পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ফের মাও আতঙ্ক। জঙ্গলমহলে হাই অ্যালার্ট করল প্রশাসন। জঙ্গলমহলের পাশাপাশি  বাঁকুড়ার একাধিক জেলা সহ ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া জেলায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। চলছে পুলিশি কড়া নজরদারি। জেলাজুড়ে চলচে নাকা চেকিং।

 সতর্ক করা হয়েছে রাজ নৈতিক নেতাদেরও। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বাঁকুড়া  ও পুরুলিয়ায় পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন ডিজিপি  মনোজ মালব্য। জঙ্গলমহল এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন ডিজিপি।

পুলিশ সূত্রে খবর,  এদিনের বৈঠকে বাঁকুড়া জেলার মাওবাদী প্রভাবিত  রানিবাঁধ,  রাইপুর, বারিকুল, সারেঙ্গা ও সিমলাপাল থানাকে সতর্ক করা হয়। এই ৫ থানা এলাকায় নাকা তল্লাশি ও টহলদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

         বৈঠকে ছিলেন পশ্চিমাঞ্চলের এডিজি সঞ্জয় সিংহ ও বাঁকুড়া রেঞ্জের ডিআইজি সুনীলকুমার চৌধুরী। বাঁকুড়ার পর পুরুলিয়ার বেলগুমা পুলিশ লাইনসে নিরাপত্তা বৈঠক করেন মনোজ মালব্য।

আগামী ১৫ দিনের জন্য জঙ্গলমহলের মাও প্রভাবিত থানা এলাকায় জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট। নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ  দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওই সব থানার সব পুলিশ কর্মীদেরও ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

যাঁরা ছুটিতে রয়েছেন তাঁদেরও দ্রুত থানায় ফিরতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গোয়েন্দা সূত্রে খবর,  আগামী পনেরদিন থেকে এক মাসের মধ্যে জঙ্গলমহল এলাকায় বড়সড় নাশকতা ঘটাতে পারে মাওবাদীরা। ইতিমধ্যেই এই নিষিদ্ধ সংগঠনের কাজে সেই ইঙ্গিত মিলেছে। মূলত জঙ্গলমহলের থানা ও  খাঁকি উর্দিধারীদের ক্যাম্পকেই নিশানা করেছে মাওবাদীরা। তাই তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।

পুলিশের পাশাপাশি সক্রিয় গোয়েন্দা বিভাগও।