১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এক টুকরো রুটির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা!

বিশেষ প্রতিবেদক: খাবার ও পানি সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজার বাসিন্দারা। বিভিন্ন দেশ থেকে ত্রাণ সহায়তা পেলেও, প্রয়োজনের তুলনায় তা একেবারেই অপর্যাপ্ত। যার ফলে মাত্র এক টুকরো রুটির জন্যও ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে গাজার বাসিন্দাদের। গাজার এক বাসিন্দা বলেন, ‘গতকাল আমি গাজায় একজন বাবাকে দেখেছি। তিনি আমাকে জানিয়েছেন, তার পরিবারের সদস্যদের জন্য পাঁচ টুকরো রুটি নিতে ছয় ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন।’ বর্তমানে গাজার মানুষ শুধু একটি টেকসই নিরাপত্তা করিডোর চান। তারা তাদের পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় খাবার ও পানি ছাড়া অন্য কিছুই চান না। তারা এখন বেঁচে থাকার লড়াই করছেন। গাজায় পানি, বিদ্যুৎ ও জ্বলানি সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরাইল সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরাইল গাজায় ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের অনুমতি দিলেও তা গাজাবাসীদের জন্য অপ্রতুল। ইসরাইল গাজায় পানির পাম্প চালুর আশ্বাস দিলেও, তা চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানির অভাব রয়েছে। গাজার নাসের হাসপাতালের বাইরে রাষ্ট্রসংঘের একটি বিশুদ্ধ পানির ট্যাঙ্ক আছে। প্রতিদিনই সেখানে শত শত মানুষ পানির বোতল হাতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, গাজায় ইসরাইলের নির্বিচার হামলায় এখন পর্যন্ত ৮ হাজার ৫২৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের প্রায় অর্ধেকই শিশু। আহত আরও ২০ হাজার।

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

দুর্নীতির অভিযোগে উত্তাল আলবেনিয়া, রাজধানীতে সরকারবিরোধী সহিংস বিক্ষোভে আহত ১৬

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এক টুকরো রুটির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা!

আপডেট : ১ নভেম্বর ২০২৩, বুধবার

বিশেষ প্রতিবেদক: খাবার ও পানি সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজার বাসিন্দারা। বিভিন্ন দেশ থেকে ত্রাণ সহায়তা পেলেও, প্রয়োজনের তুলনায় তা একেবারেই অপর্যাপ্ত। যার ফলে মাত্র এক টুকরো রুটির জন্যও ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে গাজার বাসিন্দাদের। গাজার এক বাসিন্দা বলেন, ‘গতকাল আমি গাজায় একজন বাবাকে দেখেছি। তিনি আমাকে জানিয়েছেন, তার পরিবারের সদস্যদের জন্য পাঁচ টুকরো রুটি নিতে ছয় ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন।’ বর্তমানে গাজার মানুষ শুধু একটি টেকসই নিরাপত্তা করিডোর চান। তারা তাদের পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় খাবার ও পানি ছাড়া অন্য কিছুই চান না। তারা এখন বেঁচে থাকার লড়াই করছেন। গাজায় পানি, বিদ্যুৎ ও জ্বলানি সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরাইল সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরাইল গাজায় ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের অনুমতি দিলেও তা গাজাবাসীদের জন্য অপ্রতুল। ইসরাইল গাজায় পানির পাম্প চালুর আশ্বাস দিলেও, তা চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানির অভাব রয়েছে। গাজার নাসের হাসপাতালের বাইরে রাষ্ট্রসংঘের একটি বিশুদ্ধ পানির ট্যাঙ্ক আছে। প্রতিদিনই সেখানে শত শত মানুষ পানির বোতল হাতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, গাজায় ইসরাইলের নির্বিচার হামলায় এখন পর্যন্ত ৮ হাজার ৫২৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের প্রায় অর্ধেকই শিশু। আহত আরও ২০ হাজার।