০৫ মার্চ ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেজরিওয়ালের বাসভবনের সামনে বেতনের জন্য ইমামদের বিক্ষোভ

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ দিল্লি ওয়াকফ বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত বহু মসজিদের ইমাম মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখান। গত  কয়েক মাস ধরে তাদের বেতন দিচ্ছে না দিল্লি সরকার ,  দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে সেই ঘটনার প্রতিবাদ করলেন  তারা। ইমামদের এক প্রতিনিধি বলেন,  তাঁরা এখানে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ করছেন কারণ তারা চান তাদের আওয়াজ শুনুক সরকার।

 

আরও পড়ুন: এসআইআরের হয়রানির প্রতিবাদে জয়নগরের বামনের চকে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ এলাকার মানুষ

গত সপ্তাহে ইমাম এবং মসজিদের মুয়াজ্জিনরা কেজরিওয়াল সরকারকে সতর্ক করে বলেছিলেন যে গত পাঁচ মাসের বকেয়া বেতন যদি তারা না পান তাহলে কেজরিওয়ালের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাবেন। ওয়াকফ বোর্ডের কিছু কর্মী জানিয়েছেন তাদের বেতন বকেয়া পড়েছে কারণ রাজস্ব বিভাগ তাদের অনুদান বন্ধ করে দিয়েছে। দিল্লি সরকার ওয়াকফ বোর্ডকে কোনও অনুদান দিচ্ছে না। ওয়াকফ বোর্ডের সব কাজকর্ম আটকে গেছে অর্থের অভাবে।

আরও পড়ুন: ভেনেজুয়েলায় মার্কিন আগ্রাসনের প্রতিবাদে দশ দলের সভা, মোদী সরকারের নীরবতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা

 

আরও পড়ুন: Khyber Pakhtunkhwa: চিনা জেট থেকে বোমা হামলা,পাকিস্তানে ৩০ নিহত

দিল্লি ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান আমানাতুল্লাহ খান অফিসে আসা বন্ধ করে দিয়েছেন। এই বিষয়ে ওয়াকফ বোর্ডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিশার মুহাম্মদ রেহান রেজা কোনও মন্তব্য করতে চাননি। আমানাতুল্লাহ খানের বক্তব্য হল বিভিন্ন তদন্ত এজেন্সি ওয়াকফ বোর্ডের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার পর থেকেই ওয়াকফ বোর্ডের অবস্থা খারাপ হয়েছে।

 

দিল্লির উপ রাজ্যপাল ভিকে সাক্সেনা সিবিআইকে অনুমতি দিয়েছেন ওয়াকফের দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করতে। তদন্তকারী এজেন্সিগুলি  দাবি করেছে ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান আমানাতুল্লাহ খানকে তাঁর পদ থেকে না সরালে তদন্ত ঠিকভাবে করতে পারা যাচ্ছে না। এই টানাপোড়েনের মাঝে বেতন পাচ্ছেন না বেচারি মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনরা।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

পরিকল্পিতভাবে মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, বড়মার প্রয়াণ দিবসে মতুয়া আবেগে বিজেপিকে নিশানা মমতার

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কেজরিওয়ালের বাসভবনের সামনে বেতনের জন্য ইমামদের বিক্ষোভ

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২২, মঙ্গলবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ দিল্লি ওয়াকফ বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত বহু মসজিদের ইমাম মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখান। গত  কয়েক মাস ধরে তাদের বেতন দিচ্ছে না দিল্লি সরকার ,  দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে সেই ঘটনার প্রতিবাদ করলেন  তারা। ইমামদের এক প্রতিনিধি বলেন,  তাঁরা এখানে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ করছেন কারণ তারা চান তাদের আওয়াজ শুনুক সরকার।

 

আরও পড়ুন: এসআইআরের হয়রানির প্রতিবাদে জয়নগরের বামনের চকে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ এলাকার মানুষ

গত সপ্তাহে ইমাম এবং মসজিদের মুয়াজ্জিনরা কেজরিওয়াল সরকারকে সতর্ক করে বলেছিলেন যে গত পাঁচ মাসের বকেয়া বেতন যদি তারা না পান তাহলে কেজরিওয়ালের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাবেন। ওয়াকফ বোর্ডের কিছু কর্মী জানিয়েছেন তাদের বেতন বকেয়া পড়েছে কারণ রাজস্ব বিভাগ তাদের অনুদান বন্ধ করে দিয়েছে। দিল্লি সরকার ওয়াকফ বোর্ডকে কোনও অনুদান দিচ্ছে না। ওয়াকফ বোর্ডের সব কাজকর্ম আটকে গেছে অর্থের অভাবে।

আরও পড়ুন: ভেনেজুয়েলায় মার্কিন আগ্রাসনের প্রতিবাদে দশ দলের সভা, মোদী সরকারের নীরবতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা

 

আরও পড়ুন: Khyber Pakhtunkhwa: চিনা জেট থেকে বোমা হামলা,পাকিস্তানে ৩০ নিহত

দিল্লি ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান আমানাতুল্লাহ খান অফিসে আসা বন্ধ করে দিয়েছেন। এই বিষয়ে ওয়াকফ বোর্ডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিশার মুহাম্মদ রেহান রেজা কোনও মন্তব্য করতে চাননি। আমানাতুল্লাহ খানের বক্তব্য হল বিভিন্ন তদন্ত এজেন্সি ওয়াকফ বোর্ডের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার পর থেকেই ওয়াকফ বোর্ডের অবস্থা খারাপ হয়েছে।

 

দিল্লির উপ রাজ্যপাল ভিকে সাক্সেনা সিবিআইকে অনুমতি দিয়েছেন ওয়াকফের দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করতে। তদন্তকারী এজেন্সিগুলি  দাবি করেছে ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান আমানাতুল্লাহ খানকে তাঁর পদ থেকে না সরালে তদন্ত ঠিকভাবে করতে পারা যাচ্ছে না। এই টানাপোড়েনের মাঝে বেতন পাচ্ছেন না বেচারি মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনরা।