পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: জনসাধারণের সুবিধার্থে এবার পরিষেবা দেবে 'নাগরিক পোর্টাল' বা 'সিটিজেন ফার্স্ট' মোবাইল অ্যাপ। গুজরাট সরকারের তথ্য বিভাগ দ্বারা প্রকাশিত একটি বিবৃতি অনুসারে, এবার থেকে সাধারণ মানুষ মোবাইল ফোন বা গাড়ি চুরির জন্য তাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করতে স্বরাষ্ট্র দফতরের "নাগরিক পোর্টাল" বা "সিটিজেন ফার্স্ট" মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে ই-এফআইআর দায়ের করতে পারবে।
আরও পড়ুন:
গুজরাট সরকার বুধবার এক ঘোষণার মাধ্যমে জানিয়েছে, এবার থেকে মোবাইল, গাড়ি চুরির জন্য আর থানায় এফআইআর দায়ের করতে যেতে হবে না। "নাগরিক পোর্টাল" বা "সিটিজেন ফার্স্ট' মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে অনলাইনের মাধ্যমেই ই-এফআইআর দায়ের করা যাবে।
আরও পড়ুন:
গুজরাট তথ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নাগরিকরা স্বরাষ্ট্র দফতরের "নাগরিক পোর্টাল" বা "সিটিজেন ফার্স্ট' ব্যবহার করে চুরি যাওয়া মোবাইল ও গাড়ির জন্য অনলাইনে অভিযোগ দায়ের করতে পারবে। যার নাম দেওয়া হয়েছে ই-এফআইআর।
আরও পড়ুন:
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে রাজ্য সরকার সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
http://gujhome.gujarat.gov.in এই ওয়েবপেজ-এর মাধ্যমে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনটি রেজিস্টার করতে পারবে সাধারণ মানুষ।আরও পড়ুন:
তথ্য বিভাগের নির্দেশিকা অনুযায়ী ই-এফআইআর শুধুমাত্র প্রযোজ্য হবে সেই সব ক্ষেত্রে, যখন কোনও অপরিচিত ব্যক্তির দ্বারা মোবাইল, গাড়ি চুরি হয়েছে। এছাড়া অভিযোগকারী ব্যক্তিটির চুরির ঘটনার সময় কোনও ভাবে শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়নি। অভিযোগকারী অভিযোগ দায়ের করার সময় অন লাইনে সমস্ত চুরির বিবরণ দিয়ে অভিযোগনামাটি নথিভুক্ত করবে।
প্রাথমিক তদন্তের পর ই-এফআইআর, এফআইআর-এ স্থানান্তরিত করা হবে। যদি সংশ্লিষ্ট থানার অভিযোগকারীর অভিযোগনামা সম্পর্কে বুঝতে কিছু অসুবিধা হয়, সেক্ষেত্রে ওই সমস্ত ই-এফআইআর পুলিশ কমিশনার, জেলা বা শহরের সুপারিটেনডেন্ট অফ পুলিশ বিভাগের দফতরে যাবে।আরও পড়ুন:
গুজরাট সরকার আরও ঘোষণা করেছে যে পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে যদি ই-এফআইআর দায়ের করার পাঁচ দিনের মধ্যে কোনও ব্যবস্থা না নেওয়া হয়। অভিযোগনামা আপলোড করার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে তদন্তকারী অফিসারকে সেটি পড়ে দেখতে হবে। এর পরে সেই তদন্তকারী অফিসার অভিযোগকারীর কাছ থেকে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত চুরি যাওয়া গাড়ি, মোবাইল ফোনের নথি সম্পর্কে বিশদে জানতে চাইবে। তার পর অপরাধের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে হবে তাকে।