০২ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ১৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৫১ ঘণ্টা কাজের পর বালেশ্বর শাখার ডাউন লাইনে চলল ট্রেন

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: ভয়াবহ করমন্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার ৫১ ঘণ্টা পরে প্রথম ট্রেন চলল ওড়িশার বালেশ্বরের বাহানগা রেল স্টেশনের সেই অভিশপ্ত লাইনে। প্রথমে ডাউন লাইনে খুব ধীর গতিতে একটি মালগাড়ি বেরিয়ে যায়। সেইসময় ভারতীয় রেলের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে লাইনের পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। কোনওরকম গোলযোগ ছাড়াই ডাউন লাইন দিয়ে ওই মালগাড়ি যাওয়ার পর ট্রেনটির উদ্দেশে হাত নাড়েন তিনি। সেইসঙ্গে অভিশপ্ত ট্র্যাককে হাতজোড় করে প্রণাম করেন। আকাশের দিকে তাকিয়ে ঈশ্বরকেও ধন্যবাদ জানাতে দেখা যায় তাঁকে।

শনিবার দুপুর থেকে লাইনের কাজ শুরু করে রেল কর্তৃপক্ষ। খোদ রেলমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে প্রায় ১,০০০ জন শ্রমিক যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালিয়ে যান। সকালে প্রথমে ডাউন লাইন ঠিক করা হয়। সন্ধ্যার দিকে আপ লাইনও ঠিক করে ফেলেন শ্রমিকরা। তারপর রাত ১০ টা নাগাদ ডাউন লাইনে মালগাড়ি চালিয়ে ট্রায়াল দেওয়া হয়।

রেলমন্ত্রী যেন শেষ ৫১ ঘণ্টায় রেলের সাধারণ কর্মীদের সহকর্মী হয়ে উঠেছিলেন। ডাউন লাইনে ট্রায়াল রানে সাফল্যের পর রেলের কর্তা এবং শ্রমিকদের পেপটক দেন রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সবাই খুব ভালো কাজ করেছেন। পুরো টিম খুব ভালো কাজ করেছে। যা হয়েছে, সেজন্য আমরা দুঃখিত। যাঁরা পরিজনদের হারিয়েছেন, তাঁদের জন্য শোকাহত আমরা। কিন্তু আমাদের দুর্ঘটনার মূল কারণে পৌঁছাতে হবে। দোষীদের কঠোরতম শাস্তি দিতে হবে। আপনাদের সবাইকে অভিনন্দন। যে দ্রুততার সঙ্গে আপনারা কাজ করেছেন, সে জন্য পুরো টিমকে ধন্যবাদ।’

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

জেলবন্দী উমর খালিদকে চিঠি লিখলেন নিউ ইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

৫১ ঘণ্টা কাজের পর বালেশ্বর শাখার ডাউন লাইনে চলল ট্রেন

আপডেট : ৫ জুন ২০২৩, সোমবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: ভয়াবহ করমন্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার ৫১ ঘণ্টা পরে প্রথম ট্রেন চলল ওড়িশার বালেশ্বরের বাহানগা রেল স্টেশনের সেই অভিশপ্ত লাইনে। প্রথমে ডাউন লাইনে খুব ধীর গতিতে একটি মালগাড়ি বেরিয়ে যায়। সেইসময় ভারতীয় রেলের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে লাইনের পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। কোনওরকম গোলযোগ ছাড়াই ডাউন লাইন দিয়ে ওই মালগাড়ি যাওয়ার পর ট্রেনটির উদ্দেশে হাত নাড়েন তিনি। সেইসঙ্গে অভিশপ্ত ট্র্যাককে হাতজোড় করে প্রণাম করেন। আকাশের দিকে তাকিয়ে ঈশ্বরকেও ধন্যবাদ জানাতে দেখা যায় তাঁকে।

শনিবার দুপুর থেকে লাইনের কাজ শুরু করে রেল কর্তৃপক্ষ। খোদ রেলমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে প্রায় ১,০০০ জন শ্রমিক যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালিয়ে যান। সকালে প্রথমে ডাউন লাইন ঠিক করা হয়। সন্ধ্যার দিকে আপ লাইনও ঠিক করে ফেলেন শ্রমিকরা। তারপর রাত ১০ টা নাগাদ ডাউন লাইনে মালগাড়ি চালিয়ে ট্রায়াল দেওয়া হয়।

রেলমন্ত্রী যেন শেষ ৫১ ঘণ্টায় রেলের সাধারণ কর্মীদের সহকর্মী হয়ে উঠেছিলেন। ডাউন লাইনে ট্রায়াল রানে সাফল্যের পর রেলের কর্তা এবং শ্রমিকদের পেপটক দেন রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সবাই খুব ভালো কাজ করেছেন। পুরো টিম খুব ভালো কাজ করেছে। যা হয়েছে, সেজন্য আমরা দুঃখিত। যাঁরা পরিজনদের হারিয়েছেন, তাঁদের জন্য শোকাহত আমরা। কিন্তু আমাদের দুর্ঘটনার মূল কারণে পৌঁছাতে হবে। দোষীদের কঠোরতম শাস্তি দিতে হবে। আপনাদের সবাইকে অভিনন্দন। যে দ্রুততার সঙ্গে আপনারা কাজ করেছেন, সে জন্য পুরো টিমকে ধন্যবাদ।’