০৫ জানুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২০০ কেজি সোনা দিয়ে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম কুরআন

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ পাকিস্তানে প্রস্তুত হচ্ছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ পবিত্র কুরআন। এর প্রতিটি অক্ষর সাজানো হচ্ছে সোনা  দিয়ে।

পাকিস্তানের বিখ্যাত শিল্পী শহিদ রাসাম কুরআনটি প্রস্তুত করছেন। ফ্রেম ছাড়াই সাড়ে আট ফুট দৈর্ঘ্যর এবং সাড়ে ছয় ফুট প্রস্থের এই কুরআন তৈরি করতে ব্যয় হবে ২০০ কেজি স্বর্ণ। ৫৫০ পৃষ্ঠার এ কুরআনে শব্দ  রয়েছে প্রায় ৮০ হাজার। প্রতিটি পৃষ্ঠায় গড়ে ১৫০ শব্দ  থাকবে। এগুলো তৈরি করতে প্রায় ২০০ কেজি স্বর্ণ এবং ২ হাজার কেজি অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করা হবে। অ্যালুমিনিয়াম নির্মিত শব্দগুলো সোনা দিয়ে মোড়া  থাকবে। এ বিষয়ে দুবাইয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক  সম্মেলনে পাকিস্তানি শিল্পী বলেন– ২০২৫ সালের মধ্যে এই কুরআনটি সম্পন্ন করার ব্যাপারে তারা আশাবাদী। তবে এক্সপো ২০২০ দুবাইয়ে তিনি এই কুরআনের অংশ বিশেষ উপস্থাপন করবেন। লক্ষ লক্ষ দর্শকের কাছে সৃজনশীল কাজটি  তুলে ধরার জন্য তিনি এটিকে উপযুক্ত ও সঠিক প্ল্যাটফর্ম বলে মনে করছেন। করাচির আর্টস কাউন্সিল ইনস্টিটিউট অফ আর্টস অ্যান্ড ক্রাসের অধ্যক্ষ শহিদ রাসাম বলেন– ’আমি এ আয়োজনে পবিত্র কুরআনের হৃদয় হিসেবে পরিচিত সূরা আর রহমানের অংশটুকু প্রদর্শন করব।’

২০০ কেজি সোনা দিয়ে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম কুরআন

দুবাই এক্সপোর ২০২০ সালের থিম ’কানেকটিং মাইন্ডস– কানেকটিং দ্য ফিউচার’।  প্রতিভাবান এ শিল্পী জানান– ’এখনও পর্যন্ত পবিত্র কুরআন কাগজ– কাপড় ও পশুর চামড়ার প্রচলিত পদ্ধতিতে লিপিবদ্ধ হয়েছে। আমি তাই ভিন্ন কিছু করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছি এবং এখনও পর্যন্ত সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছি। আমার এ প্রকল্পে ইসলামের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি উচ্চমানের ক্যানভাসে অ্যালুমিনিয়াম ও স্বর্ণের প্রলেপ দিয়ে পবিত্র কুরআন লিপিবদ্ধ হচ্ছে।’ তিনি বলেন– ’পবিত্র কুরআনটির আকার হবে ফ্রেম ছাড়াই সাড়ে ছয় ফুট বাই সাড়ে আট ফুট। বর্তমানে আমার ছাত্রসহ প্রায় ২০০ প্রতিভাবান শিল্পী এই প্রকল্পে কাজ করছেন।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন– আইকনিক প্রকল্পটি নিজে শুরু করলেও বন্ধুরা এই প্রকল্পে সাহায্যসহযোগিতা করছে। আসলে এটি একটি বিশেষ ধরনের প্রকল্প এবং সমাজের সকল অংশের ব্যাপক সমর্থন ছাড়া অর্জন করা সম্ভব নয়। দুবাই এক্সপোতে এই কুরআনটি কোথায় প্রদর্শিত হবে– এমন  প্রশ্নের জবাবে শহিদ রাসাম বলেন– ’এটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। কারণ একজন পাকিস্তানি হিসেবে অবশ্যই আমি চাই– এটি পাকিস্তানি প্যাভিলিয়নে প্রদর্শিত হোক। তবে আরও কিছু অংশগ্রহণকারী  দেশও এ ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তাই বিষয়টি এখনও ঠিক হয়নি।’

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

মোদি ‘জানতেন আমি খুশি নই’, ভারতকে বড় শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

২০০ কেজি সোনা দিয়ে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম কুরআন

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ পাকিস্তানে প্রস্তুত হচ্ছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ পবিত্র কুরআন। এর প্রতিটি অক্ষর সাজানো হচ্ছে সোনা  দিয়ে।

পাকিস্তানের বিখ্যাত শিল্পী শহিদ রাসাম কুরআনটি প্রস্তুত করছেন। ফ্রেম ছাড়াই সাড়ে আট ফুট দৈর্ঘ্যর এবং সাড়ে ছয় ফুট প্রস্থের এই কুরআন তৈরি করতে ব্যয় হবে ২০০ কেজি স্বর্ণ। ৫৫০ পৃষ্ঠার এ কুরআনে শব্দ  রয়েছে প্রায় ৮০ হাজার। প্রতিটি পৃষ্ঠায় গড়ে ১৫০ শব্দ  থাকবে। এগুলো তৈরি করতে প্রায় ২০০ কেজি স্বর্ণ এবং ২ হাজার কেজি অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করা হবে। অ্যালুমিনিয়াম নির্মিত শব্দগুলো সোনা দিয়ে মোড়া  থাকবে। এ বিষয়ে দুবাইয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক  সম্মেলনে পাকিস্তানি শিল্পী বলেন– ২০২৫ সালের মধ্যে এই কুরআনটি সম্পন্ন করার ব্যাপারে তারা আশাবাদী। তবে এক্সপো ২০২০ দুবাইয়ে তিনি এই কুরআনের অংশ বিশেষ উপস্থাপন করবেন। লক্ষ লক্ষ দর্শকের কাছে সৃজনশীল কাজটি  তুলে ধরার জন্য তিনি এটিকে উপযুক্ত ও সঠিক প্ল্যাটফর্ম বলে মনে করছেন। করাচির আর্টস কাউন্সিল ইনস্টিটিউট অফ আর্টস অ্যান্ড ক্রাসের অধ্যক্ষ শহিদ রাসাম বলেন– ’আমি এ আয়োজনে পবিত্র কুরআনের হৃদয় হিসেবে পরিচিত সূরা আর রহমানের অংশটুকু প্রদর্শন করব।’

২০০ কেজি সোনা দিয়ে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম কুরআন

দুবাই এক্সপোর ২০২০ সালের থিম ’কানেকটিং মাইন্ডস– কানেকটিং দ্য ফিউচার’।  প্রতিভাবান এ শিল্পী জানান– ’এখনও পর্যন্ত পবিত্র কুরআন কাগজ– কাপড় ও পশুর চামড়ার প্রচলিত পদ্ধতিতে লিপিবদ্ধ হয়েছে। আমি তাই ভিন্ন কিছু করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছি এবং এখনও পর্যন্ত সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছি। আমার এ প্রকল্পে ইসলামের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি উচ্চমানের ক্যানভাসে অ্যালুমিনিয়াম ও স্বর্ণের প্রলেপ দিয়ে পবিত্র কুরআন লিপিবদ্ধ হচ্ছে।’ তিনি বলেন– ’পবিত্র কুরআনটির আকার হবে ফ্রেম ছাড়াই সাড়ে ছয় ফুট বাই সাড়ে আট ফুট। বর্তমানে আমার ছাত্রসহ প্রায় ২০০ প্রতিভাবান শিল্পী এই প্রকল্পে কাজ করছেন।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন– আইকনিক প্রকল্পটি নিজে শুরু করলেও বন্ধুরা এই প্রকল্পে সাহায্যসহযোগিতা করছে। আসলে এটি একটি বিশেষ ধরনের প্রকল্প এবং সমাজের সকল অংশের ব্যাপক সমর্থন ছাড়া অর্জন করা সম্ভব নয়। দুবাই এক্সপোতে এই কুরআনটি কোথায় প্রদর্শিত হবে– এমন  প্রশ্নের জবাবে শহিদ রাসাম বলেন– ’এটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। কারণ একজন পাকিস্তানি হিসেবে অবশ্যই আমি চাই– এটি পাকিস্তানি প্যাভিলিয়নে প্রদর্শিত হোক। তবে আরও কিছু অংশগ্রহণকারী  দেশও এ ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তাই বিষয়টি এখনও ঠিক হয়নি।’