৩০ নভেম্বর ২০২৫, রবিবার, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোভিড-১৯ টিকাকরণে ২০০ কোটি ডোজের মাইলফলক ছুঁয়েছে দেশ, অভিনন্দন মোদির

ইমামা খাতুন
  • আপডেট : ২০ জুলাই ২০২২, বুধবার
  • / 167

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ ভারতে কোভিড-১৯ টিকাকরণ অভিযান এক ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে। ১৭ জুলাই বেলা ১টা পর্যন্ত ২০০ কোটি ১৫ হাজার ৬৩১টি টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে। যারা ভ্যাকসিন নিয়েছেন, বুধবার তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

 

আরও পড়ুন: অযোধ্যার আকাশে সগর্বে উড়ল ‘ধর্মধ্বজ’, ‘বিশ্ব হয়ে উঠল রামময়’ মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর

এর মাধ্যমে তারা দেশে এক ইতিহাস তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখল বলে উল্লেখ করেন তিনি। একটি প্রশংসামূলক চিঠিতে তিনি লেখেন, এমন ভয়াবহ বৈশ্বিক মহামারি থেকে মানুষের জীবন রক্ষা করাটাই বড় ব্যাপার। আমাদের ভ্যাকসিন গ্রহীতা, স্বাস্থ্যকর্মী, ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কাররা দেশের মানুষকে সুরক্ষা দিতে এক দুর্দান্ত কাজ করেছেন।

আরও পড়ুন: হবু মেয়র মামদানিকে অভিনন্দন আবদুল্লাহর

 

আরও পড়ুন: মোদি আসলেই ট্রাম্পকে ভয় পান: মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি নিয়ে সুর চড়ালেন রাহুল

এর মধ্যে দিয়ে জনতা তার নাগরিক কর্তব্য পালনের প্রমাণ দিয়েছে বলে তিনি জানান। এর আগে এক টু্ইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সাফল্যের জন্য দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি ভারতের টিকাকরণ অভিযানের গতিকে অপ্রতিরোধ্য বলে মন্তব্য করেছেন।

 

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. মনসুখ মান্ডভিয়া মাত্র ১৮ মাসে এই সাফল্য অর্জন করায় দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি একে ইতিহাসের পাতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বলে উল্লেখ করেছেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. ভারতী প্রবীন পাওয়ার এই সাফল্যের জন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা কঠোর পরিশ্রম করেছেন বলে জানিয়ে তাঁদের ধন্যবাদ দেন। মানবজাতির জন্য তাঁদের উদ্যোগের ফলে এই নতুন রেকর্ড গড়া সম্ভব হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।

 

প্রধানমন্ত্রী মোদি ২০২১ সালের ১৬ জানুয়ারি দেশব্যাপী কোভিড-১৯ টিকাকরণ অভিযানের সূচনা করেছিলেন। ‘হর ঘর দস্তক’, কর্মক্ষেত্রে কোভিড টিকাকরণ কেন্দ্র, বিদ্যালয় টিকাকরণ অভিযান, ভ্রাম্যমান টিকা কেন্দ্র, পরিচয়পত্র না থাকা সত্ত্বেও টিকা প্রদানের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে ভারতে বিনামূল্যে কোভিড টিকাকরণ কর্মসূচি এই সাফল্য অর্জন করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

দেশের কোভিড টিকাকরণ কেন্দ্রগুলির ৭১ শতাংশ গ্রামাঞ্চলে এবং ৫১ শতাংশের বেশি টিকা মহিলা কর্মীরা দিয়েছেন। তবে টিকাকরণের পরেও ফের বাড়তে শুরু করেছে কোভিড রোগীর সংখ্যা। সেটাই যা আশঙ্কার।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কোভিড-১৯ টিকাকরণে ২০০ কোটি ডোজের মাইলফলক ছুঁয়েছে দেশ, অভিনন্দন মোদির

আপডেট : ২০ জুলাই ২০২২, বুধবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ ভারতে কোভিড-১৯ টিকাকরণ অভিযান এক ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে। ১৭ জুলাই বেলা ১টা পর্যন্ত ২০০ কোটি ১৫ হাজার ৬৩১টি টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে। যারা ভ্যাকসিন নিয়েছেন, বুধবার তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

 

আরও পড়ুন: অযোধ্যার আকাশে সগর্বে উড়ল ‘ধর্মধ্বজ’, ‘বিশ্ব হয়ে উঠল রামময়’ মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর

এর মাধ্যমে তারা দেশে এক ইতিহাস তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখল বলে উল্লেখ করেন তিনি। একটি প্রশংসামূলক চিঠিতে তিনি লেখেন, এমন ভয়াবহ বৈশ্বিক মহামারি থেকে মানুষের জীবন রক্ষা করাটাই বড় ব্যাপার। আমাদের ভ্যাকসিন গ্রহীতা, স্বাস্থ্যকর্মী, ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কাররা দেশের মানুষকে সুরক্ষা দিতে এক দুর্দান্ত কাজ করেছেন।

আরও পড়ুন: হবু মেয়র মামদানিকে অভিনন্দন আবদুল্লাহর

 

আরও পড়ুন: মোদি আসলেই ট্রাম্পকে ভয় পান: মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি নিয়ে সুর চড়ালেন রাহুল

এর মধ্যে দিয়ে জনতা তার নাগরিক কর্তব্য পালনের প্রমাণ দিয়েছে বলে তিনি জানান। এর আগে এক টু্ইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সাফল্যের জন্য দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি ভারতের টিকাকরণ অভিযানের গতিকে অপ্রতিরোধ্য বলে মন্তব্য করেছেন।

 

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. মনসুখ মান্ডভিয়া মাত্র ১৮ মাসে এই সাফল্য অর্জন করায় দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি একে ইতিহাসের পাতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বলে উল্লেখ করেছেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. ভারতী প্রবীন পাওয়ার এই সাফল্যের জন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা কঠোর পরিশ্রম করেছেন বলে জানিয়ে তাঁদের ধন্যবাদ দেন। মানবজাতির জন্য তাঁদের উদ্যোগের ফলে এই নতুন রেকর্ড গড়া সম্ভব হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।

 

প্রধানমন্ত্রী মোদি ২০২১ সালের ১৬ জানুয়ারি দেশব্যাপী কোভিড-১৯ টিকাকরণ অভিযানের সূচনা করেছিলেন। ‘হর ঘর দস্তক’, কর্মক্ষেত্রে কোভিড টিকাকরণ কেন্দ্র, বিদ্যালয় টিকাকরণ অভিযান, ভ্রাম্যমান টিকা কেন্দ্র, পরিচয়পত্র না থাকা সত্ত্বেও টিকা প্রদানের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে ভারতে বিনামূল্যে কোভিড টিকাকরণ কর্মসূচি এই সাফল্য অর্জন করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

দেশের কোভিড টিকাকরণ কেন্দ্রগুলির ৭১ শতাংশ গ্রামাঞ্চলে এবং ৫১ শতাংশের বেশি টিকা মহিলা কর্মীরা দিয়েছেন। তবে টিকাকরণের পরেও ফের বাড়তে শুরু করেছে কোভিড রোগীর সংখ্যা। সেটাই যা আশঙ্কার।