কিবরিয়া আনসারী: প্রধানমন্ত্রী মোদির সভায় যোগ দিতে গিয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হল চারজন বিজেপি সমর্থকের। আহত আরও একজন। ঘটনাটি ঘটেছে কৃষ্ণনগর – রানাঘাট শাখার তাহেরপুর থেকে বাদকুল্লা স্টেশনের মাঝামাঝি ঘটনা। মৃতরা হলেন- রামপ্রসাদ ঘোষ (৭৪), শক্তিপদ সূত্রধর (৫৫), গোপিনাথ দাস (৩৫)। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত্যু হয় ভৈরব ঘোষের (৪৭)। মৃত ও আহতরা সকলেই মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।
জানা গিয়েছে, শনিবার রানাঘাটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন মুর্শিদাবাদের চার বিজেপি সমর্থক। ভোরবেলা রেললাইনের ধারে প্রাতঃকৃত্য করার সময় দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ঘন কুয়াশা থাকায় দৃশ্যমানতা কমই ছিল। তাই এত বড় দুর্ঘটনা ঘটে। চারজনেরই বাড়ি মুর্শিদাবাদের বড়ঞা এলাকায়। পুলিশের প্রাথমিক দাবি, সকালে রেললাইনের ধারে প্রাতঃকৃত্য করতে গিয়েই এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। পরে কৃষ্ণনগর জিআরপিকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে। প্রধানমন্ত্রীর সভা শুরুর আগেই এমন এক মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।
মর্মান্তিক মৃত্যুর পর তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে মসড্ডা গ্রামের গোপীনাথ বৈরাগ্যের বাড়িতে যান তৃণমূলের নেতৃত্ব। বড়ঞা ব্লক তৃণমূলের দুই সভাপতি গোলাম মোর্শেদ এবং মাহে আলম মৃত বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে পৌঁছে সাহায্যের আশ্বাস দিলেন। তৃণমূল নেতৃত্ব জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে মৃতদের পবিবারের পাশে রয়েছেন তাঁরা। এর পাশাপাশি সাবলদহ গ্রামে নিহতদের বাড়িতে যান বড়ঞা দক্ষিণের ব্লক তৃণমূল সভাপতি মাহে আলম। তিনিও মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

































