১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিনের উৎক্ষেপণ করা রকেট এবার পৃথিবীতে আছড়ে পড়ার আশংকা

 

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: চিনের উৎক্ষেপণ করা রকেট এবার পৃথিবীতে আছড়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গত ৩১ অক্টোবর চিনের মহাকাশ সংস্থা ‘লং মার্চ’ নামের একটি রকেট উৎক্ষেপণ করে। এটি ব্যবহার করে তিয়ানগং স্পেস স্টেশনে নানা সামগ্রী পাঠিয়েছে চিন। সম্প্রতি জানা গিয়েছে সফল উৎক্ষেপণের পরেও রকেটের একাংশ চিনা মহাকাশ সংস্থার নিয়ন্ত্রণে নেই। ফলে যে কোনো সময় পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে ২৩ টন ওজনের রকেটের একাংশ।

দুই বছরের মধ্যে চতুর্থবারের মতো বড় একটি চিনা রকেট অনিয়ন্ত্রিত প্রভাবের দিকে যাচ্ছে। ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মহাকাশ শিল্প বিশেষজ্ঞরা। চিনের রকেটের থ্রেশহোল্ড বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রকেট উৎক্ষেপণের বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপ উভয়ই একটি নিয়ম মেনে চলে। সেটি হলো এমনভাবে মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করা উচিত যাতে সেটি মহাকাশে ধংস হলেও ১০ হাজার ভাগের এক ভাগও পৃথিবীতে পতিত হওয়ার সুযোগ না থাকে। আর যদি এমনটা ঘটে তাহলে পৃথিবীতে তাণ্ডব চালানোর সম্ভাবনা অনেক বেশি।

অ্যারোস্পেস কর্পোরেশনের একজন পরামর্শদাতা টেড মুয়েলহপ্ট ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘এটি একটি কম ঝুঁকির বিষয়। তবে এটি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।’

যদিও চিন কোনো আইন বা আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘন করেনি। তবে দেশটির ন্যাশনাল স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ১৩-সদস্যের ইন্টার-এজেন্সি স্পেস ডেব্রিস কোঅর্ডিনেশন কমিটির সদস্য সম্প্রতি বলেছে, মহাকাশের আবর্জনা বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করা উচিত নয়। এটি করা হলে একজন ব্যক্তির হতাহত হওয়ার সম্ভাবনা ১০ হাজার ভাগের এক ভাগ বেড়ে যায়।

 

সর্বধিক পাঠিত

রাহুলের ফোনেও আটকানো গেল না! আসামে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কংগ্রেস নেতা ভুপেন বোরা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চিনের উৎক্ষেপণ করা রকেট এবার পৃথিবীতে আছড়ে পড়ার আশংকা

আপডেট : ৫ নভেম্বর ২০২২, শনিবার

 

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: চিনের উৎক্ষেপণ করা রকেট এবার পৃথিবীতে আছড়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গত ৩১ অক্টোবর চিনের মহাকাশ সংস্থা ‘লং মার্চ’ নামের একটি রকেট উৎক্ষেপণ করে। এটি ব্যবহার করে তিয়ানগং স্পেস স্টেশনে নানা সামগ্রী পাঠিয়েছে চিন। সম্প্রতি জানা গিয়েছে সফল উৎক্ষেপণের পরেও রকেটের একাংশ চিনা মহাকাশ সংস্থার নিয়ন্ত্রণে নেই। ফলে যে কোনো সময় পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে ২৩ টন ওজনের রকেটের একাংশ।

দুই বছরের মধ্যে চতুর্থবারের মতো বড় একটি চিনা রকেট অনিয়ন্ত্রিত প্রভাবের দিকে যাচ্ছে। ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মহাকাশ শিল্প বিশেষজ্ঞরা। চিনের রকেটের থ্রেশহোল্ড বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রকেট উৎক্ষেপণের বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপ উভয়ই একটি নিয়ম মেনে চলে। সেটি হলো এমনভাবে মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করা উচিত যাতে সেটি মহাকাশে ধংস হলেও ১০ হাজার ভাগের এক ভাগও পৃথিবীতে পতিত হওয়ার সুযোগ না থাকে। আর যদি এমনটা ঘটে তাহলে পৃথিবীতে তাণ্ডব চালানোর সম্ভাবনা অনেক বেশি।

অ্যারোস্পেস কর্পোরেশনের একজন পরামর্শদাতা টেড মুয়েলহপ্ট ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘এটি একটি কম ঝুঁকির বিষয়। তবে এটি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।’

যদিও চিন কোনো আইন বা আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘন করেনি। তবে দেশটির ন্যাশনাল স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ১৩-সদস্যের ইন্টার-এজেন্সি স্পেস ডেব্রিস কোঅর্ডিনেশন কমিটির সদস্য সম্প্রতি বলেছে, মহাকাশের আবর্জনা বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করা উচিত নয়। এটি করা হলে একজন ব্যক্তির হতাহত হওয়ার সম্ভাবনা ১০ হাজার ভাগের এক ভাগ বেড়ে যায়।