২৩ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুর্নীতির সিবিআই তদন্ত চেয়ে সাংবাদিক বৈঠক বেঙ্গল মাদ্রাসা এডুকেশন ফোরামের

দেবশ্রী মজুমদার, রামপুরহাট: বীরভূম জেলার বিভিন্ন সরকার পোষিত মাদ্রাসায় পরিচালন সমিতির অবৈধ শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীর নিয়োগ বাতিলের প্রেক্ষিতে রামপুরহাট এইচ এম বি হাইমাদ্রাসায় সাংবাদিক বৈঠক করলো বেঙ্গল মাদ্রাসা এডুকেশন ফোরামের বীরভূম জেলা শাখা।

দুর্নীতির সিবিআই তদন্ত চেয়ে সাংবাদিক বৈঠক বেঙ্গল মাদ্রাসা এডুকেশন ফোরামের

এই অরাজনৈতিক সংগঠনের জেলা সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল জানান, তেইশ সালের দুই ফেব্রুয়ারি দেশের সর্বোচ্চ আদালত আটাত্তরটি মাদ্রাসার পাঁচশ পঁচাত্তর জনের চাকরি অবৈধ বলে ঘোষণা করে। তার মধ‍্যে বীরভূমের ভেড়ামারি, মেটেকোনা, মাড়গ্রাম সহ মোট পাঁচটি মাদ্রাসার মোট আটত্রিশ জন আছেন। সর্বোচ্চ আদালত একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি দিয়ে তদন্ত করে দেখে যে এই নিয়োগ পুরোপুরি অবৈধ। কারণসহ মাদ্রাসা কমিশনের পোর্টালে তার উল্লেখ করা আছে।

পরিচালন সমিতির সেক্রেটারি বা প্রধান শিক্ষকেরা অর্থের বিনিময়ে স্বজনপোষণ করে চাকরি গুলো বিলি করেছেন। সংগঠনের দাবি, মাদ্রাসা কমিশন, সংশ্লিষ্ট বিভাগ তদন্ত করে দেখুক, এই ব‍্যাপক দুর্নীতির পেছনে বড়ো মাথা কে? প্রয়োজনে সিবিআই বা ইডি দিয়ে তদন্ত করে আর্থিক লেনদেন সহ এই দুর্নীতির তদন্ত হোক।

পাশাপাশি, বেকার যুবক যুবতীদের বলবো, পরিচালন সমিতির খপ্পরে যেন তারা না পড়েন। তাহলে তাদের ভুগতে হবে। জানা গেছে, মাড়গ্রামেই ষোলোজনকে এভাবেই অবৈধ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

শুনানিতে অনুপস্থিত তিন লক্ষ ‘নো-ম্যাপিং’ ভোটার, নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দুর্নীতির সিবিআই তদন্ত চেয়ে সাংবাদিক বৈঠক বেঙ্গল মাদ্রাসা এডুকেশন ফোরামের

আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০২৪, শনিবার

দেবশ্রী মজুমদার, রামপুরহাট: বীরভূম জেলার বিভিন্ন সরকার পোষিত মাদ্রাসায় পরিচালন সমিতির অবৈধ শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীর নিয়োগ বাতিলের প্রেক্ষিতে রামপুরহাট এইচ এম বি হাইমাদ্রাসায় সাংবাদিক বৈঠক করলো বেঙ্গল মাদ্রাসা এডুকেশন ফোরামের বীরভূম জেলা শাখা।

দুর্নীতির সিবিআই তদন্ত চেয়ে সাংবাদিক বৈঠক বেঙ্গল মাদ্রাসা এডুকেশন ফোরামের

এই অরাজনৈতিক সংগঠনের জেলা সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল জানান, তেইশ সালের দুই ফেব্রুয়ারি দেশের সর্বোচ্চ আদালত আটাত্তরটি মাদ্রাসার পাঁচশ পঁচাত্তর জনের চাকরি অবৈধ বলে ঘোষণা করে। তার মধ‍্যে বীরভূমের ভেড়ামারি, মেটেকোনা, মাড়গ্রাম সহ মোট পাঁচটি মাদ্রাসার মোট আটত্রিশ জন আছেন। সর্বোচ্চ আদালত একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি দিয়ে তদন্ত করে দেখে যে এই নিয়োগ পুরোপুরি অবৈধ। কারণসহ মাদ্রাসা কমিশনের পোর্টালে তার উল্লেখ করা আছে।

পরিচালন সমিতির সেক্রেটারি বা প্রধান শিক্ষকেরা অর্থের বিনিময়ে স্বজনপোষণ করে চাকরি গুলো বিলি করেছেন। সংগঠনের দাবি, মাদ্রাসা কমিশন, সংশ্লিষ্ট বিভাগ তদন্ত করে দেখুক, এই ব‍্যাপক দুর্নীতির পেছনে বড়ো মাথা কে? প্রয়োজনে সিবিআই বা ইডি দিয়ে তদন্ত করে আর্থিক লেনদেন সহ এই দুর্নীতির তদন্ত হোক।

পাশাপাশি, বেকার যুবক যুবতীদের বলবো, পরিচালন সমিতির খপ্পরে যেন তারা না পড়েন। তাহলে তাদের ভুগতে হবে। জানা গেছে, মাড়গ্রামেই ষোলোজনকে এভাবেই অবৈধ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।