১৪ জানুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমেরিকা–ইরান উত্তেজনা বাড়লে উপসাগরীয় অঞ্চলে ভয়াবহ পরিণতির আশঙ্কা রয়েছে , বলছে কাতার

 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়লে তা পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য ‘বিপর্যয়কর’ হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্ক করেছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজিদ আল-আনসারি মঙ্গলবার দোহায় এক সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

তিনি বলেন, যেকোনো ধরনের সামরিক উত্তেজনা শুধু এই অঞ্চলের জন্য নয়, এর বাইরেও মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। তাই কাতার সর্বাত্মকভাবে সংঘাত এড়ানোর পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অভিযানের প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটনের হামলার হুমকির পরই কাতারের এই উদ্বেগ প্রকাশ।

উল্লেখ্য, গত বছরের জুনে ইরান কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল উদেইদ সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল। এর আগে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার জেরে দুই দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সে সময় দ্রুত যুদ্ধবিরতি কার্যকরে মধ্যস্থতার ভূমিকা নেয় কাতার।
এদিকে ইরানে চলমান বিক্ষোভ ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে শাসকগোষ্ঠীর জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা বাড়ছেই, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

যুদ্ধবিরতির মাঝেও রক্তপাত: গাজায় তিন মাসে অন্তত ১০০ শিশুর মৃত্যু, জানাল জাতিসংঘ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আমেরিকা–ইরান উত্তেজনা বাড়লে উপসাগরীয় অঞ্চলে ভয়াবহ পরিণতির আশঙ্কা রয়েছে , বলছে কাতার

আপডেট : ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, বুধবার

 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়লে তা পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য ‘বিপর্যয়কর’ হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্ক করেছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজিদ আল-আনসারি মঙ্গলবার দোহায় এক সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

তিনি বলেন, যেকোনো ধরনের সামরিক উত্তেজনা শুধু এই অঞ্চলের জন্য নয়, এর বাইরেও মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। তাই কাতার সর্বাত্মকভাবে সংঘাত এড়ানোর পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অভিযানের প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটনের হামলার হুমকির পরই কাতারের এই উদ্বেগ প্রকাশ।

উল্লেখ্য, গত বছরের জুনে ইরান কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল উদেইদ সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল। এর আগে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার জেরে দুই দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সে সময় দ্রুত যুদ্ধবিরতি কার্যকরে মধ্যস্থতার ভূমিকা নেয় কাতার।
এদিকে ইরানে চলমান বিক্ষোভ ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে শাসকগোষ্ঠীর জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা বাড়ছেই, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।