১৪ জানুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাতীয় গ্রিন হাইড্রোজেন মিশনে অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় গ্রিন হাইড্রোজেন মিশনের প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গ্রিন হাইড্রোজেন জলের তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে পরিবেশ-বান্ধব উপায়ে তৈরি করা হয়। ব্যাপক উৎপাদনে সক্ষম হলে এটি জ্বালানি রূপে ব্যবহার করা যেতে পারে।

 

আরও পড়ুন: দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন: সিপিএমের ঝোলাতে ০.০১ শতাংশ

এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিক ব্যয়বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১৯,৭৪৪ কোটি টাকা। মিশনের আওতায় বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচি রূপায়ণের রূপরেখা তৈরি করার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি মন্ত্রকের। মিশনের কর্মসূচি রূপায়িত হলে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনের পরিমাণ বছরে ৫ মিলিয়ন মেট্রিক টনের মতো বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: প্রকাশ সিং বাদলের মৃত্যুতে দু’দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, শেষকৃত্যে মোদি

 

আরও পড়ুন: জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা! উত্তরপ্রদেশে আটক ৩ যুবক, ভাইরাল ভিডিও

৬ লক্ষেরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে এই প্রকল্প রূপায়ণের সুবাদে। শুধু তাই নয়, জীবাশ্ম জ্বালানির আমদানি খাতে সাশ্রয় ঘটবে ১ লক্ষ কোটি টাকার মতো। বাতাসে দূষিত গ্যাস নির্গমনের মাত্রা হ্রাস পাবে বছরে প্রায় ৫০ মিলিয়ন মেট্রিক টন।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

বেলডাঙায় এইচ এম এস পাবলিক স্কুলের শুভ উদ্বোধন, শিক্ষার নতুন দিগন্তের সূচনা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জাতীয় গ্রিন হাইড্রোজেন মিশনে অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার

আপডেট : ৬ জানুয়ারী ২০২৩, শুক্রবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় গ্রিন হাইড্রোজেন মিশনের প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গ্রিন হাইড্রোজেন জলের তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে পরিবেশ-বান্ধব উপায়ে তৈরি করা হয়। ব্যাপক উৎপাদনে সক্ষম হলে এটি জ্বালানি রূপে ব্যবহার করা যেতে পারে।

 

আরও পড়ুন: দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন: সিপিএমের ঝোলাতে ০.০১ শতাংশ

এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিক ব্যয়বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১৯,৭৪৪ কোটি টাকা। মিশনের আওতায় বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচি রূপায়ণের রূপরেখা তৈরি করার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি মন্ত্রকের। মিশনের কর্মসূচি রূপায়িত হলে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনের পরিমাণ বছরে ৫ মিলিয়ন মেট্রিক টনের মতো বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: প্রকাশ সিং বাদলের মৃত্যুতে দু’দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, শেষকৃত্যে মোদি

 

আরও পড়ুন: জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা! উত্তরপ্রদেশে আটক ৩ যুবক, ভাইরাল ভিডিও

৬ লক্ষেরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে এই প্রকল্প রূপায়ণের সুবাদে। শুধু তাই নয়, জীবাশ্ম জ্বালানির আমদানি খাতে সাশ্রয় ঘটবে ১ লক্ষ কোটি টাকার মতো। বাতাসে দূষিত গ্যাস নির্গমনের মাত্রা হ্রাস পাবে বছরে প্রায় ৫০ মিলিয়ন মেট্রিক টন।