১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরান ছাড়ার জরুরি সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের, নাগরিকদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আহ্বান

 

ইরানজুড়ে চলমান বিক্ষোভ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষিতে দেশটিতে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের ‘এই মুহূর্তে’ ইরান ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (১২ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের ভার্চুয়াল দূতাবাস এক জরুরি নির্দেশনা জারি করে জানায়, পরিস্থিতি দ্রুত সহিংস রূপ নিতে পারে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিক্ষোভ ঘিরে গ্রেপ্তার ও আহতের ঘটনা বাড়ছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা জোরদার, সড়ক অবরোধ, গণপরিবহণ ব্যাহত হওয়া এবং ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় স্বাভাবিক জীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ইরান সরকার মোবাইল, ল্যান্ডলাইন ও জাতীয় ইন্টারনেট নেটওয়ার্কে বিভিন্ন মাত্রার বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।
চলমান সংকটের কারণে একাধিক আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা ইরানে যাতায়াতের ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত করেছে। কয়েকটি এয়ারলাইন্স অন্তত ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ফ্লাইট চালাবে না বলে জানিয়েছে। এ অবস্থায় নিরাপদ মনে হলে স্থলপথে আর্মেনিয়া বা তুরস্কে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

যারা এখনই দেশ ছাড়তে পারবেন না, তাদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান, পর্যাপ্ত খাদ্য, পানি ও ওষুধ মজুদ এবং বিক্ষোভ এলাকা এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পরিস্থিতির সর্বশেষ খবর নজরে রাখা, পরিবার–পরিজনের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা এবং ‘স্টেপ’ কর্মসূচিতে নিবন্ধনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও জানানো হয়, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকায় দেশটিতে মার্কিন স্বার্থ রক্ষার দায়িত্বে রয়েছে তেহরানে অবস্থিত সুইস দূতাবাস।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

ইরান ছাড়ার জরুরি সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের, নাগরিকদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আহ্বান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ইরান ছাড়ার জরুরি সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের, নাগরিকদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আহ্বান

আপডেট : ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার

 

ইরানজুড়ে চলমান বিক্ষোভ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষিতে দেশটিতে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের ‘এই মুহূর্তে’ ইরান ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (১২ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের ভার্চুয়াল দূতাবাস এক জরুরি নির্দেশনা জারি করে জানায়, পরিস্থিতি দ্রুত সহিংস রূপ নিতে পারে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিক্ষোভ ঘিরে গ্রেপ্তার ও আহতের ঘটনা বাড়ছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা জোরদার, সড়ক অবরোধ, গণপরিবহণ ব্যাহত হওয়া এবং ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় স্বাভাবিক জীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ইরান সরকার মোবাইল, ল্যান্ডলাইন ও জাতীয় ইন্টারনেট নেটওয়ার্কে বিভিন্ন মাত্রার বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।
চলমান সংকটের কারণে একাধিক আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা ইরানে যাতায়াতের ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত করেছে। কয়েকটি এয়ারলাইন্স অন্তত ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ফ্লাইট চালাবে না বলে জানিয়েছে। এ অবস্থায় নিরাপদ মনে হলে স্থলপথে আর্মেনিয়া বা তুরস্কে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

যারা এখনই দেশ ছাড়তে পারবেন না, তাদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান, পর্যাপ্ত খাদ্য, পানি ও ওষুধ মজুদ এবং বিক্ষোভ এলাকা এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পরিস্থিতির সর্বশেষ খবর নজরে রাখা, পরিবার–পরিজনের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা এবং ‘স্টেপ’ কর্মসূচিতে নিবন্ধনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও জানানো হয়, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকায় দেশটিতে মার্কিন স্বার্থ রক্ষার দায়িত্বে রয়েছে তেহরানে অবস্থিত সুইস দূতাবাস।