠ করা চূড়ান্ত বিবৃতিতে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের মদদপুষ্ট গোষ্ঠী ও ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। তাঁদের দাবি, সাধারণ মানুষের সম্পদ ধ্বংস, ধর্মীয় পবিত্রতা অবমাননা এবং জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট করাই ছিল এই সহিংসতার মূল উদ্দেশ্য।

বিক্ষোভকারীরা কোরআন অবমাননা, মসজিদে অগ্নিসংযোগ ও নিরীহ নাগরিক হত্যার কঠোর বিচার দাবি করেন। পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউরোপীয় দেশগুলোর মন্তব্যের সমালোচনা করে তাঁরা স্পষ্ট জানান, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না।

সমাবেশে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানানো হয় এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করা হয়। একই সঙ্গে বিক্ষোভকারীরা সরকারের কাছে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

আন্দোলন ‘নিয়ন্ত্রণে’, শিগগির ইন্টারনেট চালুর আশ্বাস ইরানের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

তেহরানে জনস্রোত, বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা খামেনিপন্থীদের

আপডেট : ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার

 

ইরানের রাজধানী তেহরানে সোমবার বিশাল গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে ঘটে যাওয়া সহিংসতা ও প্রাণহানির জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করে তীব্র প্রতিবাদ জানান খামেনিপন্থী বিক্ষোভকারীরা। বিকেলে আয়োজিত এই সমাবেশে হাজার হাজার মানুষ অংশ নিয়ে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে পশ্চিমা হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন।
সমাবেশ শেষে পাঠ করা চূড়ান্ত বিবৃতিতে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের মদদপুষ্ট গোষ্ঠী ও ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। তাঁদের দাবি, সাধারণ মানুষের সম্পদ ধ্বংস, ধর্মীয় পবিত্রতা অবমাননা এবং জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট করাই ছিল এই সহিংসতার মূল উদ্দেশ্য।

বিক্ষোভকারীরা কোরআন অবমাননা, মসজিদে অগ্নিসংযোগ ও নিরীহ নাগরিক হত্যার কঠোর বিচার দাবি করেন। পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউরোপীয় দেশগুলোর মন্তব্যের সমালোচনা করে তাঁরা স্পষ্ট জানান, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না।

সমাবেশে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানানো হয় এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করা হয়। একই সঙ্গে বিক্ষোভকারীরা সরকারের কাছে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।