১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পুলিশি নির্মমতার বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ আমেরিকায়

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক : পুলিশের নির্মমতার শিকার হয়ে কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ টায়ার নিকোলসের মৃত্যুর প্রতিবাদে আমেরিকাজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। শনিবার বিক্ষোভকারীরা নিউ ইয়র্ক সিটি, আটলান্টা, বোস্টন, বাল্টিমোর, লস অ্যাঞ্জেলেস, সান ফ্রান্সিসকো এবং পোর্টল্যান্ডে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। মেম্ফিসের যে স্থানটিতে নিকোলসকে পেটানো হয়েছিল সেখানে অস্থায়ী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়েছে। শনিবার বিক্ষোভকারীরা সেখানে সমবেত হয়েছিলেন। কায়ারা হিল নামে এক বিক্ষোভকারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘টায়ার নিকোলসের সঙ্গে যা ঘটেছে তা হৃদয়বিদারক। আমারও একটি ছেলে আছে।’

চলতি মাসের শুরুতে মেম্ফিসে টায়ার নিকোলসকে ৫ পুলিশ কর্মকর্তা নির্মমভাবে পিটিয়েছিলেন। এর তিন দিন পর হাসপাতালে মারা যান নিকোলস। পুলিশের বডিক্যাম ফুটেজে নিকোলসকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। কর্মকর্তারা যখন তার মুখে ঘুষি ও লাথি মারছিল তখন তিনবার ‘মা’ বলে ডেকে উঠেছিলেন নিকোলস। ভিডিয়ো ফুটেজগুলো প্রকাশের পর মার্কিন পুলিশের নির্মমতা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয় আমেরিকার অনেক শহরে। এরই মধ্যে নিকোলস হত্যায় জড়িত ৫ পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়। ‘স্করপিয়ন’ নামে পুলিশের ওই বিশেষ ইউনিট অবলুপ্ত ঘোষণা করে প্রশাসন।

আরও পড়ুন: শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের, পাল্টা বার্তায় আমেরিকাকে সতর্ক করলেন খামেনি

আরও পড়ুন: ক্ষমতা গ্রহণের পর ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা সর্বনিম্নে, ৫৮ শতাংশ আমেরিকানই অসন্তুষ্ট, বলছে সমীক্ষা রিপোর্ট
সর্বধিক পাঠিত

নিউ আলিপুর-সহ পাঁচ জায়গায় ভোর থেকে সিবিআইয়ের তল্লাশি, মোতায়েন বাড়তি বাহিনী

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পুলিশি নির্মমতার বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ আমেরিকায়

আপডেট : ৩০ জানুয়ারী ২০২৩, সোমবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক : পুলিশের নির্মমতার শিকার হয়ে কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ টায়ার নিকোলসের মৃত্যুর প্রতিবাদে আমেরিকাজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। শনিবার বিক্ষোভকারীরা নিউ ইয়র্ক সিটি, আটলান্টা, বোস্টন, বাল্টিমোর, লস অ্যাঞ্জেলেস, সান ফ্রান্সিসকো এবং পোর্টল্যান্ডে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। মেম্ফিসের যে স্থানটিতে নিকোলসকে পেটানো হয়েছিল সেখানে অস্থায়ী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়েছে। শনিবার বিক্ষোভকারীরা সেখানে সমবেত হয়েছিলেন। কায়ারা হিল নামে এক বিক্ষোভকারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘টায়ার নিকোলসের সঙ্গে যা ঘটেছে তা হৃদয়বিদারক। আমারও একটি ছেলে আছে।’

চলতি মাসের শুরুতে মেম্ফিসে টায়ার নিকোলসকে ৫ পুলিশ কর্মকর্তা নির্মমভাবে পিটিয়েছিলেন। এর তিন দিন পর হাসপাতালে মারা যান নিকোলস। পুলিশের বডিক্যাম ফুটেজে নিকোলসকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। কর্মকর্তারা যখন তার মুখে ঘুষি ও লাথি মারছিল তখন তিনবার ‘মা’ বলে ডেকে উঠেছিলেন নিকোলস। ভিডিয়ো ফুটেজগুলো প্রকাশের পর মার্কিন পুলিশের নির্মমতা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয় আমেরিকার অনেক শহরে। এরই মধ্যে নিকোলস হত্যায় জড়িত ৫ পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়। ‘স্করপিয়ন’ নামে পুলিশের ওই বিশেষ ইউনিট অবলুপ্ত ঘোষণা করে প্রশাসন।

আরও পড়ুন: শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের, পাল্টা বার্তায় আমেরিকাকে সতর্ক করলেন খামেনি

আরও পড়ুন: ক্ষমতা গ্রহণের পর ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা সর্বনিম্নে, ৫৮ শতাংশ আমেরিকানই অসন্তুষ্ট, বলছে সমীক্ষা রিপোর্ট