০৭ জানুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আফগানিস্তানে মসজিদে বিস্ফোরণ, নিহত কমপক্ষে ৫০, আহত বহু

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ আফগানিস্তানের কুন্দুস প্রদেশে এক শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ। ঘটনায় কমপক্ষে প্রাণহানি ঘটেছে ৫০ জনের। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শুক্রবার জুম্মার নামাযের দিন আফগান শহরের শিয়া মসজিদে বোমা বিস্ফোরণকে কেন্দ্র করে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

এমএসএফ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসকের কথায়, হাসপাতালে এখনও পর্যন্ত ৯০ জনকে জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ১৫ জনের বেশি মৃতদেহ পেয়েছি। তবে হতা-হতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

তালিবান মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেন, শিয়া মসজিদে বিস্ফোরণে বহু মানুষ নিহত ও আহত হয়েছে।

এখনও পর্যন্ত এই ঘটনার কেউ দায় স্বীকার করেনি।  

জলমাই অলোকজাই বলে এক স্থানীয় ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, এই ঘটনার পরেই রক্তদানে প্রয়োজন আছে কিনা তা জানতে স্থানীয় হাসপাতালে ছুটে যান। তিনি বলেন,’আমি নিজে দেখেছি প্রায় ৪০টি মৃতদেহকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। অ্যাম্বুলেন্স করে দেহগুলি নিয়ে আসা হচ্ছিল। এ এক ভয়ঙ্কর অবস্থা। চোখে দেখা যায় না। চারদিকে শুধু রক্ত আর হাহাকার।






 




 


 




সর্বধিক পাঠিত

মাঝরাতে মসজিদ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে দিল্লিতে সংঘর্ষ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আফগানিস্তানে মসজিদে বিস্ফোরণ, নিহত কমপক্ষে ৫০, আহত বহু

আপডেট : ৮ অক্টোবর ২০২১, শুক্রবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ আফগানিস্তানের কুন্দুস প্রদেশে এক শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ। ঘটনায় কমপক্ষে প্রাণহানি ঘটেছে ৫০ জনের। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শুক্রবার জুম্মার নামাযের দিন আফগান শহরের শিয়া মসজিদে বোমা বিস্ফোরণকে কেন্দ্র করে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

এমএসএফ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসকের কথায়, হাসপাতালে এখনও পর্যন্ত ৯০ জনকে জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ১৫ জনের বেশি মৃতদেহ পেয়েছি। তবে হতা-হতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

তালিবান মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেন, শিয়া মসজিদে বিস্ফোরণে বহু মানুষ নিহত ও আহত হয়েছে।

এখনও পর্যন্ত এই ঘটনার কেউ দায় স্বীকার করেনি।  

জলমাই অলোকজাই বলে এক স্থানীয় ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, এই ঘটনার পরেই রক্তদানে প্রয়োজন আছে কিনা তা জানতে স্থানীয় হাসপাতালে ছুটে যান। তিনি বলেন,’আমি নিজে দেখেছি প্রায় ৪০টি মৃতদেহকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। অ্যাম্বুলেন্স করে দেহগুলি নিয়ে আসা হচ্ছিল। এ এক ভয়ঙ্কর অবস্থা। চোখে দেখা যায় না। চারদিকে শুধু রক্ত আর হাহাকার।