১৪ জানুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খাদ্যপণ্যে রাসায়নিকের বেপরোয়া ব্যবহার: বিশ্বজুড়ে মানবস্বাস্থ্যে ভয়াবহ বিপদ, বাড়ছে বন্ধ্যাত্ব

 

বিশ্বজুড়ে খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে ব্যবহৃত বিপজ্জনক রাসায়নিক দ্রুত মানবস্বাস্থ্য ও কৃষি ব্যবস্থার জন্য মারাত্মক হুমকিতে পরিণত হচ্ছে। এসব রাসায়নিক ক্যানসার, হরমোনজনিত অসুস্থতা, স্থূলতা, ডায়াবেটিস থেকে শুরু করে নারীর-পুরুষের বন্ধ্যাত্ব পর্যন্ত সৃষ্টি করছে বলে সতর্ক করেছেন আন্তর্জাতিক গবেষকরা। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়, ইনস্টিটিউট অব প্রিভেন্টিভ হেলথ ও কেমসেকের গবেষণায় বলা হয়েছে—ফথালেটস, বিশফেনলস, পেস্টিসাইডস এবং ‘ফরেভার কেমিক্যালস’ পিফাস খাদ্যকে কার্যত বিষে পরিণত করছে।

গবেষণা অনুসারে, এসব রাসায়নিকজনিত রোগ ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে প্রতিবছর ব্যয় দাঁড়াতে পারে প্রায় ২.২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। শুধু তাই নয়, ২০২৫ থেকে ২১০০ সালের মধ্যে বিশ্বে ২০–৭০ কোটি নবজাতকের জন্ম কমে যাওয়ার আশঙ্কা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাসায়নিক দূষণ এখন জলবায়ু পরিবর্তনের মতোই বৈশ্বিক সংকট। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর রাসায়নিক উৎপাদন বেড়েছে ২০০ গুণ এবং বাজারে ব্যবহৃত ৩.৫ লাখেরও বেশি রাসায়নিকের বেশিরভাগের ঝুঁকি সম্পর্কে তথ্য অজানা। গবেষক ড. ফিলিপ ল্যানড্রিগান একে ‘মানবজাতির জন্য সতর্কবার্তা’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, শিশুদের বিকাশমান মস্তিষ্ক এসব রাসায়নিকের আঘাতে স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কমছে বুদ্ধিমত্তা ও উৎপাদনশীলতা।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

বেলডাঙায় এইচ এম এস পাবলিক স্কুলের শুভ উদ্বোধন, শিক্ষার নতুন দিগন্তের সূচনা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

খাদ্যপণ্যে রাসায়নিকের বেপরোয়া ব্যবহার: বিশ্বজুড়ে মানবস্বাস্থ্যে ভয়াবহ বিপদ, বাড়ছে বন্ধ্যাত্ব

আপডেট : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, বৃহস্পতিবার

 

বিশ্বজুড়ে খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে ব্যবহৃত বিপজ্জনক রাসায়নিক দ্রুত মানবস্বাস্থ্য ও কৃষি ব্যবস্থার জন্য মারাত্মক হুমকিতে পরিণত হচ্ছে। এসব রাসায়নিক ক্যানসার, হরমোনজনিত অসুস্থতা, স্থূলতা, ডায়াবেটিস থেকে শুরু করে নারীর-পুরুষের বন্ধ্যাত্ব পর্যন্ত সৃষ্টি করছে বলে সতর্ক করেছেন আন্তর্জাতিক গবেষকরা। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়, ইনস্টিটিউট অব প্রিভেন্টিভ হেলথ ও কেমসেকের গবেষণায় বলা হয়েছে—ফথালেটস, বিশফেনলস, পেস্টিসাইডস এবং ‘ফরেভার কেমিক্যালস’ পিফাস খাদ্যকে কার্যত বিষে পরিণত করছে।

গবেষণা অনুসারে, এসব রাসায়নিকজনিত রোগ ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে প্রতিবছর ব্যয় দাঁড়াতে পারে প্রায় ২.২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। শুধু তাই নয়, ২০২৫ থেকে ২১০০ সালের মধ্যে বিশ্বে ২০–৭০ কোটি নবজাতকের জন্ম কমে যাওয়ার আশঙ্কা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাসায়নিক দূষণ এখন জলবায়ু পরিবর্তনের মতোই বৈশ্বিক সংকট। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর রাসায়নিক উৎপাদন বেড়েছে ২০০ গুণ এবং বাজারে ব্যবহৃত ৩.৫ লাখেরও বেশি রাসায়নিকের বেশিরভাগের ঝুঁকি সম্পর্কে তথ্য অজানা। গবেষক ড. ফিলিপ ল্যানড্রিগান একে ‘মানবজাতির জন্য সতর্কবার্তা’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, শিশুদের বিকাশমান মস্তিষ্ক এসব রাসায়নিকের আঘাতে স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কমছে বুদ্ধিমত্তা ও উৎপাদনশীলতা।