১৪ জানুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

থামছেই না মৃত্যুমিছিল, এসআইআর-এর চাপে ফের রাজ্যে বিএলওর মৃত্যু

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: এসআইআর নিয়ে রাজ্যে মৃত্যুমিছিল জেনো থামছেই না। ফের রাজ্যে এক বিএলওর মৃত্যু ঘিরে কমিশনের ভূমিকায় প্রশ্ন উঠছে। বুধবার ভোরে মালদা জেলার ইংরেজবাজার পুরসভা এলাকার ফুলবাড়ি পাকুড়তলা এলাকায় মৃত্যু হয়েছে এল বিএলওর। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম সম্পৃতা চৌধুরী সান্যাল (৪৮)। তিনি আইসিডিএস পদে কর্মরত ছিলেন। ইংরেজবাজার পুর এলাকার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ১৬৩ নম্বর বুথের বিএলও ছিলেন তিনি।

মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন জেলা নির্বাচন আধিকারিক থেকে শুরু করে বিএলও-দের নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সন্দেহজনক ভোটারদের নোটিস পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। এর পরই মালদহের ইংরেজবাজারে ঘটে যায় মর্মান্তিক ঘটনা। পরিবারের অভিযোগ, অঙ্গনওয়াড়ি ও নির্বাচন কমিশনের দ্বৈত কাজের চাপে তিনি গত কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। চিকিৎসা চললেও অবস্থার অবনতি হয় এবং বুধবার ভোরে বাড়িতেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতের স্বামী বলেন, এসআইআর-এর কাজের চাপে দিন কয়েক ধরেই অসুস্থ ছিলেন সম্পৃতা। চিকিৎসক তাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু কাজের চাপ থাকায় বিশ্রাম নেওয়ার বিশেষ সুযোগ পাননি তিনি। অর্ধেন্দু চৌধুরির দাবি, সব মিলিয়েই মঙ্গলবার গভীর রাতে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন সম্পৃতা। নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়ার আগেই মারা যান তিনি।

আরও পড়ুন: কলেজ ছাত্রীকে র‍্যাগিং-যৌন হেনস্থা, দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীর মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য হিমাচল প্রদেশে

ঘটনার খবর পেয়ে মৃতের বাড়িতে যান স্থানীয় কাউন্সিলর গায়ত্রী ঘোষ। তিনিও অতিরিক্ত কাজের চাপের বিষয়টি তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

আরও পড়ুন: জ়ুবিন গর্গের মৃত্যু ‘দুর্ঘটনা’ নয়, ‘খুন’, বিধানসভায় জানালেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত

আরও পড়ুন: ২০০২ সালে নাম ছিল, তবুও আতঙ্কে মৃত্যু!
প্রতিবেদক

কিবরিয়া আনসারি

Kibria obtained a master's degree in journalism from Aliah University. He has been in journalism since 2018, gaining work experience in multiple organizations. Focused and sincere about his work, Kibria is currently employed at the desk of Purber Kalom.
সর্বধিক পাঠিত

বেলডাঙায় এইচ এম এস পাবলিক স্কুলের শুভ উদ্বোধন, শিক্ষার নতুন দিগন্তের সূচনা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

থামছেই না মৃত্যুমিছিল, এসআইআর-এর চাপে ফের রাজ্যে বিএলওর মৃত্যু

আপডেট : ৭ জানুয়ারী ২০২৬, বুধবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: এসআইআর নিয়ে রাজ্যে মৃত্যুমিছিল জেনো থামছেই না। ফের রাজ্যে এক বিএলওর মৃত্যু ঘিরে কমিশনের ভূমিকায় প্রশ্ন উঠছে। বুধবার ভোরে মালদা জেলার ইংরেজবাজার পুরসভা এলাকার ফুলবাড়ি পাকুড়তলা এলাকায় মৃত্যু হয়েছে এল বিএলওর। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম সম্পৃতা চৌধুরী সান্যাল (৪৮)। তিনি আইসিডিএস পদে কর্মরত ছিলেন। ইংরেজবাজার পুর এলাকার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ১৬৩ নম্বর বুথের বিএলও ছিলেন তিনি।

মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন জেলা নির্বাচন আধিকারিক থেকে শুরু করে বিএলও-দের নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সন্দেহজনক ভোটারদের নোটিস পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। এর পরই মালদহের ইংরেজবাজারে ঘটে যায় মর্মান্তিক ঘটনা। পরিবারের অভিযোগ, অঙ্গনওয়াড়ি ও নির্বাচন কমিশনের দ্বৈত কাজের চাপে তিনি গত কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। চিকিৎসা চললেও অবস্থার অবনতি হয় এবং বুধবার ভোরে বাড়িতেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতের স্বামী বলেন, এসআইআর-এর কাজের চাপে দিন কয়েক ধরেই অসুস্থ ছিলেন সম্পৃতা। চিকিৎসক তাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু কাজের চাপ থাকায় বিশ্রাম নেওয়ার বিশেষ সুযোগ পাননি তিনি। অর্ধেন্দু চৌধুরির দাবি, সব মিলিয়েই মঙ্গলবার গভীর রাতে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন সম্পৃতা। নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়ার আগেই মারা যান তিনি।

আরও পড়ুন: কলেজ ছাত্রীকে র‍্যাগিং-যৌন হেনস্থা, দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীর মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য হিমাচল প্রদেশে

ঘটনার খবর পেয়ে মৃতের বাড়িতে যান স্থানীয় কাউন্সিলর গায়ত্রী ঘোষ। তিনিও অতিরিক্ত কাজের চাপের বিষয়টি তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

আরও পড়ুন: জ়ুবিন গর্গের মৃত্যু ‘দুর্ঘটনা’ নয়, ‘খুন’, বিধানসভায় জানালেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত

আরও পড়ুন: ২০০২ সালে নাম ছিল, তবুও আতঙ্কে মৃত্যু!