১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কলকাতায় এবার বাড়ি তৈরিতে আর দিতে হবে না উন্নয়ন ফি, বড় ঘোষণা রাজ্যের

পুবের কলম প্রতিবেদক: রাজ্য সরকার নানান উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু করে নাগরিকদের নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদার একটা অংশ মেটাতে চেষ্টা করছে। অন্যদিকে রাজ্যের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতির ফলে মানুষ শহরমুখী হচ্ছে। এই প্রবণতা শুধু বাংলায় নয়, প্রবণতা ধরা পড়ছে দেশজুড়ে। গ্রাম ছেড়ে মানুষের ভিড় দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে শহরপানে। কলকাতাতেও ভিড় বাড়ছে। শহরে বাড়ছে ফ্ল্যাটের সংখ্যাও। আবার কেউ কেউ জমি কিনেও বাড়ি করছেন।

কলকাতায় এবার বাড়ি তৈরিতে আর দিতে হবে না উন্নয়ন ফি, বড় ঘোষণা রাজ্যের

আরও পড়ুন: গাড়ির যন্ত্রাংশ তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রনে দমকলের ছটি ইঞ্জিন

এই বাড়ি করার ক্ষেত্রে কলকাতা পুরনিগম এলাকায় কিছুটা ছাড় দিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার। কলকাতায় যারা বাড়ি বা কোনও নতুন নির্মাণ করতে চান, তাদের জন্য সুখবর। এবার থেকে কলকাতা পুরনিগমের ১ থেকে ১০০ ওয়ার্ডে বাড়ি তৈরি করতে গেলে আর দিতে হবে না কোনও ডেভেলপমেন্ট ফি। ১০১ থেকে ১৪৪ নম্বর ওয়ার্ডে অবশ্য আগে থেকেই এই ফি নেওয়া হয় না। এবার ১০০টি ওয়ার্ড থেকেই ডেভেলপমেন্ট ফি প্রত্যাহার করা হল।

আরও পড়ুন: কলকাতার রাজপথে এসআইআর বিরোধী মহামিছিলে মমতা-অভিষেক

কলকাতায় এবার বাড়ি তৈরিতে আর দিতে হবে না উন্নয়ন ফি, বড় ঘোষণা রাজ্যের

আরও পড়ুন: কলকাতায় শধদূষণ ও বায়ুদূষণ অন্যান্য মহানগরগুলির তুলনায় অনেক কমঃ পুলিশ কমিশনার

 

 

জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাজ্য বিধানসভায় পাস হয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল টাউন অ্যান্ড কান্ট্রি বিল, ২০২৩। আগে কলকাতা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট বা কেআইটির অধীনে ছিল কলকাতা পুরনিগমের ১ থেকে ১০০ নম্বর ওয়ার্ড। পরে তা কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি বা কেএমডিএ,এর সঙ্গে যুক্ত হয়। এসব ওয়ার্ডে বাড়ি তৈরি করতে গেলে এতদিন ডেভেলপমেন্ট ফি দিতে হতো। কিন্তু তা দিতে হত না কলকাতা পুরনিগমের ১০১ থেকে ১৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের ক্ষেত্রে যা মূলত সংযোজিত এলাকা।অর্থাৎ একই শহরের ১০০টি ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের দিতে হত অতিরিক্ত কর যা শহরের বাকি ৪৪টি ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের দিতে হতো না। এবার সেই বৈষম্য দূর করা হল। তুলে দেওয়া হল ডেভেলপমেন্ট ফি।

 

 
সর্বধিক পাঠিত

বিশিষ্ট চিন্তাবিদ, শিক্ষাবিদ, পরামর্শদাতা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর এক অক্লান্ত কর্মী ড: মুহাম্মদ মনজুর আলম ইন্তেকাল করেছেন

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কলকাতায় এবার বাড়ি তৈরিতে আর দিতে হবে না উন্নয়ন ফি, বড় ঘোষণা রাজ্যের

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২৩, রবিবার

পুবের কলম প্রতিবেদক: রাজ্য সরকার নানান উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু করে নাগরিকদের নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদার একটা অংশ মেটাতে চেষ্টা করছে। অন্যদিকে রাজ্যের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতির ফলে মানুষ শহরমুখী হচ্ছে। এই প্রবণতা শুধু বাংলায় নয়, প্রবণতা ধরা পড়ছে দেশজুড়ে। গ্রাম ছেড়ে মানুষের ভিড় দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে শহরপানে। কলকাতাতেও ভিড় বাড়ছে। শহরে বাড়ছে ফ্ল্যাটের সংখ্যাও। আবার কেউ কেউ জমি কিনেও বাড়ি করছেন।

কলকাতায় এবার বাড়ি তৈরিতে আর দিতে হবে না উন্নয়ন ফি, বড় ঘোষণা রাজ্যের

আরও পড়ুন: গাড়ির যন্ত্রাংশ তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রনে দমকলের ছটি ইঞ্জিন

এই বাড়ি করার ক্ষেত্রে কলকাতা পুরনিগম এলাকায় কিছুটা ছাড় দিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার। কলকাতায় যারা বাড়ি বা কোনও নতুন নির্মাণ করতে চান, তাদের জন্য সুখবর। এবার থেকে কলকাতা পুরনিগমের ১ থেকে ১০০ ওয়ার্ডে বাড়ি তৈরি করতে গেলে আর দিতে হবে না কোনও ডেভেলপমেন্ট ফি। ১০১ থেকে ১৪৪ নম্বর ওয়ার্ডে অবশ্য আগে থেকেই এই ফি নেওয়া হয় না। এবার ১০০টি ওয়ার্ড থেকেই ডেভেলপমেন্ট ফি প্রত্যাহার করা হল।

আরও পড়ুন: কলকাতার রাজপথে এসআইআর বিরোধী মহামিছিলে মমতা-অভিষেক

কলকাতায় এবার বাড়ি তৈরিতে আর দিতে হবে না উন্নয়ন ফি, বড় ঘোষণা রাজ্যের

আরও পড়ুন: কলকাতায় শধদূষণ ও বায়ুদূষণ অন্যান্য মহানগরগুলির তুলনায় অনেক কমঃ পুলিশ কমিশনার

 

 

জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাজ্য বিধানসভায় পাস হয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল টাউন অ্যান্ড কান্ট্রি বিল, ২০২৩। আগে কলকাতা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট বা কেআইটির অধীনে ছিল কলকাতা পুরনিগমের ১ থেকে ১০০ নম্বর ওয়ার্ড। পরে তা কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি বা কেএমডিএ,এর সঙ্গে যুক্ত হয়। এসব ওয়ার্ডে বাড়ি তৈরি করতে গেলে এতদিন ডেভেলপমেন্ট ফি দিতে হতো। কিন্তু তা দিতে হত না কলকাতা পুরনিগমের ১০১ থেকে ১৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের ক্ষেত্রে যা মূলত সংযোজিত এলাকা।অর্থাৎ একই শহরের ১০০টি ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের দিতে হত অতিরিক্ত কর যা শহরের বাকি ৪৪টি ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের দিতে হতো না। এবার সেই বৈষম্য দূর করা হল। তুলে দেওয়া হল ডেভেলপমেন্ট ফি।