০২ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ১৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২ কোটি বরাদ্দ, খরচ মাত্র ১২ লক্ষ টাকা মোরবি ব্রিজ সংস্কার নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: ঘড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থা ‘ওরেভা’কে আস্ত একখানা ব্রিজ সংস্কারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এর জন্য বরাদ্দ হয়েছিল ২ কোটি টাকা। সেই টাকার মাত্র ৬ শতাংশ, অর্থাৎ ১২ লক্ষ টাকার ব্যবহার করেছিল তারা। গুজরাতের মোরবি সেতু দুর্ঘটনার পর পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। এতে স্পষ্ট হচ্ছে প্রশাসন ও সংস্কারের দায়িত্বে থাকা সংস্থার গাফিলতি। বিরোধী দলগুলি এ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। মাচ্ছু নদীর উপর নির্মিত এই সেতুটি ১৪৩ বছরের পুরনো। সম্প্রতি সেতুটি ভেঙে পড়ায় অন্ততপক্ষে ১৪১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনায় গুজরাতের বিজেপি সরকার বেকায়দায় পড়েছে। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এমন দুর্ঘটনায় সরকারি গাফিলতির দৃষ্টান্ত প্রকাশ্যে উঠে এসেছে।
পুলিশ জানাচ্ছে, সংস্কারের নামে ব্রিজটিকে সাজানো হয়েছে শুধুমাত্র। রং চড়ানো হয়েছে নতুন করে। একটি পুরনো সেতুর স্বাস্থ্য ফেরাতে যেভাবে সংস্কার প্রয়োজন ছিল তা করা হয়নি মোটেও। এভাবে অভিযোগের তীর বারবার তথাকথিত নির্মাণ সংস্থার দিকেই ঘোরানো হচ্ছে। কিন্তু বিরোধীদের অভিযোগ, একটি ঘড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থা এমন ঐতিহ্যবাহী ব্রিজের সংস্কার করার দায়িত্ব পেল কীভাবে? আর বরাদ্দের বাকি টাকাই বা গেল কোথায়? বিজেপি নেতারা হয়তো ভাগ করে নিয়েছেন!

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

রাশিয়ায় আছড়ে পড়ল ইউক্রেনীয় ড্রোন, হামলা নিহত ২৪ জন নাগরিক

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

২ কোটি বরাদ্দ, খরচ মাত্র ১২ লক্ষ টাকা মোরবি ব্রিজ সংস্কার নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

আপডেট : ৫ নভেম্বর ২০২২, শনিবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: ঘড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থা ‘ওরেভা’কে আস্ত একখানা ব্রিজ সংস্কারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এর জন্য বরাদ্দ হয়েছিল ২ কোটি টাকা। সেই টাকার মাত্র ৬ শতাংশ, অর্থাৎ ১২ লক্ষ টাকার ব্যবহার করেছিল তারা। গুজরাতের মোরবি সেতু দুর্ঘটনার পর পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। এতে স্পষ্ট হচ্ছে প্রশাসন ও সংস্কারের দায়িত্বে থাকা সংস্থার গাফিলতি। বিরোধী দলগুলি এ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। মাচ্ছু নদীর উপর নির্মিত এই সেতুটি ১৪৩ বছরের পুরনো। সম্প্রতি সেতুটি ভেঙে পড়ায় অন্ততপক্ষে ১৪১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনায় গুজরাতের বিজেপি সরকার বেকায়দায় পড়েছে। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এমন দুর্ঘটনায় সরকারি গাফিলতির দৃষ্টান্ত প্রকাশ্যে উঠে এসেছে।
পুলিশ জানাচ্ছে, সংস্কারের নামে ব্রিজটিকে সাজানো হয়েছে শুধুমাত্র। রং চড়ানো হয়েছে নতুন করে। একটি পুরনো সেতুর স্বাস্থ্য ফেরাতে যেভাবে সংস্কার প্রয়োজন ছিল তা করা হয়নি মোটেও। এভাবে অভিযোগের তীর বারবার তথাকথিত নির্মাণ সংস্থার দিকেই ঘোরানো হচ্ছে। কিন্তু বিরোধীদের অভিযোগ, একটি ঘড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থা এমন ঐতিহ্যবাহী ব্রিজের সংস্কার করার দায়িত্ব পেল কীভাবে? আর বরাদ্দের বাকি টাকাই বা গেল কোথায়? বিজেপি নেতারা হয়তো ভাগ করে নিয়েছেন!