০৭ মার্চ ২০২৬, শনিবার, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিনের বাণিজ্যিক রাজধানী সাংহাইতে লকডাউন

পুবের কলম প্রতিবেদক: সাংহাই­ দুই বছর আগে করোনা শুরুর পর থেকে চিনের উহান শহর পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আরও কিছু শহরে এবং প্রদেশে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু সাংহাইয়ের মতো বড় শহর পুরোপুরি বন্ধ রেখে লকডাউন করা হয়নি। কিন্তু এবার হলো। শহর বন্ধ রেখে কর্তৃপক্ষ ব্যাপকভাবে করোনা পরীক্ষা করবেন।

 

আরও পড়ুন: দুর্নীতির অভিযোগে উত্তাল আলবেনিয়া, রাজধানীতে সরকারবিরোধী সহিংস বিক্ষোভে আহত ১৬

গত এক মাস ধরে সাংহাইতে ব্যাপকহারে করোনা ছড়াচ্ছে। অবশ্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যে খুব বেশি তা নয়। তা সত্ত্বেও এই গুরুত্বপূর্ণ শিল্পশহর বন্ধ রেখে করোনা পরীক্ষা করা হবে। সাংহাইতে ২ কোটি ৫০ লক্ষ মানুষের বসবাস। এতদিন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ এখানে লকডাউন জারি করার সিদ্ধান্ত নেয়নি। পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে দেখে এবার সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। রাস্তায় যানবাহন চলবে না। কারখানা ও অফিস বন্ধ থাকবে। বাড়ি থেকে কাজ করা যেতে পারে। করোনার মোকাবিলার জন্য এই সিদ্ধান্ত সমর্থন করার জন্য শহরের মানুষকে আবেদন জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: China’s foreign minister: সীমান্ত নিয়ে আলোচনায় ভারতে আসছেন চিনের বিদেশ মন্ত্রী

 

আরও পড়ুন: মিশরে হচ্ছে নতুন রাজধানী, থাকবে ৬০ লক্ষ মানুষ

এর আগে চিনে একটা গোটা এলাকা লকডাউন হয়েছে। কিন্তু মানুষ এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যেতে পেরেছেন। সাংহাইয়ের জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। আজ পর্যন্ত সাংহাইয়ের মতো এত বড় শহরে লকডাউন করা হয়নি। তাছাড়া সাংহাই হল চিনের বাণিজ্যিক রাজধানী। এখানে লকডাউনের প্রভাব অনেক বেশি হতে বাধ্য।

 

কিন্তু চিন এখন ওমিক্রন ভাইরাসের মোকাবিলায় কোনও ঝুঁকি নিতে চায় না। এতদিন চিনা কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছিলেন, অর্থনীতির স্বার্থেই এই শহর চালু রাখা জরুরি। এখন দুই পর্বে লকডাউন ঘোষণা করা হলো। অর্ধেক শহরে এক পর্বে। বাকি অর্ধেকে অন্য পর্বে। সাংহাইতে শহরের পূবদিকের অংশে সোমবার (২৮ মার্চ) থেকে শুক্রবার (১ এপ্রিল) পর্যন্ত লকডাউন থাকবে। পশ্চিম অংশে লকডাউন থাকবে ১ থেকে ৫ এপ্রিল। চিনে অবশ্য অন্য শহরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কম থাকলেও লকডাউন জারি করা হয়েছে।

 

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

৩৮ জন জামিয়া মিল্লিয়া ইসলামিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী ২০২৫ সালের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চিনের বাণিজ্যিক রাজধানী সাংহাইতে লকডাউন

আপডেট : ২৮ মার্চ ২০২২, সোমবার

পুবের কলম প্রতিবেদক: সাংহাই­ দুই বছর আগে করোনা শুরুর পর থেকে চিনের উহান শহর পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আরও কিছু শহরে এবং প্রদেশে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু সাংহাইয়ের মতো বড় শহর পুরোপুরি বন্ধ রেখে লকডাউন করা হয়নি। কিন্তু এবার হলো। শহর বন্ধ রেখে কর্তৃপক্ষ ব্যাপকভাবে করোনা পরীক্ষা করবেন।

 

আরও পড়ুন: দুর্নীতির অভিযোগে উত্তাল আলবেনিয়া, রাজধানীতে সরকারবিরোধী সহিংস বিক্ষোভে আহত ১৬

গত এক মাস ধরে সাংহাইতে ব্যাপকহারে করোনা ছড়াচ্ছে। অবশ্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যে খুব বেশি তা নয়। তা সত্ত্বেও এই গুরুত্বপূর্ণ শিল্পশহর বন্ধ রেখে করোনা পরীক্ষা করা হবে। সাংহাইতে ২ কোটি ৫০ লক্ষ মানুষের বসবাস। এতদিন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ এখানে লকডাউন জারি করার সিদ্ধান্ত নেয়নি। পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে দেখে এবার সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। রাস্তায় যানবাহন চলবে না। কারখানা ও অফিস বন্ধ থাকবে। বাড়ি থেকে কাজ করা যেতে পারে। করোনার মোকাবিলার জন্য এই সিদ্ধান্ত সমর্থন করার জন্য শহরের মানুষকে আবেদন জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: China’s foreign minister: সীমান্ত নিয়ে আলোচনায় ভারতে আসছেন চিনের বিদেশ মন্ত্রী

 

আরও পড়ুন: মিশরে হচ্ছে নতুন রাজধানী, থাকবে ৬০ লক্ষ মানুষ

এর আগে চিনে একটা গোটা এলাকা লকডাউন হয়েছে। কিন্তু মানুষ এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যেতে পেরেছেন। সাংহাইয়ের জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। আজ পর্যন্ত সাংহাইয়ের মতো এত বড় শহরে লকডাউন করা হয়নি। তাছাড়া সাংহাই হল চিনের বাণিজ্যিক রাজধানী। এখানে লকডাউনের প্রভাব অনেক বেশি হতে বাধ্য।

 

কিন্তু চিন এখন ওমিক্রন ভাইরাসের মোকাবিলায় কোনও ঝুঁকি নিতে চায় না। এতদিন চিনা কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছিলেন, অর্থনীতির স্বার্থেই এই শহর চালু রাখা জরুরি। এখন দুই পর্বে লকডাউন ঘোষণা করা হলো। অর্ধেক শহরে এক পর্বে। বাকি অর্ধেকে অন্য পর্বে। সাংহাইতে শহরের পূবদিকের অংশে সোমবার (২৮ মার্চ) থেকে শুক্রবার (১ এপ্রিল) পর্যন্ত লকডাউন থাকবে। পশ্চিম অংশে লকডাউন থাকবে ১ থেকে ৫ এপ্রিল। চিনে অবশ্য অন্য শহরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কম থাকলেও লকডাউন জারি করা হয়েছে।