পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ইসরোর বড় খবর। আকাশে খেল দেখাচ্ছে ইসরোর স্যাটেলাইট। আকাশে দেখা যাচ্ছে স্যাটেলাইট ডগফাইট। পৃথিবী থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দূরে মহাকাশে কামাল দেখাল ভারত। ডগফাইট চালাল ইসরোর দুটি স্যাটেলাইট।
ঘণ্টায় গতিবেগ ২৯ হাজার কিলোমিটার। মার্চ মাসে চিন জোড়া স্যাটেলাইটে এই কীর্তি দেখিয়েছিল। আমেরিকা একে মহাকাশে যুদ্ধাভ্যাস বলে তোপ দেগেছিল।আরও পড়ুন:
কাকে বলে ডগফাইট? দু'টি স্যাটেলাইটের মধ্যে হাই স্পিডে নানারকম কসরত বা খেলা দেখানোর পোশাকি নাম ডগফাইট।
শব্দটার উৎপত্তি আকাশপথে যুদ্ধাভ্যাস থেকে। অনেকসময় দুটি যুদ্ধবিমান আকাশে নানারকম খেলা দেখায়। উদাহরণ হিসাবে প্রজাতন্ত্র দিবসে বায়ুসেনার যুদ্ধবিমানের আকাশে তিনরঙা পতাকা এঁকে দেওয়ার সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। কখনও কখনও একে ওপরের দিকে তীব্র গতিতে ছুটে যায়, আবার খুব কাছে গিয়েও গায়ে ধাক্কা না দিয়েই ফিরে আসে। আসলে, এভাবে দেখে নেওয়া হয়, ওই দুটি স্যাটেলাইটকে কতটা ভালভাবে নিয়ন্ত্রণ করে সংশ্লিষ্ট দেশের মহাকাশ কেন্দ্র। ভারত সেই নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে নিজের সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব দেখাল। ইসরো-র দুই স্যাটেলাইট ২৯,০০০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় ডগফাইট চালাল মহাকাশে।আরও পড়ুন:
স্পেডএক্স মিশনে ব্যবহৃত ইসরোর দু'টি স্যাটেলাইট এসডিএক্স-০১ ও এসডিএক্স-০২ এই কামাল করে দেখায়। যদিও এই ডগফাইট মূল মিশনের লক্ষ্য ছিল না। কিন্তু মিশনের অবশিষ্ট জ্বালানি খরচ করে এই ডগফাইট চালিয়ে দেখে নেওয়া হল– ডকিং, রি-ফুয়েলিং এমনকী আত্মরক্ষাতে ভবিষ্যতে কতটা দক্ষ স্যাটেলাইটগুলি। এই পদ্ধতি অত্যন্ত জটিল, বিশ্বের হাতে গোনা কয়েকটি দেশই এভাবে পৃথিবীর থেকে কয়েকশো কিলোমিটার দূরে উপগ্রহকে এত নিখুঁতভাবে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখে। সেই তালিকায় এবার নাম লেখাল ভারতের ইসরো।