৩০ নভেম্বর ২০২৫, রবিবার, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

Palestinians starve to death: গাজায় ত্রাণ আটকে মৃত্যু ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ইসরাইল

ইমামা খাতুন
  • আপডেট : ১৪ অগাস্ট ২০২৫, বৃহস্পতিবার
  • / 430

Palestinians starve to death: গাজায় ত্রাণকে ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার বন্ধ কর

 

আরও পড়ুন: Palestinian state: এবার ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিচ্ছে france

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বিশ্বের ১০০-রও বেশি আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তারা বলেছে ইসরাইল ‘ডজন ডজন’ এনজিওর আবেদন বাতিল করে গাজায় জরুরি ত্রাণ পাঠাতে বাধা দিচ্ছে। এর ফলে জর্ডান ও মিশরের গুদামে কোটি ডলারের খাদ্য, ওষুধ, পানীয় জল ও আশ্রয় সামগ্রী অচলাবস্থায় পড়ে আছে, অথচ অবরুদ্ধ গাজার প্রায় অর্ধেকমানুষ, যার মধ্যে অর্ধেকই শিশুই ক্ষুধা ও রোগে ধুঁকছে।

আরও পড়ুন: গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতির আহ্বান চিনের

Palestinians starve to death: গাজায় ত্রাণ আটকে মৃত্যু ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ইসরাইল

আরও পড়ুন: ইসরাইলের হুমকিতে ভীত না হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবের 

সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, শুধু জুলাই মাসেই অন্তত ৬০টি ত্রাণ পাঠানোর আবেদন ইসরাইল বাতিল করেছে। মার্চে চালু হওয়া নতুন নিবন্ধন নীতির আওতায় ইসরাইল যেকোনো সংস্থাকে ইচ্ছেমতো বাতিল করতে পারছে, এমনকি যদি তাদের কর্মী বা বোর্ড সদস্য অতীতে ইসরাইল বয়কটের সমর্থন জানায়, তাহলেও প্রবেশাধিকার বন্ধ হচ্ছে। ত্রাণ সংস্থাগুলোর কাছে কর্মীদের ব্যক্তিগত তথ্য, দাতাদের নাম এবং ফিলিস্তিনি স্টাফদের সম্পূর্ণ তালিকা চাইছে ইসরায়েল;যা তাদের মতে মানবিক আইন লঙ্ঘন ও বিপজ্জনক পদক্ষেপ।

Palestinians starve to death: গাজায় ত্রাণ আটকে মৃত্যু ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ইসরাইল
কেয়ারের আঞ্চলিক পরিচালক জোলিয়েন ফেল্ডউইক বলেছেন, আমাদের একমাত্র লক্ষ্য জীবন বাঁচানো। কিন্তু ইসরাইলের এই অযৌক্তিক শর্ত মানুষের মুখ থেকে খাদ্য, ওষুধ ও সুরক্ষা কেড়ে নিচ্ছে। সাহায্য সংস্থাগুলো জোর দিয়ে বলেছে, গাজার সব স্থলসীমান্ত অবিলম্বে, সম্পূর্ণ ও নিঃশর্তভাবে খুলে দিতে হবে, যাতে প্রস্তুত থাকা হাজারো ট্রাক ও লাখো খাবারের প্যাকেট পৌঁছাতে পারে সেই মানুষের হাতে, যারা প্রতিদিন মৃত্যু ও অনাহারের মুখোমুখি হচ্ছে।

গাজায় প্রতিনিয়ত খাদ্যসংকট প্রকট হচ্ছে। শিশু, প্রতিবন্ধী ও প্রবীণ ব্যক্তিরা অনাহার ও প্রতিরোধযোগ্য অসুস্থতায় মারা যাচ্ছে।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

Palestinians starve to death: গাজায় ত্রাণ আটকে মৃত্যু ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ইসরাইল

আপডেট : ১৪ অগাস্ট ২০২৫, বৃহস্পতিবার

Palestinians starve to death: গাজায় ত্রাণকে ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার বন্ধ কর

 

আরও পড়ুন: Palestinian state: এবার ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিচ্ছে france

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বিশ্বের ১০০-রও বেশি আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তারা বলেছে ইসরাইল ‘ডজন ডজন’ এনজিওর আবেদন বাতিল করে গাজায় জরুরি ত্রাণ পাঠাতে বাধা দিচ্ছে। এর ফলে জর্ডান ও মিশরের গুদামে কোটি ডলারের খাদ্য, ওষুধ, পানীয় জল ও আশ্রয় সামগ্রী অচলাবস্থায় পড়ে আছে, অথচ অবরুদ্ধ গাজার প্রায় অর্ধেকমানুষ, যার মধ্যে অর্ধেকই শিশুই ক্ষুধা ও রোগে ধুঁকছে।

আরও পড়ুন: গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতির আহ্বান চিনের

Palestinians starve to death: গাজায় ত্রাণ আটকে মৃত্যু ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ইসরাইল

আরও পড়ুন: ইসরাইলের হুমকিতে ভীত না হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবের 

সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, শুধু জুলাই মাসেই অন্তত ৬০টি ত্রাণ পাঠানোর আবেদন ইসরাইল বাতিল করেছে। মার্চে চালু হওয়া নতুন নিবন্ধন নীতির আওতায় ইসরাইল যেকোনো সংস্থাকে ইচ্ছেমতো বাতিল করতে পারছে, এমনকি যদি তাদের কর্মী বা বোর্ড সদস্য অতীতে ইসরাইল বয়কটের সমর্থন জানায়, তাহলেও প্রবেশাধিকার বন্ধ হচ্ছে। ত্রাণ সংস্থাগুলোর কাছে কর্মীদের ব্যক্তিগত তথ্য, দাতাদের নাম এবং ফিলিস্তিনি স্টাফদের সম্পূর্ণ তালিকা চাইছে ইসরায়েল;যা তাদের মতে মানবিক আইন লঙ্ঘন ও বিপজ্জনক পদক্ষেপ।

Palestinians starve to death: গাজায় ত্রাণ আটকে মৃত্যু ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ইসরাইল
কেয়ারের আঞ্চলিক পরিচালক জোলিয়েন ফেল্ডউইক বলেছেন, আমাদের একমাত্র লক্ষ্য জীবন বাঁচানো। কিন্তু ইসরাইলের এই অযৌক্তিক শর্ত মানুষের মুখ থেকে খাদ্য, ওষুধ ও সুরক্ষা কেড়ে নিচ্ছে। সাহায্য সংস্থাগুলো জোর দিয়ে বলেছে, গাজার সব স্থলসীমান্ত অবিলম্বে, সম্পূর্ণ ও নিঃশর্তভাবে খুলে দিতে হবে, যাতে প্রস্তুত থাকা হাজারো ট্রাক ও লাখো খাবারের প্যাকেট পৌঁছাতে পারে সেই মানুষের হাতে, যারা প্রতিদিন মৃত্যু ও অনাহারের মুখোমুখি হচ্ছে।

গাজায় প্রতিনিয়ত খাদ্যসংকট প্রকট হচ্ছে। শিশু, প্রতিবন্ধী ও প্রবীণ ব্যক্তিরা অনাহার ও প্রতিরোধযোগ্য অসুস্থতায় মারা যাচ্ছে।