০২ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ১৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বুধবার রাজ্যপাল লা গণেশণের আমন্ত্রণে চেন্নাই সফরে মমতা

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: এক ঢিলে দুই পাখি। রথ দেখার পাশাপাশি কলা বেচাও সারবেন মমতা। বুধবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল লা গণেশণের আমন্ত্রণে চেন্নাই যাচ্ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সে-সময় সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে জোট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখনও পর্যন্ত যে খবর পাওয়া যাচ্ছে তাতে এই সফরে ডিএমকে সুপ্রিমো স্ট্যালিনের সঙ্গে বৈঠক করবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। যদিও এই বৈঠকে আলোচনার বিষয় সম্পর্কে দুই পক্ষের তরফ থেকেই আগেভাগে তেমন কিছু জানানো হয়নি। তবে দুই রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠক আর সেখানে কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হবে না, তা কি হয়? খুব স্বাভাবিকভাবেই তাই এই বৈঠককে কেন্দ্র করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।
অতীতে যখনই বিরোধী রাজনৈতিক দলের এই দুই শীর্ষনেতা মুখোমুখি হয়েছেন, তখনই জাতীয় ক্ষেত্রে আঞ্চলিক দলের জোট প্রসঙ্গটি উঠে এসেছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই এখানেও জোট জল্পনা প্রকাশ্যে এসেছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগেও একপ্রস্ত কথা হয় মমতা-স্ট্যালিনের। প্রসঙ্গত, বিজেপির বিরুদ্ধে আগেই ‘আঞ্চলিক জোটের’ ডাক দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছেন, আমি চাই ২০২৪-এর মধ্যে দেশের সমস্ত আঞ্চলিক দল ঐক্যবদ্ধ হোক, লড়াই করুক এবং বিজেপিকে পরাজিত করুক। এখন দেখার এই দুই শীর্ষনেতা মুখোমুখি হলে জাতীয় রাজনীতিতে কোনও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয় কি না। যদিও মমতা এবং স্ট্যালিনের সাক্ষাতের খবর প্রকাশে আসতেই এই নিয়ে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া আক্রমণ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ডিএমকে নেতা স্ট্যালিনের সঙ্গে বৈঠক করছেন বৈঠক করুন। আগেই তো ধর্মতলায় নিয়ে এসে মহাজোট গঠন করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য হাত মিলিয়েছিলেন, চপও খাইয়েছিলেন। চাইলে আরও একবার চেষ্টা করে দেখতে পারেন। কিন্তু বাস্তবে সেই মহাজোট আর হবে না।
যদিও বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে পালটা জবাব দিয়েছেন তৃণমূলের অন্যতম মুখপাত্র তাপস রায়। তিনি বলেন, দিলীপবাবু-সুকান্তবাবুরা এখন সব ভবিষ্যৎoষ্টা হয়েছেন। আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বৈঠকের কারণে ভয় পেয়েছে বিজেপি। দু’জন দুই রাজনৈতিক দলের শীর্ষনেতা বৈঠক করতেই পারেন। এতে ভীত হওয়ার কারণ কী! আসলে বিজেপি নেতারা বুঝতে পারছেন যতই ওনারা ডাবল ইঞ্জিনের কথা বলুন। যত সময় যাচ্ছে, তাদের আসল চেহারা বেরিয়ে পড়ছে। তাই মানুষকে ভয় পাচ্ছেন বিজেপি নেতারা।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

রাশিয়ায় আছড়ে পড়ল ইউক্রেনীয় ড্রোন, হামলা নিহত ২৪ জন নাগরিক

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বুধবার রাজ্যপাল লা গণেশণের আমন্ত্রণে চেন্নাই সফরে মমতা

আপডেট : ১ নভেম্বর ২০২২, মঙ্গলবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: এক ঢিলে দুই পাখি। রথ দেখার পাশাপাশি কলা বেচাও সারবেন মমতা। বুধবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল লা গণেশণের আমন্ত্রণে চেন্নাই যাচ্ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সে-সময় সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে জোট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখনও পর্যন্ত যে খবর পাওয়া যাচ্ছে তাতে এই সফরে ডিএমকে সুপ্রিমো স্ট্যালিনের সঙ্গে বৈঠক করবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। যদিও এই বৈঠকে আলোচনার বিষয় সম্পর্কে দুই পক্ষের তরফ থেকেই আগেভাগে তেমন কিছু জানানো হয়নি। তবে দুই রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠক আর সেখানে কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হবে না, তা কি হয়? খুব স্বাভাবিকভাবেই তাই এই বৈঠককে কেন্দ্র করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।
অতীতে যখনই বিরোধী রাজনৈতিক দলের এই দুই শীর্ষনেতা মুখোমুখি হয়েছেন, তখনই জাতীয় ক্ষেত্রে আঞ্চলিক দলের জোট প্রসঙ্গটি উঠে এসেছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই এখানেও জোট জল্পনা প্রকাশ্যে এসেছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগেও একপ্রস্ত কথা হয় মমতা-স্ট্যালিনের। প্রসঙ্গত, বিজেপির বিরুদ্ধে আগেই ‘আঞ্চলিক জোটের’ ডাক দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছেন, আমি চাই ২০২৪-এর মধ্যে দেশের সমস্ত আঞ্চলিক দল ঐক্যবদ্ধ হোক, লড়াই করুক এবং বিজেপিকে পরাজিত করুক। এখন দেখার এই দুই শীর্ষনেতা মুখোমুখি হলে জাতীয় রাজনীতিতে কোনও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয় কি না। যদিও মমতা এবং স্ট্যালিনের সাক্ষাতের খবর প্রকাশে আসতেই এই নিয়ে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া আক্রমণ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ডিএমকে নেতা স্ট্যালিনের সঙ্গে বৈঠক করছেন বৈঠক করুন। আগেই তো ধর্মতলায় নিয়ে এসে মহাজোট গঠন করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য হাত মিলিয়েছিলেন, চপও খাইয়েছিলেন। চাইলে আরও একবার চেষ্টা করে দেখতে পারেন। কিন্তু বাস্তবে সেই মহাজোট আর হবে না।
যদিও বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে পালটা জবাব দিয়েছেন তৃণমূলের অন্যতম মুখপাত্র তাপস রায়। তিনি বলেন, দিলীপবাবু-সুকান্তবাবুরা এখন সব ভবিষ্যৎoষ্টা হয়েছেন। আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বৈঠকের কারণে ভয় পেয়েছে বিজেপি। দু’জন দুই রাজনৈতিক দলের শীর্ষনেতা বৈঠক করতেই পারেন। এতে ভীত হওয়ার কারণ কী! আসলে বিজেপি নেতারা বুঝতে পারছেন যতই ওনারা ডাবল ইঞ্জিনের কথা বলুন। যত সময় যাচ্ছে, তাদের আসল চেহারা বেরিয়ে পড়ছে। তাই মানুষকে ভয় পাচ্ছেন বিজেপি নেতারা।