পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: বিজেপি শাসিত ওড়িশায় বাড়ছে মহিলাদের প্রতি সহিংসতা। রাজ্যে প্রতিদিন গড়ে ১৫টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ।
বৃহস্পতিবার দলীয় সদর দফতরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে সর্বভারতীয় মহিলা কংগ্রেসের সভাপতি অলকা লাম্বা, ওড়িশা মহিলা কংগ্রেসের সভাপতি মীনাক্ষী বাহিনীপতি এবং বিধায়ক সোফিয়া ফিরদৌস রাজ্যে নারী নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।আরও পড়ুন:
ওড়িশার ডবল ইঞ্জিন সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানাল কংগ্রেস। মহিলাদের জন্য পুরোপুরি অনিরাপদ হয়ে পড়েছে ওড়িশা বলেও অভিযোগ তুলেছে হাত শিবির।
দেশের প্রধান বিরোধী দল বলেছে, সরকারের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রাজ্যে প্রতিদিন গড়ে ১৫টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।আরও পড়ুন:
কংগ্রেস জানিয়েছে, ওড়িশা সরকার নিজেরাই স্বীকার করেছে যে, গত ১১ মাসে ২৮ হাজার নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে অপরাধের ঘটনা ঘটেছে। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী প্রভাতী পারিদার বক্তব্য উদ্ধৃত করে সর্বভারতীয় মহিলা কংগ্রেসের সভাপতি অলকা লাম্বা বলেন, একজন ধর্ষণে অভিযুক্ত জামিনে মুক্তি পেয়েছিল। তারপর ভিকটিমকে হত্যা করে তার শরীরের অংশগুলি রাস্তায় ফেলে দিয়েছিল। তিনি বালাসোরে এক নাবালিকাকে ধর্ষণ ও হত্যার জঘন্য ঘটনার কথাও উল্লেখ করেছিলেন।
আরও পড়ুন:
রাজ্যের বারাবাটি-কটক কেন্দ্রের বিধায়ক সোফিয়া ফিরদৌস বলেন, নারীর ক্ষমতায়নই ওড়িশার পরিচয়। রাজ্য নারীত্ব এবং উর্বরতাকে সম্মান জানিয়ে রাজা উৎসব উদযাপন করে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই উৎসব চলাকালীন মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে রাজ্যে তিনটি গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। তিনি উল্লেখ করেন, গোপালপুরের মতো একটি বড় পর্যটন স্থানে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।
আরও পড়ুন:
মুখ্যমন্ত্রীর নিজের জেলা কেওনঝড়ে একটি ছোট শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়েছে এবং একটি হোটেলে এক মহিলাকে চারজন লোক গণধর্ষণ করেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায়বিচার প্রদানে বিলম্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কংগ্রেস নেতারা বলেন, ওড়িশায় অপরাধীদের অবাধ বিচরণ চলছে এবং তারা আইনের ভয় পায় না।