০২ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ১৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কল সেন্টারের আড়ালে ভুয়ো ডেটিং চক্রের হদিশ কলকাতায়, পুলিশি হানায় গ্রেফতার ১৬

প্রতিকি ছবি

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: কল সেন্টারের আড়ালে ভুয়ো ডেটিং চক্রের হদিশ মিলল যাদবপুর ও কসবায়। গুন্ডা দমন শাখার পুলিশ হানা দিয়ে ১৬ জনকে গ্রেফতার করে। চক্রের মূল পান্ডা কৌশিক ভৌমিক, সাগর পাত্র ও শৈলেন মাইতিকে রাজডাঙা এলাকার একটি শপিংমল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের জেরা করে কসবা থেকে আরও ৮ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সোমবার রাতে যাদবপুরের পোদ্দার নগর এলাকায় হাতে দেয় পুলিশ।

 

জানা গিয়েছে, মহিলাদের সঙ্গে ডেটিং করানোর নামে ফোন করা হত গ্রাহকদের। তারপর মহিলার ছবি পাঠানো হত। পছন্দ হলে ওই মহিলার সাথে ডেটিংয়ের ব্যবস্থা করত কল সেন্টারটি। গ্রাহকের সুবিধা মত দিন ও সময় ঠিক করা হত। সেমত হোটেল ও রিসর্ট বুকিং করত সংস্থাটি। মহিলার সঙ্গে কতক্ষণ সময় কাটাবেন তার উপর টাকা ধার্য করা হত। সব টাকাই আগাম অনলাইনে পেমেন্ট করতে হত। টাকা মিটিয়ে দেওয়ার পর কোনও পরিষেবাই দিত না সংস্থাটি।

 

পুলিশ সূত্রে খবর, নির্ধারিত দিনে সেই হোটেল ও রিসর্টে গেলে গ্রাহকরা জানতে পারেন তাদের নামে কোনও রুম বুকিং নেই। পরক্ষণে বুঝতে পারেন প্রতারণার শিকার হয়েছেন। মানসম্মানের ভয়ে কোনও অভিযোগ করতেন না। তাই প্রতারকরাও নির্ভয়ে এই চক্র চালিয়ে যাচ্ছিল।

সর্বধিক পাঠিত

ধর্ষণের চেষ্টা প্রতিহত করতে ব্যক্তিকে খুন, উত্তরপ্রদেশে গ্রেফতার ১৮ বছরের তরুণী

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কল সেন্টারের আড়ালে ভুয়ো ডেটিং চক্রের হদিশ কলকাতায়, পুলিশি হানায় গ্রেফতার ১৬

আপডেট : ২ অগাস্ট ২০২৩, বুধবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: কল সেন্টারের আড়ালে ভুয়ো ডেটিং চক্রের হদিশ মিলল যাদবপুর ও কসবায়। গুন্ডা দমন শাখার পুলিশ হানা দিয়ে ১৬ জনকে গ্রেফতার করে। চক্রের মূল পান্ডা কৌশিক ভৌমিক, সাগর পাত্র ও শৈলেন মাইতিকে রাজডাঙা এলাকার একটি শপিংমল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের জেরা করে কসবা থেকে আরও ৮ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সোমবার রাতে যাদবপুরের পোদ্দার নগর এলাকায় হাতে দেয় পুলিশ।

 

জানা গিয়েছে, মহিলাদের সঙ্গে ডেটিং করানোর নামে ফোন করা হত গ্রাহকদের। তারপর মহিলার ছবি পাঠানো হত। পছন্দ হলে ওই মহিলার সাথে ডেটিংয়ের ব্যবস্থা করত কল সেন্টারটি। গ্রাহকের সুবিধা মত দিন ও সময় ঠিক করা হত। সেমত হোটেল ও রিসর্ট বুকিং করত সংস্থাটি। মহিলার সঙ্গে কতক্ষণ সময় কাটাবেন তার উপর টাকা ধার্য করা হত। সব টাকাই আগাম অনলাইনে পেমেন্ট করতে হত। টাকা মিটিয়ে দেওয়ার পর কোনও পরিষেবাই দিত না সংস্থাটি।

 

পুলিশ সূত্রে খবর, নির্ধারিত দিনে সেই হোটেল ও রিসর্টে গেলে গ্রাহকরা জানতে পারেন তাদের নামে কোনও রুম বুকিং নেই। পরক্ষণে বুঝতে পারেন প্রতারণার শিকার হয়েছেন। মানসম্মানের ভয়ে কোনও অভিযোগ করতেন না। তাই প্রতারকরাও নির্ভয়ে এই চক্র চালিয়ে যাচ্ছিল।