০৪ মার্চ ২০২৬, বুধবার, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এবার দাড়িভিট স্কুলে গুলি কাণ্ডে এনআইএ কে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

পারিজাত মোল্লা: রাজ্যের আরও একটি মামলার তদন্তভার তুলে দেওয়া হলো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থারের সিঙ্গেল বেঞ্চ দাড়িভিট স্কুলে গুলি কাণ্ডে এনআইএকে তদন্তভার তুলে দিল।গত গত ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে তপ্ত হয়ে উঠেছিল দাড়িভিট স্কুল। চলে বিক্ষোভ-আন্দোলন। সেই আন্দোলন চলাকালীন গুলিবিদ্ধ  হয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছিল।প্রায় ৫ বছর  মামলার শুনানির পর  দাড়িভিট স্কুলে শিক্ষক নিয়োগে বিতর্কে গুলিবিদ্ধ হয়ে দুই যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় এনআইএ  তদন্তের নির্দেশ দিল আদালত।

কলকাতা হাইকোর্টের  বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এদিন  এই নির্দেশ দিয়েছেন। ঘটনার দিন দাড়িভিটের ঘটনায় বোমাও ফেটেছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রসঙ্গত , এতদিন ধরে এই ঘটনার তদন্ত করছিল সিআইডি। কিন্তু সিআইডির তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে এর আগেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল হাইকোর্ট। বিশেষ করে যেখানে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্পষ্ট, কোনও শক্তিশালী আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেখানে এতদিনেও কেন সিআইডি শনাক্ত করতে পারল না?  কোন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে? তা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছিল আদালত। গোটা তদন্ত প্রক্রিয়ায় এবার সিআইডির ভূমিকাও খতিয়ে দেখছে হাইকোর্ট।সেই সাথে  হাইকোর্টের তীব্র ভর্ত্‍সনার মুখে পড়ল রাজ্য মানবাধিকার কমিশনও।

আরও পড়ুন: রাজ্যের সব বুথে ন্যূনতম পরিকাঠামো আছে কি? নির্বাচন কমিশনের রিপোর্ট তলব হাই কোর্টের

গোটা ঘটনাক্রম থেকে রাজ্য মানবাধিকার কমিশন নিজেদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে রেখেছে বলেও মন্তব্য করেছে আদালত। মানবাধিকার কমিশনের ভূমিকা প্রসঙ্গে আদালতের মন্তব্য,  ‘দূর থেকে গোটা ঘটনাক্রম দেখছে। তারা জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে এতটাই ভরসা করে যে তাঁদের থেকে রিপোর্ট চেয়েই দায়িত্ব সেরেছে। এটাই তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার জন্য যথেষ্ট। ২০২০ সালে না হয় কমিশনের সদস্য ছিল না। কিন্তু ২০১৮ থেকে দু বছর কি করেছে রাজ্য কমিশন?  সেই তুলনায় জাতীয় কমিশন সেখানে লোক পাঠিয়ে পরে সেটি থেকে একটা রিপোর্ট তৈরি করেছে। তাদের সেই রিপোর্ট নিয়ে যতই বিতর্ক হোক। তবু তারা সেটা করেছে। প্রশ্ন ওঠে রাজ্য কমিশন কী করছিল এতদিন ?’ এখন দেখার রাজ্য এই নির্দেশ কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে যায় কিনা?

আরও পড়ুন: চন্দ্রকোনা কাণ্ডে শুভেন্দু অধিকারীকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দিল হাইকোর্ট, রিপোর্ট তলব

আরও পড়ুন: আই-প্যাক ইস্যু: হাইকোর্টে শুনানি স্থগিত চাইল ইডি, ‘আমরা প্রস্তুত’ বললেন কল্যাণ
সর্বধিক পাঠিত

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা খামেনি পুত্র মোজতবা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এবার দাড়িভিট স্কুলে গুলি কাণ্ডে এনআইএ কে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

আপডেট : ১০ মে ২০২৩, বুধবার

পারিজাত মোল্লা: রাজ্যের আরও একটি মামলার তদন্তভার তুলে দেওয়া হলো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থারের সিঙ্গেল বেঞ্চ দাড়িভিট স্কুলে গুলি কাণ্ডে এনআইএকে তদন্তভার তুলে দিল।গত গত ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে তপ্ত হয়ে উঠেছিল দাড়িভিট স্কুল। চলে বিক্ষোভ-আন্দোলন। সেই আন্দোলন চলাকালীন গুলিবিদ্ধ  হয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছিল।প্রায় ৫ বছর  মামলার শুনানির পর  দাড়িভিট স্কুলে শিক্ষক নিয়োগে বিতর্কে গুলিবিদ্ধ হয়ে দুই যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় এনআইএ  তদন্তের নির্দেশ দিল আদালত।

কলকাতা হাইকোর্টের  বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এদিন  এই নির্দেশ দিয়েছেন। ঘটনার দিন দাড়িভিটের ঘটনায় বোমাও ফেটেছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রসঙ্গত , এতদিন ধরে এই ঘটনার তদন্ত করছিল সিআইডি। কিন্তু সিআইডির তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে এর আগেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল হাইকোর্ট। বিশেষ করে যেখানে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্পষ্ট, কোনও শক্তিশালী আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেখানে এতদিনেও কেন সিআইডি শনাক্ত করতে পারল না?  কোন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে? তা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছিল আদালত। গোটা তদন্ত প্রক্রিয়ায় এবার সিআইডির ভূমিকাও খতিয়ে দেখছে হাইকোর্ট।সেই সাথে  হাইকোর্টের তীব্র ভর্ত্‍সনার মুখে পড়ল রাজ্য মানবাধিকার কমিশনও।

আরও পড়ুন: রাজ্যের সব বুথে ন্যূনতম পরিকাঠামো আছে কি? নির্বাচন কমিশনের রিপোর্ট তলব হাই কোর্টের

গোটা ঘটনাক্রম থেকে রাজ্য মানবাধিকার কমিশন নিজেদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে রেখেছে বলেও মন্তব্য করেছে আদালত। মানবাধিকার কমিশনের ভূমিকা প্রসঙ্গে আদালতের মন্তব্য,  ‘দূর থেকে গোটা ঘটনাক্রম দেখছে। তারা জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে এতটাই ভরসা করে যে তাঁদের থেকে রিপোর্ট চেয়েই দায়িত্ব সেরেছে। এটাই তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার জন্য যথেষ্ট। ২০২০ সালে না হয় কমিশনের সদস্য ছিল না। কিন্তু ২০১৮ থেকে দু বছর কি করেছে রাজ্য কমিশন?  সেই তুলনায় জাতীয় কমিশন সেখানে লোক পাঠিয়ে পরে সেটি থেকে একটা রিপোর্ট তৈরি করেছে। তাদের সেই রিপোর্ট নিয়ে যতই বিতর্ক হোক। তবু তারা সেটা করেছে। প্রশ্ন ওঠে রাজ্য কমিশন কী করছিল এতদিন ?’ এখন দেখার রাজ্য এই নির্দেশ কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে যায় কিনা?

আরও পড়ুন: চন্দ্রকোনা কাণ্ডে শুভেন্দু অধিকারীকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দিল হাইকোর্ট, রিপোর্ট তলব

আরও পড়ুন: আই-প্যাক ইস্যু: হাইকোর্টে শুনানি স্থগিত চাইল ইডি, ‘আমরা প্রস্তুত’ বললেন কল্যাণ