১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তিলজলায় আগুন, মৃত্যু বাবা-ছেলের

REPRESENTATIVE IMAGE

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: বৃহস্পতিবার তিলজলার একটি প্রিন্টিং কারখানায়  ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তাতে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় বাবা ও ছেলের। আশঙ্কাজনক আরও একজন। এ দিন সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। মর্মান্তিকভাবে বাবা ও ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়। তবে কী কারণে আগুন লাগল তা এখনও স্পষ্ট নয়।

স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃতদের নাম মুহাম্মদ জসিম ও মুহাম্মদ আমির। তারা তিলজলার তপসিয়া রোডের জুতোয় প্রিন্টিং করার কারখানায় কাজ করতেন। বুধবার রাতে কারখানাতেই ছিলেন বাবা ও দুই ছেলে। বৃহস্পতিবার সকালে আগুন দেখা যায় কারখানায়। স্থানীয়রা তড়িঘড়ি আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। ছোট ছেলেকে কারখানা থেকে উদ্ধার করে বাইরে বের করা সম্ভব হলেও বাকি দু’জন ভিতরে আটকে পড়েন। এ দিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ৪টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীদের একঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। জখম ছোট ছেলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি।

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

বাংলাদেশে নতুন সরকারের শপথে থাকছেন দেশি–বিদেশি ১২০০ অতিথি

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

তিলজলায় আগুন, মৃত্যু বাবা-ছেলের

আপডেট : ১৩ এপ্রিল ২০২৩, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: বৃহস্পতিবার তিলজলার একটি প্রিন্টিং কারখানায়  ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তাতে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় বাবা ও ছেলের। আশঙ্কাজনক আরও একজন। এ দিন সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। মর্মান্তিকভাবে বাবা ও ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়। তবে কী কারণে আগুন লাগল তা এখনও স্পষ্ট নয়।

স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃতদের নাম মুহাম্মদ জসিম ও মুহাম্মদ আমির। তারা তিলজলার তপসিয়া রোডের জুতোয় প্রিন্টিং করার কারখানায় কাজ করতেন। বুধবার রাতে কারখানাতেই ছিলেন বাবা ও দুই ছেলে। বৃহস্পতিবার সকালে আগুন দেখা যায় কারখানায়। স্থানীয়রা তড়িঘড়ি আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। ছোট ছেলেকে কারখানা থেকে উদ্ধার করে বাইরে বের করা সম্ভব হলেও বাকি দু’জন ভিতরে আটকে পড়েন। এ দিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ৪টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীদের একঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। জখম ছোট ছেলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি।