১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভূমিকম্প কবলিত তুরস্ক-সিরিয়ায় লক্ষ লক্ষ শিশুর খাদ্য ও গরম কাপড় প্রয়োজন

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: তুরস্ক ও সিরিয়ার ভূমিকম্প কবলিত অঞ্চলগুলিতে লক্ষ লক্ষ শিশুর জরুরি ভিত্তিতে খাদ্য, আশ্রয় ও গরম কাপড় প্রয়োজন বলে জানিয়েছে ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’। সোমবারের ভূমিকম্পে দুই দেশের সীমান্তবর্তী বাড়িঘর, ভবন, ঐতিহাসিক স্থাপত্যসহ সবকিছু মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। শিশুদের দাতব্য সংস্থাটি বলেছে, তারা ওই এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে রেশনিং করে খাবার এবং তাঁবু বিতরণ শুরু করেছে। ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’ সিরিয়ার পরিচালক ক্যাথ্রিন আচিলস বলেন, উত্তরপশ্চিম সিরিয়াজুড়ে পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যা বিশ্বে এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি। পরিবারের সদস্যদের থেকে শুরু করে বাড়িঘর, খাদ্য, সাফ পানি- সবই হারিয়েছে তারা। প্রতিটি শিশু এমন এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, রাষ্ট্রসংঘের পাঠানো প্রথম ট্রাকের চালান এরই মধ্যে তারা পেয়েছেন। কিন্তু এখন যে চাহিদা দেখা দিয়েছে তা এই ত্রাণের চেয়ে অনেক অনেক বেশি।

আরও পড়ুন: শিশুদের ‘অ্যালমন্ট-কিড সিরাপ’ ব্যবহার বন্ধ করল তেলেঙ্গানা সরকার
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন আগ্রাসনের প্রতিবাদে দশ দলের সভা, মোদী সরকারের নীরবতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ভূমিকম্প কবলিত তুরস্ক-সিরিয়ায় লক্ষ লক্ষ শিশুর খাদ্য ও গরম কাপড় প্রয়োজন

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, শুক্রবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: তুরস্ক ও সিরিয়ার ভূমিকম্প কবলিত অঞ্চলগুলিতে লক্ষ লক্ষ শিশুর জরুরি ভিত্তিতে খাদ্য, আশ্রয় ও গরম কাপড় প্রয়োজন বলে জানিয়েছে ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’। সোমবারের ভূমিকম্পে দুই দেশের সীমান্তবর্তী বাড়িঘর, ভবন, ঐতিহাসিক স্থাপত্যসহ সবকিছু মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। শিশুদের দাতব্য সংস্থাটি বলেছে, তারা ওই এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে রেশনিং করে খাবার এবং তাঁবু বিতরণ শুরু করেছে। ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’ সিরিয়ার পরিচালক ক্যাথ্রিন আচিলস বলেন, উত্তরপশ্চিম সিরিয়াজুড়ে পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যা বিশ্বে এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি। পরিবারের সদস্যদের থেকে শুরু করে বাড়িঘর, খাদ্য, সাফ পানি- সবই হারিয়েছে তারা। প্রতিটি শিশু এমন এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, রাষ্ট্রসংঘের পাঠানো প্রথম ট্রাকের চালান এরই মধ্যে তারা পেয়েছেন। কিন্তু এখন যে চাহিদা দেখা দিয়েছে তা এই ত্রাণের চেয়ে অনেক অনেক বেশি।

আরও পড়ুন: শিশুদের ‘অ্যালমন্ট-কিড সিরাপ’ ব্যবহার বন্ধ করল তেলেঙ্গানা সরকার