পুবের কলম, ওয়েব ডেস্কঃ কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি পরমেশ্বর জানিয়েছেন, সরকার অনুমান করেছিল যে ট্রফি উদযাপন দেখতে এক লক্ষ মানুষের জমায়েত হবে স্টেডিয়াম ও আশপাশের এলাকায়। কিন্তু বাস্তবে সেখানে উপস্থিত হন প্রায় ৮ লক্ষ মানুষ। অথচ চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের আসনসংখ্যা মাত্র ৩৫ হাজার।
আরও পড়ুন:
ঘটনার সূত্রপাত হয় রয়াল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু-র ঘোষণার পর।
বেলা ৩টার পরে ক্লাব কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করে, টিকিট ছাড়াই দর্শকরা স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারবেন এবং উৎসবে অংশ নিতে পারবেন। এরপরই দলে দলে মানুষ ভিড় করতে শুরু করেন স্টেডিয়াম ও আশপাশের এলাকায়, যা পরিস্থিতিকে সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যায়। অনুষ্ঠানের আগে কর্ণাটক বিধানসভার বাইরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, উপ-মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপাল দলের খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা দেন। সেখানেও জমায়েত হয় প্রায় এক লক্ষ মানুষ। নিরাপত্তার ঘাটতি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। যখন একসাথে এত মানুষ এক জায়গায় জমা হচ্ছেন, তখন পুলিশ বা প্রশাসন কেন যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি, সেই প্রশ্ন উঠছে। ভিড় যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছিল, তখন কেন সময়মতো হস্তক্ষেপ করা হয়নি, তা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ ও বিশ্লেষকরা।আরও পড়ুন:
ঘটনার পর রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এতগুলো প্রাণহানির দায় কে নেবে, এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রুখতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে—সেই প্রশ্ন এখন কর্ণাটকের জনমানসে ঘুরপাক খাচ্ছে।