০২ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ১৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিগন্যালের ত্রুটিতেই দুর্ঘটনার কবলে করমণ্ডল এক্সপ্রেস, প্রাথমিক তদন্তে মনে করছে রেল

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: ওড়িশার বালেশ্বরে করমণ্ডল এক্সপ্রেস  দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এল সিগন্যালের ত্রুটি। রেলের তরফে একটি যৌথ পরিদর্শন রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। ওই যৌথ রিপোর্টে সিগন্যালের ত্রুটির কথাই বলছেন রেল আধিকারিকেরা। বিস্তারিত তদন্তের পর দুর্ঘটনার কারণ আরও স্পষ্ট হবে।

যৌথ পরিদর্শন রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘‘আপ মেন লাইনে সবুজ সিগন্যাল দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ট্রেনটি সেই লাইনে ঢোকেইনি। ট্রেন ঢুকেছিল লুপ লাইনে। সেখানে আগে থেকে একটি মালগাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। তার সঙ্গে সংঘর্ষে করমণ্ডল এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হয়।’’ রিপোর্টে আরও দাবি, ‘‘এর মাঝে ডাউন লাইন দিয়ে বালেশ্বরের দিকে যাচ্ছিল বেঙ্গালুরু-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস। সেই ট্রেনের দু’টি বগি লাইনচ্যুত হয়।’’ কিন্তু মেন লাইনে সবুজ সিগন্যাল পাওয়া সত্ত্বেও করমণ্ডল এক্সপ্রেস কী ভাবে লুপ লাইনে ঢুকে পড়ল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

শুক্রবার সন্ধ্যার এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে রেল, আহতের সংখ্যা ১০০০-এর বেশি। উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হয়েছে বলেই দাবি রেল সূত্রে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার কাজ চলছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাওয়া ট্রেনের বগি সরিয়ে, লাইন সারিয়ে  কবে পরিষেবা স্বাভাবিক হবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। দক্ষিণ ভারতগামী বহু ট্রেন এই দুর্ঘটনার জেরে বাতিল হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

নেতানিয়াহুর শাসন পছন্দ নয়! এক বছরে ইসরাইল ছেড়েছেন প্রায় ৭০ হাজার ইহুদি

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সিগন্যালের ত্রুটিতেই দুর্ঘটনার কবলে করমণ্ডল এক্সপ্রেস, প্রাথমিক তদন্তে মনে করছে রেল

আপডেট : ৩ জুন ২০২৩, শনিবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: ওড়িশার বালেশ্বরে করমণ্ডল এক্সপ্রেস  দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এল সিগন্যালের ত্রুটি। রেলের তরফে একটি যৌথ পরিদর্শন রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। ওই যৌথ রিপোর্টে সিগন্যালের ত্রুটির কথাই বলছেন রেল আধিকারিকেরা। বিস্তারিত তদন্তের পর দুর্ঘটনার কারণ আরও স্পষ্ট হবে।

যৌথ পরিদর্শন রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘‘আপ মেন লাইনে সবুজ সিগন্যাল দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ট্রেনটি সেই লাইনে ঢোকেইনি। ট্রেন ঢুকেছিল লুপ লাইনে। সেখানে আগে থেকে একটি মালগাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। তার সঙ্গে সংঘর্ষে করমণ্ডল এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হয়।’’ রিপোর্টে আরও দাবি, ‘‘এর মাঝে ডাউন লাইন দিয়ে বালেশ্বরের দিকে যাচ্ছিল বেঙ্গালুরু-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস। সেই ট্রেনের দু’টি বগি লাইনচ্যুত হয়।’’ কিন্তু মেন লাইনে সবুজ সিগন্যাল পাওয়া সত্ত্বেও করমণ্ডল এক্সপ্রেস কী ভাবে লুপ লাইনে ঢুকে পড়ল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

শুক্রবার সন্ধ্যার এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে রেল, আহতের সংখ্যা ১০০০-এর বেশি। উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হয়েছে বলেই দাবি রেল সূত্রে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার কাজ চলছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাওয়া ট্রেনের বগি সরিয়ে, লাইন সারিয়ে  কবে পরিষেবা স্বাভাবিক হবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। দক্ষিণ ভারতগামী বহু ট্রেন এই দুর্ঘটনার জেরে বাতিল হয়েছে।