১৯ জানুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাঁশে বাঁধা চেয়ারে অন্তঃসত্ত্বাকে ১০ কিমি হাঁটিয়ে হাসপাতালে পৌঁছে দিলেন গ্রামবাসীরা

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: জীবনের ঝুঁকি নিয়েই শুরু হলো এক মা ও সন্তানের লড়াই। কাদায় আটকে গেল অ্যাম্বুল্যান্স। অগত্যা বাঁশ ও চেয়ারে তৈরি অস্থায়ী খাটিয়ায় অন্তঃসত্ত্বা সুনাই ভোজকে ১০ কিমি হেঁটে হাসপাতালে পৌঁছে দিলেন গ্রামবাসীরা।

রবিবার ওডিশার মালকালগিরি জেলার ভোজগুড়া গ্রামে প্রসব যন্ত্রণা শুরু হয় সুনাইয়ের। খবর পেয়ে অ্যাম্বুল্যান্স পাঠানো হয়, কিন্তু তুষাইপাড়ায় পৌঁছে কাদা রাস্তায় তা আটকে যায়। গ্রামবাসীরা জানান, বছরের পর বছর রাস্তার কোনো উন্নয়ন হয়নি। বর্ষায় রাস্তা কাদায় ভর্তি, হাঁটাও কষ্টকর।

প্রতিবেশীরা তখন উদ্যোগ নেন। একখানা বড় বাঁশের মাঝে প্লাস্টিকের চেয়ার বেঁধে তাতে বসিয়ে সুনাইকে ১০ কিমি দূরে অ্যাম্বুল্যান্স পর্যন্ত নিয়ে যান। সেখান থেকে সুনাইকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিকেল সাড়ে ৬টা নাগাদ তিনি একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মা ও সন্তান দু’জনেই সুস্থ আছেন।

এই ঘটনা একদিকে যেমন মানবিক সহানুভূতির নজির, তেমনি সরকারি অব্যবস্থার নগ্ন চিত্র। দুর্গম এলাকাগুলোর পরিকাঠামো উন্নয়ন যে কতটা জরুরি, তা এই ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।

সর্বধিক পাঠিত

গাজা শান্তি বোর্ডে স্থায়ী সদস্যপদ পেতে ১০০ কোটি ডলারের শর্ত, ট্রাম্পের প্রস্তাবে বিশ্বজুড়ে তোলপাড়

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাঁশে বাঁধা চেয়ারে অন্তঃসত্ত্বাকে ১০ কিমি হাঁটিয়ে হাসপাতালে পৌঁছে দিলেন গ্রামবাসীরা

আপডেট : ৮ জুলাই ২০২৫, মঙ্গলবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: জীবনের ঝুঁকি নিয়েই শুরু হলো এক মা ও সন্তানের লড়াই। কাদায় আটকে গেল অ্যাম্বুল্যান্স। অগত্যা বাঁশ ও চেয়ারে তৈরি অস্থায়ী খাটিয়ায় অন্তঃসত্ত্বা সুনাই ভোজকে ১০ কিমি হেঁটে হাসপাতালে পৌঁছে দিলেন গ্রামবাসীরা।

রবিবার ওডিশার মালকালগিরি জেলার ভোজগুড়া গ্রামে প্রসব যন্ত্রণা শুরু হয় সুনাইয়ের। খবর পেয়ে অ্যাম্বুল্যান্স পাঠানো হয়, কিন্তু তুষাইপাড়ায় পৌঁছে কাদা রাস্তায় তা আটকে যায়। গ্রামবাসীরা জানান, বছরের পর বছর রাস্তার কোনো উন্নয়ন হয়নি। বর্ষায় রাস্তা কাদায় ভর্তি, হাঁটাও কষ্টকর।

প্রতিবেশীরা তখন উদ্যোগ নেন। একখানা বড় বাঁশের মাঝে প্লাস্টিকের চেয়ার বেঁধে তাতে বসিয়ে সুনাইকে ১০ কিমি দূরে অ্যাম্বুল্যান্স পর্যন্ত নিয়ে যান। সেখান থেকে সুনাইকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিকেল সাড়ে ৬টা নাগাদ তিনি একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মা ও সন্তান দু’জনেই সুস্থ আছেন।

এই ঘটনা একদিকে যেমন মানবিক সহানুভূতির নজির, তেমনি সরকারি অব্যবস্থার নগ্ন চিত্র। দুর্গম এলাকাগুলোর পরিকাঠামো উন্নয়ন যে কতটা জরুরি, তা এই ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।