২৯ অগাস্ট ২০২৫, শুক্রবার, ১২ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সবচেয়ে বেশি ভুগবে বস্ত্র ও গয়না শিল্প, কেন্দ্রীয় সাহায্যের প্রতিশ্রুতি

মারুফা খাতুন
  • আপডেট : ২৬ অগাস্ট ২০২৫, মঙ্গলবার
  • / 251

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : আগামিকাল বুধবার থেকে ভারতীয় পণ্যে বাড়তি ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপাচ্ছে আমেরিকা। গত ৭ আগস্ট থেকে ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে আমেরিকা। বুধবার থেকে তার সঙ্গে ২৫ শতাংশ যুক্ত হয়ে মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপবে। ভারত থেকে বছরে যে ৮৭০০ কোটি ডলার মূল্যের পণ্য আমেরিকায় রফতানি হয় তার অর্ধেক পণ্যই বাড়তি শুল্কের প্রভাবে প্রভাবিত হবে।

কারণ ওষুধ এবং ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতিকে এই বাড়তি শুল্কের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত রফতানিকারীরা ভিয়েতনাম, শ্রীলঙ্কা, কাম্বোডিয়া, লাওস, ইন্দোনেশিয়া এবং বাংলাদেশ হয়ে আমেরিকায় ঘুরপথে পণ্য পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে। গত জুলাই মাসেই আমেরিকায় ভারতীয় পণ্যের রফতানি ১৯.৯৪ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে আমেরিকা থেকে পণ্য আমদানিও ওই মাসে ১৩.৭৮ শতাংশ বেড়েছিল।

ভারত থেকে মোট আমেরিকায় যে পণ্য রফতানি হয় তার মধ্যে ১৭.৬ শতাংশই ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি। কিছু বাছাই করা ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি বাড়তি শুল্কের আওতার বাইরে রেখেছে আমেরিকা। এরপরই ভারত থেকে যায় গয়না এবং নানারকম মণিরত্ন। ভারত বিশ্বে মোট যে গয়না এবং নানারকম মণিরত্ন রফতানি করে তার ৩৩ শতাংশই করে আমেরিকায়। বাড়তি শুল্কের চাপে এই ক্ষেত্র বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এরপর যে ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে তা হল পোশাক এবং বস্ত্র শিল্প। আমেরিকার বাড়তি শুল্কচাপে ভারতের যে সব শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে তার ২৫ শতাংশই বস্ত্রশিল্প। ভারতে তৈরি ওষুধের প্রায় ৩৫ শতাংশ ওষুধ আমেরিকা কিনে নেয়। এই শিল্পকে ছাড় দিয়েছে আমেরিকা। সেদিক থেকে গয়না এবং বস্ত্র শিল্প সবচেয়ে বিপাকে পড়বে।

ইঞ্জিনিয়ারিং এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিলের সভাপতি পঙ্কজ চাড্ডা বলেছেন, আমেরিকার ক্রেতারা ইতিমধ্যেই অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। তবে ভারত সরকার রফতানিকারীদের ব্যাঙ্ক ঋণে ভরতুকি দেওয়া এবং অর্থ সাহায্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সবচেয়ে বেশি ভুগবে বস্ত্র ও গয়না শিল্প, কেন্দ্রীয় সাহায্যের প্রতিশ্রুতি

আপডেট : ২৬ অগাস্ট ২০২৫, মঙ্গলবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : আগামিকাল বুধবার থেকে ভারতীয় পণ্যে বাড়তি ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপাচ্ছে আমেরিকা। গত ৭ আগস্ট থেকে ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে আমেরিকা। বুধবার থেকে তার সঙ্গে ২৫ শতাংশ যুক্ত হয়ে মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপবে। ভারত থেকে বছরে যে ৮৭০০ কোটি ডলার মূল্যের পণ্য আমেরিকায় রফতানি হয় তার অর্ধেক পণ্যই বাড়তি শুল্কের প্রভাবে প্রভাবিত হবে।

কারণ ওষুধ এবং ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতিকে এই বাড়তি শুল্কের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত রফতানিকারীরা ভিয়েতনাম, শ্রীলঙ্কা, কাম্বোডিয়া, লাওস, ইন্দোনেশিয়া এবং বাংলাদেশ হয়ে আমেরিকায় ঘুরপথে পণ্য পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে। গত জুলাই মাসেই আমেরিকায় ভারতীয় পণ্যের রফতানি ১৯.৯৪ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে আমেরিকা থেকে পণ্য আমদানিও ওই মাসে ১৩.৭৮ শতাংশ বেড়েছিল।

ভারত থেকে মোট আমেরিকায় যে পণ্য রফতানি হয় তার মধ্যে ১৭.৬ শতাংশই ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি। কিছু বাছাই করা ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি বাড়তি শুল্কের আওতার বাইরে রেখেছে আমেরিকা। এরপরই ভারত থেকে যায় গয়না এবং নানারকম মণিরত্ন। ভারত বিশ্বে মোট যে গয়না এবং নানারকম মণিরত্ন রফতানি করে তার ৩৩ শতাংশই করে আমেরিকায়। বাড়তি শুল্কের চাপে এই ক্ষেত্র বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এরপর যে ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে তা হল পোশাক এবং বস্ত্র শিল্প। আমেরিকার বাড়তি শুল্কচাপে ভারতের যে সব শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে তার ২৫ শতাংশই বস্ত্রশিল্প। ভারতে তৈরি ওষুধের প্রায় ৩৫ শতাংশ ওষুধ আমেরিকা কিনে নেয়। এই শিল্পকে ছাড় দিয়েছে আমেরিকা। সেদিক থেকে গয়না এবং বস্ত্র শিল্প সবচেয়ে বিপাকে পড়বে।

ইঞ্জিনিয়ারিং এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিলের সভাপতি পঙ্কজ চাড্ডা বলেছেন, আমেরিকার ক্রেতারা ইতিমধ্যেই অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। তবে ভারত সরকার রফতানিকারীদের ব্যাঙ্ক ঋণে ভরতুকি দেওয়া এবং অর্থ সাহায্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।