০১ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রয়াত বর্ষীয়ান কবি ও সম্পাদক কৃষ্ণ ধর

পুবের কলম প্রতিবেদন: বুধবার দুপুরে চির ঘুমের দেশে চলে গেলেন বিশিষ্ট কবি কৃষ্ণ ধর। সম্ভবত এই মুহূর্তে তিনি দুই বাংলার প্রবীণতম কবি ছিলেন। কবি শঙ্খ ঘোষের পর তিনিই ছিলেন এযুগের প্রবীণতম কবি।

তাঁর মৃত্যুতে  সংস্কৃতি মহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। বার্ধক্যের কারণে প্রয়াত হন কবি ও দৈনিক বসুমতির প্রাক্তন সম্পাদক।

১৯২৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অবিভক্ত বাংলার বৃহত্তম জেলা ময়মনসিংহের কিশোরগঞ্জ মহকুমার কমলপুর গ্রামে কৃষ্ণ ধরের জন্ম। কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে ১৯৪৭ সালে অর্থনীতিতে স্নাতক হয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে এম এ পড়েন।  ১৯৪৮ সালে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ  ‘অঙ্গীকার’ প্রকাশিত হয়। তখনকার বিখ্যাত ‘চতুরঙ্গ’ পত্রিকায় এই কাব্যগ্রন্থের সমালোচনা করেছিলেন জীবনানন্দ দাশ।

বিশিষ্ট সাংবাদিক কৃষ্ণ ধর বিভিন্ন সময়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, সুরেন্দ্রনাথ কলেজ ও ভারতীয় বিদ্যা ভবনের সাংবাদিকতা বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন। ১৯৯০ থেকে ১৯৯২ পর্যন্ত তিনি ‘দৈনিক বসুমতী’ পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

সর্বধিক পাঠিত

যোগী রাজ্যে ফের ধর্ষণের শিকার তেরো বছরের বালিকা, তদন্তে পুলিশ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

প্রয়াত বর্ষীয়ান কবি ও সম্পাদক কৃষ্ণ ধর

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২২, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম প্রতিবেদন: বুধবার দুপুরে চির ঘুমের দেশে চলে গেলেন বিশিষ্ট কবি কৃষ্ণ ধর। সম্ভবত এই মুহূর্তে তিনি দুই বাংলার প্রবীণতম কবি ছিলেন। কবি শঙ্খ ঘোষের পর তিনিই ছিলেন এযুগের প্রবীণতম কবি।

তাঁর মৃত্যুতে  সংস্কৃতি মহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। বার্ধক্যের কারণে প্রয়াত হন কবি ও দৈনিক বসুমতির প্রাক্তন সম্পাদক।

১৯২৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অবিভক্ত বাংলার বৃহত্তম জেলা ময়মনসিংহের কিশোরগঞ্জ মহকুমার কমলপুর গ্রামে কৃষ্ণ ধরের জন্ম। কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে ১৯৪৭ সালে অর্থনীতিতে স্নাতক হয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে এম এ পড়েন।  ১৯৪৮ সালে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ  ‘অঙ্গীকার’ প্রকাশিত হয়। তখনকার বিখ্যাত ‘চতুরঙ্গ’ পত্রিকায় এই কাব্যগ্রন্থের সমালোচনা করেছিলেন জীবনানন্দ দাশ।

বিশিষ্ট সাংবাদিক কৃষ্ণ ধর বিভিন্ন সময়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, সুরেন্দ্রনাথ কলেজ ও ভারতীয় বিদ্যা ভবনের সাংবাদিকতা বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন। ১৯৯০ থেকে ১৯৯২ পর্যন্ত তিনি ‘দৈনিক বসুমতী’ পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।