পুবের কলম প্রতিবেদকঃ অনেক স্বপ্ন নিয়ে কলকাতার কনভেনশন সেন্টারের আদলে দিঘায় কনভেনশন সেন্টার তৈরি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। যেখানে বিশাল বড় কনভেনশন সেন্টার তার লাগোয়া কনফারেন্স হল হোটেল আরও কত কি! উদ্বোধন হলেও এই কনভেনশন সেন্টার পূর্ণতা পায়নি সেখানে তৈরি হওয়া হোটেল চালু না হওয়ার কারণে।
আরও পড়ুন:
এর চেয়ে বড় কথা দেশ-বিদেশের বহু পর্যটকরা এখানে এলেও থ্রি-স্টার ফ্যাসিলিটি যুক্ত হোটেল এখনো পর্যন্ত দিঘায় নেই বললেই চলে। আর রাজ্য সরকার এবং পার্ক কর্তৃপক্ষের যৌথ ব্যবস্থাপনায় তা বাস্তবায়িত হতে চলেছে।
রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ৩০ বছরের জন্য পার্ক কর্তৃপক্ষকে এই কনভেনশন সেন্টার লিজে দেওয়া হয়েছে। তারা আগামীদিনে অত্যাধুনিক পরিষেবা সম্পন্ন একটি হোটেল গড়ে তুলবে এখানে আর যা হতে চলেছে দিঘার পর্যটন মানচিত্রে একটা বড় প্রাপ্তি।আরও পড়ুন:
শুক্রবার দিঘা শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের তরফ থেকে এই কনভেনশন সেন্টারটি ঘুরিয়ে দেখানো হয় সাংবাদিকদের সেখানে দিঘা শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের এক্সিকিউটিভ অফিসার মানস কুমার মন্ডল জানান, দিঘা অন্যতম সেরা আকর্ষণ এই কনভেনশন সেন্টার।
আরও পড়ুন:
আগামী দিনে এটাই হতে চলেছে রাজ্য-দেশ তথা আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য প্রধান আকর্ষণের কেন্দ্র।
আরও পড়ুন:
এদিন এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, এই হোটেলটি রেডি হয়ে গেলে বিদেশ থেকে আসা পর্যটকরাও সেখানে থাকতে পারবেন।
স্টার কেটাগরির ফেসিলিটি-সহ এখানে রয়েছে ৬৫ টি ঘর। খুব সুন্দর সুইমিংপুল, পার্কিং রয়েছে লাগোয়া কনফারেন্স রুম এবং বিশাল একটি কনফারেন্স হল যেখানে ৯৬২ জন একসঙ্গে বসে মিটিং করতে পারবে। তিনি আরো বলেন, ইতিমধ্যেই এটি দিঘার অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর থেকে বহু গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক কনফারেন্স এখানে হয়েছে আগামী দিনে এটি পার্ক গোষ্ঠীর হাতে দিয়ে দেওয়া হলেও সরকারি যে কোন কর্মসূচির জন্য এটি ব্যবহার করা যাবে।এদিন কনভেনশন সেন্টারের পাশাপাশি ভ্রমণপিপাসু মানুষদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ঢেউসাগর, ওসিয়ানা বিচ, নেচার ট্রেইল পার্ক ঘুরে দেখান তিনি।
দিনে দিনে দিঘা যে পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে তাও তিনি জানিয়েছেন।আরও পড়ুন:
কোভিডের কারণে গত দুবছর দিঘায় পর্যটন ব্যবসা কিছুটা মার খেলেও, এবার পুজোয় বহু পর্যটক এখানে আসছে। পুজোর আগে অধিকাংশ হোটেল বুকড। তার কথায় বাঙালির প্রিয় দিঘা এখন শুধু বাঙালির নয়, গোটা দেশের কাছে আকর্ষণের বস্তু। আমরা চেষ্টা করছি দিঘায়, উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে। সেই ধারা বজায় রাখতে গিয়ে বিগত সময়ে প্রচুর কাজ হয়েছে। আগামী দিনে আরো কাজ চলছে।