‘ত্রিপুরায় যা চলছে– যেভাবে– আমাদের নেতাদের প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হচ্ছে– খুনের রাজনীতি চলছে– তাতে আতঙ্কের উপত্যকায় পরিণত হয়েছে ত্রিপুরা। ওদের কোনও জনভিত্তি নেই। ত্রিপুরায় বিজেপির একাধিক বিধায়ক তাঁদের মুখ্যমন্ত্রীর উপর অসন্তুষ্ট’।-ব্রাত্য বসু।
পুবের কলম প্রতিবেদক: ‘ দলমত নির্বিশেষে সমস্ত বিধায়ক-সাংসদ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উন্নয়নমূলক কাজের সমর্থন করুন– তাঁর পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। সকলে এগিয়ে আসুন। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর হাত শক্ত করুন’। সোমবার গেরুয়া শিবির ছেড়ে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিয়ে ঠিক এভাবেই রাজ্যের সমস্ত বিরোধী দলের নেতা– বিধায়ক এবং সাংসদকে তৃণমূলে আসার আহ্বান জানান বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের সদ্য নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। এদিন রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর হাত থেকে তৃণমূলের দলীয় পতাকা তুলে নেওয়ার পর তন্ময় ঘোষ বলেন– ‘বর্তমানে আমরা দেখছি– সারা বাংলাজুড়ে প্রতিহিংসামূলক রাজনীতি চলছে। কিছুদিন আগে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনেও দেখা গিয়েছে বিজেপি জোরপূর্বক বাংলা দখলের চেষ্টা করছে। বাংলার ঐতিহ্যকে নষ্ট করছে এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে কাজে লাগিয়ে– সকলকে ভয় দেখিয়ে বাঙালিদের অধিকারে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে। আমাদের বাংলার ঐতিহ্যকে নষ্ট করছে।’

তন্ময় ঘোষের এই মন্তবকে সমর্থন করে ব্রাত্য বসু বলেন– ‘রাজনীতিতে না পেরে অন্য উপায়ে যেভাবে কোণঠাসা করার চেষ্টা করছে বিজেপি তাতে মনে হচ্ছে বিজেপি বাঙালি বা বাংলাকে ছোট করার চেষ্টা করছে।
এদিন বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির ‘অব কী বার দোশো পার’ স্লোগানের পেছনের যে সারবত্তা কিছুই ছিল না সেপ্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন তন্ময় ঘোষ। তিনি বলেন– ‘আমি ভারতীয় জনতা পার্টিতে যতদিন ছিলাম– দেখলাম– ওদের বুথস্তরে কোনও কিছু নেই। যা বলা হয়েছে– সেটা ওপর মহল থেকে ফাঁকা আওয়াজ। কাজের নামে কিছু নেই। সেই হিসাবে দুশো পাওয়া যাবে না এটা ওরা নিজেরাও বুঝে গিয়েছিল। যে যার নিজের কৃতিত্বে জিতেছে– এতে দলের কোনও কৃতিত্ব নেই।’ একইসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর থেকে দলের অন্যান্য নেতাদের কোনও ধরণের সহযোগিতা না পাওয়ার বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন–’আমিও এধরণের অভিযোগ শুনেছি যে– তিনি বিজেপি বিধায়কদের ফোন তোলেন না– কোনওরকম সহযোগিতা করেন না। আমার কখনও প্রয়োজন পড়েনি ওনার(শুভেন্দুর) সঙ্গে যোগাযোগ করার। আমি আমার নিজের বিধানসভায় নিজের মতো তিন মাস কাজ করেছি। ওনার সমর্থন নেওয়ারও প্রয়োজন মনে করিনি– দেওয়ারও প্রয়োজন মনে করিনি।’
























