১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্রেকিং: মুখ্যমন্ত্রীকে আচার্য চাই, রাজ্যপালকে আচার্য চাই না!  ‘বেনজির  মন্তব্য শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর

সুমিত দে: রাজ্য সরকারকে অন্ধকারে রেখেই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস এককভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, দাবি শিক্ষামন্ত্রীর। তিনি আরও বলেন মুখ্যমন্ত্রীকেও কিছু জানাচ্ছেন না রাজ্যপাল সিভি  আনন্দ বোস। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে,  রাজ্যপালের কাজ কর্মের জন্য তাঁকে ‘শ্বেত মত্ত হস্তি’ বলেও কটাক্ষ করেন শিক্ষামন্ত্রী। রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের সাম্প্রতিক  কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় সফর প্রসঙ্গে  বলেন, রাজ্যপালের এই পদক্ষেপ বাস্তবোচিত, সমীচিন এবং সঙ্গত বলে তিনি মনে করেন না। রাজ্যপাল ১০ মাস  কোনও বিল পাস করছেন না বলেও ব্রাত্য বসু অভিযোগ করেন। তিনি আরো বলেন রাজ্য সরকার এখনও রাজ্যপালের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই চলতে চায়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর রাজ্যপালের  নিয়ন্ত্রণ কায়েমের চেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না। তিনি যেভাবে  কাউকে না জানিয়ে স্বেচ্ছাচারী ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যাচ্ছেন, আচার্য্য নিয়োগ করছেন, তা সরকারের   কাছে হঠাকারীতা বলে মনে হচ্ছে।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

ইরান ছাড়ার জরুরি সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের, নাগরিকদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আহ্বান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ব্রেকিং: মুখ্যমন্ত্রীকে আচার্য চাই, রাজ্যপালকে আচার্য চাই না!  ‘বেনজির  মন্তব্য শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর

আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২৩, শুক্রবার

সুমিত দে: রাজ্য সরকারকে অন্ধকারে রেখেই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস এককভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, দাবি শিক্ষামন্ত্রীর। তিনি আরও বলেন মুখ্যমন্ত্রীকেও কিছু জানাচ্ছেন না রাজ্যপাল সিভি  আনন্দ বোস। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে,  রাজ্যপালের কাজ কর্মের জন্য তাঁকে ‘শ্বেত মত্ত হস্তি’ বলেও কটাক্ষ করেন শিক্ষামন্ত্রী। রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের সাম্প্রতিক  কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় সফর প্রসঙ্গে  বলেন, রাজ্যপালের এই পদক্ষেপ বাস্তবোচিত, সমীচিন এবং সঙ্গত বলে তিনি মনে করেন না। রাজ্যপাল ১০ মাস  কোনও বিল পাস করছেন না বলেও ব্রাত্য বসু অভিযোগ করেন। তিনি আরো বলেন রাজ্য সরকার এখনও রাজ্যপালের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই চলতে চায়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর রাজ্যপালের  নিয়ন্ত্রণ কায়েমের চেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না। তিনি যেভাবে  কাউকে না জানিয়ে স্বেচ্ছাচারী ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যাচ্ছেন, আচার্য্য নিয়োগ করছেন, তা সরকারের   কাছে হঠাকারীতা বলে মনে হচ্ছে।