২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, রবিবার, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমেরিকায় শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদের স্থান নেই: জো বাইডেন

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ আমেরিকায় শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদের  কোনও স্থান নেই। ‘ইউনাইটেড উই স্ট্যান্ড’ সামিটে বৃহস্পতিবার  বক্তব্য দেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যকে ‘বিষ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। বাইডেন বলেন, ‘শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের সিদ্ধান্ত বলে কিছু নেই।

 

আরও পড়ুন: শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের, পাল্টা বার্তায় আমেরিকাকে সতর্ক করলেন খামেনি

আধিপত্যবাদের এই বিষ এবং সহিংসতা আমাদের সময়ের গল্প  হতে পারে না। আমাদের সময়ের গল্পটি কী হওয়া উচিত, তা  স্পষ্ট করার জন্য আমরা এই শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন করেছি।’

আরও পড়ুন: ক্ষমতা গ্রহণের পর ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা সর্বনিম্নে, ৫৮ শতাংশ আমেরিকানই অসন্তুষ্ট, বলছে সমীক্ষা রিপোর্ট

 

আরও পড়ুন: ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল আমেরিকা, রাস্তায় লক্ষ লক্ষ মানুষ

প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমেরিকা ও আমাদের নিজস্ব গোয়েন্দা  সংস্থাগুলো নির্ধারণ করেছে যে, শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যের মূলে থাকা  ডমেস্টিক সন্ত্রাস আজ আমাদের দেশের জন্য সবচেয়ে বড়  হুমকি। আমাদের স্পষ্টভাবে বলা দরকার- শ্বেতাঙ্গ আধিপত্য  কিংবা যে কোনও ধরনের ঘৃণা ও সহিংসতা আমেরিকায় স্থান পাবে না।’

 

২০১৭ সালের আগস্টে ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলে একটি শ্বেতাঙ্গ  আধিপত্যবাদী সমাবেশে নিহত হন হিদার। শার্লটসভিলে ভিড়ের  মধ্যে গাড়ি চালিয়ে হিদারকে হত্যা করা হয় এবং ওই ঘটনায় ১৯ জন আহত হয়। এতে আমেরিকার বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিল।

 

আয়োজিত সম্মেলনে হিদার হেয়ারের মা সুশান ব্রো বাইডেনের সামনে বক্তব্য রাখেন। সুশান বলেন, ‘আমরা এখানে আমাদের অভিজ্ঞতা এবং ঘৃণার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য কৌশলগুলো জানাতে এসেছি। এই কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। সরকার, জনগণ এবং সংস্থাগুলোকে অবশ্যই একসাথে এগিয়ে যেতে হবে।’

 

প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, ‘আমি প্রথমে প্রেসিডেন্ট হতে চাইনি, কিন্তু শার্লটসভিলে যা ঘটেছিল তা আমাকে নির্বাচনে নামতে বাধ্য করে।’ বাইডেন আরও বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে ঘৃণা প্রচার বন্ধ করা উচিত।

 

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

আরএসএস মানহানি মামলা: নতুন জামিনদার দিতে থানে আদালতে সশরীরে হাজিরা দিলেন রাহুল গান্ধী

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আমেরিকায় শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদের স্থান নেই: জো বাইডেন

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ আমেরিকায় শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদের  কোনও স্থান নেই। ‘ইউনাইটেড উই স্ট্যান্ড’ সামিটে বৃহস্পতিবার  বক্তব্য দেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যকে ‘বিষ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। বাইডেন বলেন, ‘শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের সিদ্ধান্ত বলে কিছু নেই।

 

আরও পড়ুন: শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের, পাল্টা বার্তায় আমেরিকাকে সতর্ক করলেন খামেনি

আধিপত্যবাদের এই বিষ এবং সহিংসতা আমাদের সময়ের গল্প  হতে পারে না। আমাদের সময়ের গল্পটি কী হওয়া উচিত, তা  স্পষ্ট করার জন্য আমরা এই শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন করেছি।’

আরও পড়ুন: ক্ষমতা গ্রহণের পর ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা সর্বনিম্নে, ৫৮ শতাংশ আমেরিকানই অসন্তুষ্ট, বলছে সমীক্ষা রিপোর্ট

 

আরও পড়ুন: ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল আমেরিকা, রাস্তায় লক্ষ লক্ষ মানুষ

প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমেরিকা ও আমাদের নিজস্ব গোয়েন্দা  সংস্থাগুলো নির্ধারণ করেছে যে, শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যের মূলে থাকা  ডমেস্টিক সন্ত্রাস আজ আমাদের দেশের জন্য সবচেয়ে বড়  হুমকি। আমাদের স্পষ্টভাবে বলা দরকার- শ্বেতাঙ্গ আধিপত্য  কিংবা যে কোনও ধরনের ঘৃণা ও সহিংসতা আমেরিকায় স্থান পাবে না।’

 

২০১৭ সালের আগস্টে ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলে একটি শ্বেতাঙ্গ  আধিপত্যবাদী সমাবেশে নিহত হন হিদার। শার্লটসভিলে ভিড়ের  মধ্যে গাড়ি চালিয়ে হিদারকে হত্যা করা হয় এবং ওই ঘটনায় ১৯ জন আহত হয়। এতে আমেরিকার বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিল।

 

আয়োজিত সম্মেলনে হিদার হেয়ারের মা সুশান ব্রো বাইডেনের সামনে বক্তব্য রাখেন। সুশান বলেন, ‘আমরা এখানে আমাদের অভিজ্ঞতা এবং ঘৃণার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য কৌশলগুলো জানাতে এসেছি। এই কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। সরকার, জনগণ এবং সংস্থাগুলোকে অবশ্যই একসাথে এগিয়ে যেতে হবে।’

 

প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, ‘আমি প্রথমে প্রেসিডেন্ট হতে চাইনি, কিন্তু শার্লটসভিলে যা ঘটেছিল তা আমাকে নির্বাচনে নামতে বাধ্য করে।’ বাইডেন আরও বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে ঘৃণা প্রচার বন্ধ করা উচিত।