০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, শনিবার, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘প্রকৃতির অভিশাপেই লস অ্যাঞ্জেলস ধ্বংসস্তূপ’: মেহেবুবা মুফতি

HIGHLIGHTS: এবার গাজার যন্ত্রণা বুঝতে পারবে ওঁরা: মেহেবুবা মুফতি 

 

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: প্রকৃতির রুদ্ররোষে জ্বলছে আমেরিকা!  প্যালিসাডেসের  বিধ্বংসী দাবানলে পুড়ে ছাই পুরো হলিউড। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জনের অধিক প্রাণ হারিয়েছেন। বাস্তুচ্যুত লক্ষাধিক। সংশ্লিষ্ট ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বহু বিশিষ্টজন। সেই তালিকায় নয়া সংযোজন মেহেবুবা মুফতি। এদিন সোশ্যাল সাইটে পোস্ট করে তিনি লেখেন,  বিধ্বংসী আগুনে কার্যত শ্মশানে পরিণত হয়েছে ক্যালিফোর্নিয়া।

 

ঘটনাটা সত্যিই উদ্বেগজনক। যে বা যাঁরা এই ভয়ানক পরিস্থিতির সঙ্গে যুঝে চলেছেন, তাঁদের জন্যে প্রার্থনা করি। তবে এটা প্রকৃতির সঙ্গে অত্যাচারী আচরণের অভিশাপ বৈকি কিছু নয়!  মানুষ প্রকৃতির যা অপব্যবহার করছে তারই ফল এটা।  প্রকৃতির প্রতিশোধ বলে একটা ব্যাপার আছে। প্রকৃতি সেই প্রতিশোধটা নিচ্ছে।

 

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ক্ষতি পূরণ হয়ে যাবে। তবে আমাদের গাজা নিয়ে বেশি চিন্তিত হওয়া দরকার। হানাদার ইসরাইলের বিরুদ্ধে যে বা যাঁরা  লড়ে চলেছেন তাঁদের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করে এদিন তিনি বলেন, গাজায় নেতানিয়াহু সরকার যা করছে তা আমানবিক। এই ক্ষতি পূরণ হওয়ার নয়। যেই হাজার হাজার মানুষ গাজা যুদ্ধে শহিদ হয়েছেন, তাঁদের পাবেন কি করে?

সংশ্লিষ্ট যুদ্ধে কত মানুষ সর্বস্ব হয়ে গিয়েছেন। মাথার উপর ছাদ কিংবা মেঝেটুকু নেই তাঁদের ওপর। অথচ বিশ্বের বিশ্বের একাংশ মানুষ তাঁদের কথা চিন্তাও করছে না। একদিকে দাবানল কাণ্ডে কিছু মানুষ মানবিকতার আখ্যান দিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন অন্যদিকে তারাই গাজায় ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে মৌনব্রত পালন করছে। কেমন দ্বিচারিতা এঁদের। আশা করছি কোনও মানুষের  বাড়িঘর এবং জীবন ধ্বংস হয়ে গেলে কেমন অনুভূতি হয় তা এবার বুঝবে ওঁরা।

গত মঙ্গলবার সান্টা মনিকা ও মালিবুর মধ্যবর্তী অন্তত ১২৬২ একর জমি দাবানলে জ্বলতে শুরু করে। শুকনো আবহাওয়ায় প্রবল হাওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। টানা তিনদিন ধরে জ্বলছে ক্যালিফোর্নিয়া। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০। যদিও অসমর্থিত সূত্রের দাবি, মৃতের সংখ্যা আরও  অনেক বেশি।

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

বাংলা বললে যদি বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়, তবে হিন্দি বা উর্দু বললে পাকিস্তানে পাঠান! বাংলাদেশে পুশব্যাক নিয়ে সংসদের সরব শতাব্দী

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

‘প্রকৃতির অভিশাপেই লস অ্যাঞ্জেলস ধ্বংসস্তূপ’: মেহেবুবা মুফতি

আপডেট : ১০ জানুয়ারী ২০২৫, শুক্রবার

HIGHLIGHTS: এবার গাজার যন্ত্রণা বুঝতে পারবে ওঁরা: মেহেবুবা মুফতি 

 

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: প্রকৃতির রুদ্ররোষে জ্বলছে আমেরিকা!  প্যালিসাডেসের  বিধ্বংসী দাবানলে পুড়ে ছাই পুরো হলিউড। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জনের অধিক প্রাণ হারিয়েছেন। বাস্তুচ্যুত লক্ষাধিক। সংশ্লিষ্ট ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বহু বিশিষ্টজন। সেই তালিকায় নয়া সংযোজন মেহেবুবা মুফতি। এদিন সোশ্যাল সাইটে পোস্ট করে তিনি লেখেন,  বিধ্বংসী আগুনে কার্যত শ্মশানে পরিণত হয়েছে ক্যালিফোর্নিয়া।

 

ঘটনাটা সত্যিই উদ্বেগজনক। যে বা যাঁরা এই ভয়ানক পরিস্থিতির সঙ্গে যুঝে চলেছেন, তাঁদের জন্যে প্রার্থনা করি। তবে এটা প্রকৃতির সঙ্গে অত্যাচারী আচরণের অভিশাপ বৈকি কিছু নয়!  মানুষ প্রকৃতির যা অপব্যবহার করছে তারই ফল এটা।  প্রকৃতির প্রতিশোধ বলে একটা ব্যাপার আছে। প্রকৃতি সেই প্রতিশোধটা নিচ্ছে।

 

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ক্ষতি পূরণ হয়ে যাবে। তবে আমাদের গাজা নিয়ে বেশি চিন্তিত হওয়া দরকার। হানাদার ইসরাইলের বিরুদ্ধে যে বা যাঁরা  লড়ে চলেছেন তাঁদের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করে এদিন তিনি বলেন, গাজায় নেতানিয়াহু সরকার যা করছে তা আমানবিক। এই ক্ষতি পূরণ হওয়ার নয়। যেই হাজার হাজার মানুষ গাজা যুদ্ধে শহিদ হয়েছেন, তাঁদের পাবেন কি করে?

সংশ্লিষ্ট যুদ্ধে কত মানুষ সর্বস্ব হয়ে গিয়েছেন। মাথার উপর ছাদ কিংবা মেঝেটুকু নেই তাঁদের ওপর। অথচ বিশ্বের বিশ্বের একাংশ মানুষ তাঁদের কথা চিন্তাও করছে না। একদিকে দাবানল কাণ্ডে কিছু মানুষ মানবিকতার আখ্যান দিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন অন্যদিকে তারাই গাজায় ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে মৌনব্রত পালন করছে। কেমন দ্বিচারিতা এঁদের। আশা করছি কোনও মানুষের  বাড়িঘর এবং জীবন ধ্বংস হয়ে গেলে কেমন অনুভূতি হয় তা এবার বুঝবে ওঁরা।

গত মঙ্গলবার সান্টা মনিকা ও মালিবুর মধ্যবর্তী অন্তত ১২৬২ একর জমি দাবানলে জ্বলতে শুরু করে। শুকনো আবহাওয়ায় প্রবল হাওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। টানা তিনদিন ধরে জ্বলছে ক্যালিফোর্নিয়া। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০। যদিও অসমর্থিত সূত্রের দাবি, মৃতের সংখ্যা আরও  অনেক বেশি।