পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে চলমান ইডি তল্লাশির মধ্যেই সেখানে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার দুপুর প্রায় ১২টা নাগাদ তিনি ওই বাড়িতে উপস্থিত হন। মুখ্যমন্ত্রী বললেন, তাঁর দলের নির্বাচনী কৌশলের তথ্য ‘ট্রান্সফার’ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। তাঁর মতে ইডির এই হানা ‘অপরাধ’। রাজ্যে এখন এসআইআরের কাজ চলছে। সেই সংক্রান্ত তথ্যও ‘ট্রান্সফার’ করা হয়েছে বলে অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বলেন, ‘‘আমি যদি বিজেপির পার্টি অফিসে হানা দেওয়াই? সেটা ঠিক হবে?’’
প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দিকেও আঙুল তুলেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ভোটের স্ট্র্যাটেজি ছিনতাই করেছে। আমাদের কাগজ, তথ্য সব লুট করেছে। লড়াই করার সাহস হচ্ছে না, এখন লুট করতে নেমেছে। হার্ড ডিস্ক, অর্থনৈতিক কাগজ, পার্টির কাগজ নিয়ে নিয়েছে। বিজেপির মতো এত বড় ডাকাত দেখিনি। যত ক্ষণ প্রতীক না আসছেন, যত ক্ষণ প্রতীক এসে অফিসে সেট্ল না-করছেন, ততক্ষণ আমি এখানে অপেক্ষা করব।’’
বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের সল্টলেক সেক্টর ফাইভের দফতরে সকালে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। একইসঙ্গে সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাসভবনেও তল্লাশি চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়লাপাচার সংক্রান্ত একটি পুরনো মামলার সূত্র ধরেই এই অভিযান। দিল্লি থেকে বিশেষ তদন্তকারী দল কলকাতায় এসে এই তল্লাশি চালাচ্ছে বলে খবর। আইপ্যাকের দফতর ও কর্ণধারের বাড়িতে ইডির হানার খবরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।



































