২০ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কমিটির মাধ্যমে নিযুক্ত ৭২ মাদ্রাসা শিক্ষকদের কাছে তথ্য চাইল সুপ্রিম কোর্ট

পুবের কলম প্রতিবেদক: কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের বৈধতা নিয়ে এবার প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। ৭২টি মাদ্রাসার শিক্ষকদের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে দেশের সর্বোচ্চ আদালত এক নির্দেশিকায় জানিয়েছে, ইন্টারভিউ বোর্ডে কারা ছিলেন, কীভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে, কবে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল।

কবে নিয়োগ হয়েছে এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য শীর্ষ আদালতে জমা দিতে হবে। ৩১ মার্চের মধ্যে এই তথ্য আদালতের জমা দিতে হবে বলে মামলাকারীদের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি উদয় উমেশ ললিতের বেঞ্চ। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’র নামে হয়রানি বরদাস্ত নয়: এসআইআর নিয়ে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

উল্লেখ্য, মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগ কমিটির মাধ্যমে হবে না, কমিশনের মাধ্যমে হবে,  এই নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক তৈরি হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশানুসারে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর।

আরও পড়ুন: স্বর্ণকার খুনের মামলা: রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মনকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

২০১৬ সালের ৩ মার্চ কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়। এক সপ্তাহ নিয়োগ চলার পর কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের বিরোধিতার সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হয়। ২০১৬ সালের ১৪ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট কমিটির মাধ্যমে নিয়োগে স্থগিতাদেশ দেয়। ওই সময়ের মধ্যে কিছু মাদ্রাসায় শিক্ষক প্রক্রিয়া শুরু করে। কিন্তু তার পরও বহু মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। দেখা যায়,  কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া বহু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ চালু রাখে। ব্যাকডেট দিয়ে মাদ্রাসাগুলিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলতে থাকে।

আরও পড়ুন: দুর্নীতি দমন আইন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিভক্ত মত; মামলা যাবে বৃহত্তর বেঞ্চে

এদিকে কিছু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শিক্ষক নিয়োগ করলেও বেতন মেলেনি। এই নিয়েও আদালতে মামলা দায়ের হয়।

মামলাকারীদের দাবি, ২০১৬ সাল থেকে চাকরি করছে মাদ্রাসা কিন্তু নিয়োগের সপক্ষে কোনও তথ্য জমা দিতে পারেনি। তাই সুপ্রিম কোর্ট চলতি মাসের ৩১  তারিখের মধ্যে যাবতীয় তথ্য জমা দিতে বলে জানানো হয়।

 

 

সর্বধিক পাঠিত

বিচারের আগে জামিন পাওয়া নাগরিকের অধিকার: উমর-শারজিলদের নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য প্রাক্তন চন্দ্রচূড়ের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কমিটির মাধ্যমে নিযুক্ত ৭২ মাদ্রাসা শিক্ষকদের কাছে তথ্য চাইল সুপ্রিম কোর্ট

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২২, বুধবার

পুবের কলম প্রতিবেদক: কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের বৈধতা নিয়ে এবার প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। ৭২টি মাদ্রাসার শিক্ষকদের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে দেশের সর্বোচ্চ আদালত এক নির্দেশিকায় জানিয়েছে, ইন্টারভিউ বোর্ডে কারা ছিলেন, কীভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে, কবে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল।

কবে নিয়োগ হয়েছে এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য শীর্ষ আদালতে জমা দিতে হবে। ৩১ মার্চের মধ্যে এই তথ্য আদালতের জমা দিতে হবে বলে মামলাকারীদের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি উদয় উমেশ ললিতের বেঞ্চ। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’র নামে হয়রানি বরদাস্ত নয়: এসআইআর নিয়ে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

উল্লেখ্য, মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগ কমিটির মাধ্যমে হবে না, কমিশনের মাধ্যমে হবে,  এই নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক তৈরি হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশানুসারে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর।

আরও পড়ুন: স্বর্ণকার খুনের মামলা: রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মনকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

২০১৬ সালের ৩ মার্চ কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়। এক সপ্তাহ নিয়োগ চলার পর কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের বিরোধিতার সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হয়। ২০১৬ সালের ১৪ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট কমিটির মাধ্যমে নিয়োগে স্থগিতাদেশ দেয়। ওই সময়ের মধ্যে কিছু মাদ্রাসায় শিক্ষক প্রক্রিয়া শুরু করে। কিন্তু তার পরও বহু মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। দেখা যায়,  কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া বহু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ চালু রাখে। ব্যাকডেট দিয়ে মাদ্রাসাগুলিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলতে থাকে।

আরও পড়ুন: দুর্নীতি দমন আইন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিভক্ত মত; মামলা যাবে বৃহত্তর বেঞ্চে

এদিকে কিছু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শিক্ষক নিয়োগ করলেও বেতন মেলেনি। এই নিয়েও আদালতে মামলা দায়ের হয়।

মামলাকারীদের দাবি, ২০১৬ সাল থেকে চাকরি করছে মাদ্রাসা কিন্তু নিয়োগের সপক্ষে কোনও তথ্য জমা দিতে পারেনি। তাই সুপ্রিম কোর্ট চলতি মাসের ৩১  তারিখের মধ্যে যাবতীয় তথ্য জমা দিতে বলে জানানো হয়।