০১ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মার্চের মাঝে ওমিক্রন সংক্রমণ কমে যাবে, বলছেন বিজ্ঞানী

কানপুরঃ দেশে বর্তমানের ওমিক্রন সংক্রমণ নিয়ে যখন সর্বত্র আতঙ্কের আবহ, তখন আশার কথা শোনালেন কানপুর আইআইটির অধ্যাপক মনীন্দ্র আগরওয়াল।তিনি বলেছেন, মার্চের মাঝামাঝি থেকে ভারত থেকে ওমিক্রনের ঢেউ চলে যাবে।এর অআগে তিনি করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কখন তুঙ্গে উঠবে সঠিকভাবেই বলে দিয়েছিলেন।এবারও তৃতীয় ঢেউ এমাসের মাঝামাঝি সময়ে যে তুঙ্গে উঠবে তাও তিনি বলেছেন।অধ্যাপক আগরওয়ালা স্বীকার করেছেন, সারা দেশের পুরো তথ্য তাঁদের হাতে পৌঁছয়নি। যতটুকু পেয়েছেন, তার উপর ভিত্তি করে তিনি এই পূর্বাভাস দিচ্ছেন। তিনি বলছেন, একটা সময়ে দেশে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ লক্ষ লোক সংক্রমিত হবেন।সেদিন বেশি দূরে নেই।

কীসের উপর ভিত্তি করে তিনি এই পূর্বাভাস দিচ্ছেন? সেকথাও তিনি অকপটে জানিয়ে বলেছেন, একথা সত্য অতিমারির ভাইরাস দ্রুত চরিত্র বদলায়।কিন্তু কিছু মৌল বৈশিষ্ট্য ওরা এড়িয়ে যেতে পারে না। যেমন, যত বেশি একের থেকে অন্যে সংক্রমণ ছড়াবে তত বেশি ভাইরাস সংবহন হবে।যে মডেলের ভিত্তিতে আমরা পূর্বাভাস করছি সেই এসআইআর মডেল ১০০ বছর আগে তৈরি।তার সঙ্গে কিছু নতুন শর্ত জুড়ে দিয়েছি। আমরা দৈনন্দিন তথ্য থেকে প্যারামিটার তৈরি করে নিই।প্যারামিটার বদলালে সঙ্গে সঙ্গে নতুন করে গণনা করতে হয়। গোড়ায় ভারতে তথ্য সব না পাওয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার তথ্য দিয়ে ক্যালকুলেশন করেছিলাম। কারণ দক্ষিণ আফ্রিকার তথ্যের সঙ্গে ভারতের অনেক মিল রয়েছে।তাছাড়া এই ধরনের ভাইরাসের চরিত্রই হল, যত দ্রুত ছড়ায় তত দ্রুতই সরে যায়।এইসব বিষয়গুলিকে মাথায় রেখে হিসেব করতে হয়।

তিনি বলেছেন, ওমিক্রনের বিপদ যেহেতু তত ভয়াল নয়, তাই এখনই কোথাও লকডাউন করার দরকার নেই। সবকিছু চালু রেখে নিয়ন্ত্রণ এনেই বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।কোভিডে মৃত্যু নিয়ে সরকার কী সংখ্যা কম করে দেখাচ্ছে? এই প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব দেননি।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

যোগী রাজ্যে ফের ধর্ষণের শিকার তেরো বছরের বালিকা, তদন্তে পুলিশ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মার্চের মাঝে ওমিক্রন সংক্রমণ কমে যাবে, বলছেন বিজ্ঞানী

আপডেট : ১১ জানুয়ারী ২০২২, মঙ্গলবার

কানপুরঃ দেশে বর্তমানের ওমিক্রন সংক্রমণ নিয়ে যখন সর্বত্র আতঙ্কের আবহ, তখন আশার কথা শোনালেন কানপুর আইআইটির অধ্যাপক মনীন্দ্র আগরওয়াল।তিনি বলেছেন, মার্চের মাঝামাঝি থেকে ভারত থেকে ওমিক্রনের ঢেউ চলে যাবে।এর অআগে তিনি করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কখন তুঙ্গে উঠবে সঠিকভাবেই বলে দিয়েছিলেন।এবারও তৃতীয় ঢেউ এমাসের মাঝামাঝি সময়ে যে তুঙ্গে উঠবে তাও তিনি বলেছেন।অধ্যাপক আগরওয়ালা স্বীকার করেছেন, সারা দেশের পুরো তথ্য তাঁদের হাতে পৌঁছয়নি। যতটুকু পেয়েছেন, তার উপর ভিত্তি করে তিনি এই পূর্বাভাস দিচ্ছেন। তিনি বলছেন, একটা সময়ে দেশে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ লক্ষ লোক সংক্রমিত হবেন।সেদিন বেশি দূরে নেই।

কীসের উপর ভিত্তি করে তিনি এই পূর্বাভাস দিচ্ছেন? সেকথাও তিনি অকপটে জানিয়ে বলেছেন, একথা সত্য অতিমারির ভাইরাস দ্রুত চরিত্র বদলায়।কিন্তু কিছু মৌল বৈশিষ্ট্য ওরা এড়িয়ে যেতে পারে না। যেমন, যত বেশি একের থেকে অন্যে সংক্রমণ ছড়াবে তত বেশি ভাইরাস সংবহন হবে।যে মডেলের ভিত্তিতে আমরা পূর্বাভাস করছি সেই এসআইআর মডেল ১০০ বছর আগে তৈরি।তার সঙ্গে কিছু নতুন শর্ত জুড়ে দিয়েছি। আমরা দৈনন্দিন তথ্য থেকে প্যারামিটার তৈরি করে নিই।প্যারামিটার বদলালে সঙ্গে সঙ্গে নতুন করে গণনা করতে হয়। গোড়ায় ভারতে তথ্য সব না পাওয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার তথ্য দিয়ে ক্যালকুলেশন করেছিলাম। কারণ দক্ষিণ আফ্রিকার তথ্যের সঙ্গে ভারতের অনেক মিল রয়েছে।তাছাড়া এই ধরনের ভাইরাসের চরিত্রই হল, যত দ্রুত ছড়ায় তত দ্রুতই সরে যায়।এইসব বিষয়গুলিকে মাথায় রেখে হিসেব করতে হয়।

তিনি বলেছেন, ওমিক্রনের বিপদ যেহেতু তত ভয়াল নয়, তাই এখনই কোথাও লকডাউন করার দরকার নেই। সবকিছু চালু রেখে নিয়ন্ত্রণ এনেই বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।কোভিডে মৃত্যু নিয়ে সরকার কী সংখ্যা কম করে দেখাচ্ছে? এই প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব দেননি।